নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া ও সংবাদদাতা রাঘুনাথপুর: কালীপুজোর রাতে থানায় ঢুকে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠল পুরুলিয়ার জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়ার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাতে কাশীপুর থানায় ঢুকে তাণ্ডব চালানোর পাশাপাশি কয়েকজন পুলিসকর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার কথা চাউর হতেই তোলপাড় শুরু হয়েছে জেলাজুড়ে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। শনিবার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে কাশীপুর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। যার নেতৃত্বে ছিলেন পুরুলিয়ার বিজেপি বিধায়ক সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাশীপুরের বিজেপি বিধায়ক কমলাকান্ত হাঁসদা।
Advertisement
ঘটনার কথা মানছেন জেলার পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কালীপুজোর রাতে থানায় ঢুকে তাণ্ডব চালানো এবং কর্তব্যরত পুলিস কর্মীদের মারধরের একটি ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আমরা তদন্ত শুরু করেছি।
পুলিস জানিয়েছে, তাণ্ডবের ঘটনায় আস্তিক বেলথরিয়া, শঙ্কু বেলথরিয়া, অনুপম কর্মকার, সৈকত চৌধুরী, জিৎ সিং দেও সহ আরও চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। শঙ্কু জেলা তৃণমূলের সভাপতি সৌমেনের কাকা হন। আস্তিক সৌমেনের ভাইপো। শঙ্কু এলাকার দাপুটে ঠিকাদার এবং আস্তিক যুব নেতা হিসেবে পরিচিত। বাকিরাও তৃণমূল কর্মী বলেই এলাকায় পরিচিত।
পুলিসের দাবি, প্রতিবছরের মতো এবারও কাশীপুর থানা চত্বরে কালীপুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। থানা চত্বরে এই পুজো হলেও এলাকার সাধারণ মানুষজনও তাতে অংশগ্রহণ করে। ওইদিন রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ অভিযুক্তরা মদ্যপ অবস্থায় থানায় প্রবেশ করে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। সেই সময় দুই কনস্টেবল তার প্রতিবাদ করেন। তাদের এধরনের অভব্য আচরণ করতে নিষেধ করা হয়। এনিয়ে পুলিস কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল নেতারা। তর্ক গড়ায় হাতাহাতিতে। ওই দুই পুলিসকর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে আরও পুলিস কর্মী এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেনবাবু বলেন, এধরনের ঘটনা কখনই কাম্য নয়। প্রত্যেক কর্মীকে আরও সংযত হতে বলব। কী হয়েছে খতিয়ে দেখব। জেলা সভাপতির বাবা তথা প্রাক্তন বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়ার হুঁশিয়ারি, কিষান মান্ডিতে আমাদের ছেলেরা ও দু’জন কনস্টেবল মদ্যপান করছিল। সেখানেই কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছিল। পুলিস মিথ্যা কেস সাজিয়েছে। থানার ভিতর এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। সত্যি হলে পুলিস সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনুক।
বিজেপির অভিযোগ, পুলিস অবৈধ বালির ট্রাক আটকে ছিল। সেই কারণেই পুলিসকে মারধর করা হয়েছে। পুরুলিয়ার বিজেপি বিধায়ক সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেখানে থানায় ঢুকে পুলিস কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে, সেখানে পুলিস সাধারণ মানুষের কি সুরক্ষা দেবে? পুলিসকে ধিক্কার জানাতে আমরা শনিবার থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়েছি।
পুলিস জানিয়েছে, তাণ্ডবের ঘটনায় আস্তিক বেলথরিয়া, শঙ্কু বেলথরিয়া, অনুপম কর্মকার, সৈকত চৌধুরী, জিৎ সিং দেও সহ আরও চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। শঙ্কু জেলা তৃণমূলের সভাপতি সৌমেনের কাকা হন। আস্তিক সৌমেনের ভাইপো। শঙ্কু এলাকার দাপুটে ঠিকাদার এবং আস্তিক যুব নেতা হিসেবে পরিচিত। বাকিরাও তৃণমূল কর্মী বলেই এলাকায় পরিচিত।
পুলিসের দাবি, প্রতিবছরের মতো এবারও কাশীপুর থানা চত্বরে কালীপুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। থানা চত্বরে এই পুজো হলেও এলাকার সাধারণ মানুষজনও তাতে অংশগ্রহণ করে। ওইদিন রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ অভিযুক্তরা মদ্যপ অবস্থায় থানায় প্রবেশ করে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। সেই সময় দুই কনস্টেবল তার প্রতিবাদ করেন। তাদের এধরনের অভব্য আচরণ করতে নিষেধ করা হয়। এনিয়ে পুলিস কর্মীদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল নেতারা। তর্ক গড়ায় হাতাহাতিতে। ওই দুই পুলিসকর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে আরও পুলিস কর্মী এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেনবাবু বলেন, এধরনের ঘটনা কখনই কাম্য নয়। প্রত্যেক কর্মীকে আরও সংযত হতে বলব। কী হয়েছে খতিয়ে দেখব। জেলা সভাপতির বাবা তথা প্রাক্তন বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়ার হুঁশিয়ারি, কিষান মান্ডিতে আমাদের ছেলেরা ও দু’জন কনস্টেবল মদ্যপান করছিল। সেখানেই কিছু একটা গন্ডগোল হয়েছিল। পুলিস মিথ্যা কেস সাজিয়েছে। থানার ভিতর এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। সত্যি হলে পুলিস সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনুক।
বিজেপির অভিযোগ, পুলিস অবৈধ বালির ট্রাক আটকে ছিল। সেই কারণেই পুলিসকে মারধর করা হয়েছে। পুরুলিয়ার বিজেপি বিধায়ক সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যেখানে থানায় ঢুকে পুলিস কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে, সেখানে পুলিস সাধারণ মানুষের কি সুরক্ষা দেবে? পুলিসকে ধিক্কার জানাতে আমরা শনিবার থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়েছি।



