অভিষেক পাল, বহরমপুর: কুখ্যাত জেএমবি জঙ্গি তারিকুল ইসলাম ওরফে সাজিদ সুমনকে জেরা শুরু করেছে এসটিএফ। বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বসেই সে গত কয়েক বছর ধরে আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। সংশোধনাগারে তার কাছে ছিল একটি মোবাইল ফোনও। সেই ফোনের নম্বরও রয়েছে গোয়েন্দাদের কাছে। হরিহরপাড়া থেকে ধৃত জঙ্গি আব্বাস আলি ও এবিটির আইইডি বিস্ফোরণের বিশেষজ্ঞ নুর ইসলামের সঙ্গে মাঝে মধ্যেই ওই ফোন থেকে কথা বলা হয়েছে বলেই দাবি গোয়েন্দাদের। কিন্তু জেলের ভিতর থেকে কীভাবে অবাধে ফোনে কথা বলতে পারত, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
Advertisement
এদিকে নুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাংলাদেশি জঙ্গি তারিকুলের যোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই তদন্তকারীরা তাকে জেরা শুরু করেছেন। নুরকে গ্রেপ্তার করার পর অসম এসটিএফ জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে। হরিহরপাড়া থেকে ধৃত আব্বাস আলি ও মিনারুল শেখকে মাঝেমধ্যেই জেলে ডেকে পাঠাত তারিকুল। কিন্তু কীভাবে? জেলে নির্দিষ্ট দিনে তাদেরকে দেখা করার জন্য মাঝেমধ্যে নূরকেও খবর পাঠাত তারিকুল। সেই নির্দেশ পেয়েই জেলে ছুটত আব্বাস। অনেক সময় আব্বাসকে সরাসরি ফোন করে ডেকে পাঠানো হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। নুরের সমস্ত পরিকল্পনা তারিকুল জানত। সেই মত জেলায় জঙ্গি সংগঠনের বিস্তারের কাজ করছিল সে।
আব্বাস হরিহরপাড়ার বারুইপাড়া মোড়ে খারিজি মাদ্রাসা খুলে এলাকার নাবালকদের সেখানে মগজ ধোলাই চালাত। ২০২৫ মাঝামাঝি তারিকুলের সাজা শেষ হওয়ার পর ওই মাদ্রাসায় গিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল। নুর পরিকল্পনা করে, তারিকুলকে দিয়ে এই বাংলায় এবিটির নতুনদের নিয়ে সংগঠন সাজানোর কাজে লাগানো হবে। হরিহরপাড়া মাদ্রাসার হালহকিকত জেনে নিয়ে তারিকুলের দায়িত্ব থাকবে জেলায় আরও খারিজি মাদ্রাসা তৈরি ও অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার। জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে ও সীমান্তের কাছাকাছি সেই মাদ্রাসা খোলা হবে। এজন্য লাগবে প্রচুর বিশ্বস্ত লোক। সেজন্য জেলে থাকাকালীন অন্য অপরাধীদের মগজ ধোলাই করে সংগঠনে টেনে আনার চেষ্টা করে তারিকুল। জেলবন্দি তারিকুলকে নিয়ে এই গোটা পরিকল্পনা করে নুর। জেলে বসেই বাধ্য সংগঠকের মত কাজ করতে থাকে তারিকুল। সেই কাজে অনেকটা সফলও হয় সে। জানা গিয়েছে, খাগড়াগড় বিস্ফোরণকণ্ডে ২০১৫ সালে এএনআইএ তাকে গ্রেপ্তার করে। বিচারপর্ব শেষে তার দশ বছরের সাজা হয়।২০১৭ সাল নাগাদ নাবালিকা অপহরণের জেরে বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি ছিল আব্বাস। সে সময় তারিকুলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। আব্বাস জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ২০১৯ সালে তারিকুল নিজেই দোষ স্বীকার করে সাজা মাথা পেতে নেয়। নিজেই দোষ স্বীকার করায় জেলে বাড়তি সুবিধা মেলে তারিকুলের। সাজাও কিছুটা কমে। এই সুযোগটাই সে কাজে লাগায়। এবিটির শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের নির্দেশেই সে এই দোষ স্বীকার করেছিল কি না, সেটাই ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। কারণ, দ্রুত সে জেল থেকে বেরিয়ে এলে নতুন করে নাশকতার পরিকল্পনা করতে পারবে তারিকুল। সেই মত নির্দিষ্ট কিছু তথ্য মাঝেমধ্যে আব্বাসের মাধ্যমে তারিকুলকে জানিয়ে দিত বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনের মাথারা।
আব্বাস হরিহরপাড়ার বারুইপাড়া মোড়ে খারিজি মাদ্রাসা খুলে এলাকার নাবালকদের সেখানে মগজ ধোলাই চালাত। ২০২৫ মাঝামাঝি তারিকুলের সাজা শেষ হওয়ার পর ওই মাদ্রাসায় গিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ছিল। নুর পরিকল্পনা করে, তারিকুলকে দিয়ে এই বাংলায় এবিটির নতুনদের নিয়ে সংগঠন সাজানোর কাজে লাগানো হবে। হরিহরপাড়া মাদ্রাসার হালহকিকত জেনে নিয়ে তারিকুলের দায়িত্ব থাকবে জেলায় আরও খারিজি মাদ্রাসা তৈরি ও অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ার। জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে ও সীমান্তের কাছাকাছি সেই মাদ্রাসা খোলা হবে। এজন্য লাগবে প্রচুর বিশ্বস্ত লোক। সেজন্য জেলে থাকাকালীন অন্য অপরাধীদের মগজ ধোলাই করে সংগঠনে টেনে আনার চেষ্টা করে তারিকুল। জেলবন্দি তারিকুলকে নিয়ে এই গোটা পরিকল্পনা করে নুর। জেলে বসেই বাধ্য সংগঠকের মত কাজ করতে থাকে তারিকুল। সেই কাজে অনেকটা সফলও হয় সে। জানা গিয়েছে, খাগড়াগড় বিস্ফোরণকণ্ডে ২০১৫ সালে এএনআইএ তাকে গ্রেপ্তার করে। বিচারপর্ব শেষে তার দশ বছরের সাজা হয়।২০১৭ সাল নাগাদ নাবালিকা অপহরণের জেরে বহরমপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি ছিল আব্বাস। সে সময় তারিকুলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। আব্বাস জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ২০১৯ সালে তারিকুল নিজেই দোষ স্বীকার করে সাজা মাথা পেতে নেয়। নিজেই দোষ স্বীকার করায় জেলে বাড়তি সুবিধা মেলে তারিকুলের। সাজাও কিছুটা কমে। এই সুযোগটাই সে কাজে লাগায়। এবিটির শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের নির্দেশেই সে এই দোষ স্বীকার করেছিল কি না, সেটাই ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। কারণ, দ্রুত সে জেল থেকে বেরিয়ে এলে নতুন করে নাশকতার পরিকল্পনা করতে পারবে তারিকুল। সেই মত নির্দিষ্ট কিছু তথ্য মাঝেমধ্যে আব্বাসের মাধ্যমে তারিকুলকে জানিয়ে দিত বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠনের মাথারা।



