নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সাধারণত নীরব ও প্রতিক্রিয়াহীন থাকেন। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচন এলেই নীতীশ কুমারের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। এই বছরই বিহারে ভোট। নীতীশ কুমার একের পর এক যাত্রার কথা ঘোষণা করেছেন। জেলায় জেলায় যাচ্ছেন তিনি। এখন চলছে প্রগতি যাত্রা। হঠাৎ তা স্থগিত করে দিয়ে নীতীশ কুমারের দিল্লি সফর। আজ, রবিবার তিনি দিল্লি আসছেন। আজ অথবা আগামী কাল দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। কেন হঠাৎ এই সফর? বিজেপি এবং সংযুক্ত জনতা দল কেউই স্পষ্ট জানায়নি।
Advertisement
যা নিয়ে জোর চর্চা চলছে। কারণ কয়েকদিনের মধ্যেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা এবং শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানও হবে। বিজেপি তথা এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে সেই অনুষ্ঠানে। আমন্ত্রণ পাবেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রীও। হঠাৎ তার মাত্র কয়েকদিন আগে পৃথকভাবে তাঁর দিল্লিতে আগমন কেন? এই সংশয় ও প্রশ্ন যেহেতু নীতীশকে কেন্দ্র করে, তাই জল্পনা আরও বেড়েছে। কারণ ভোটের আগে ও পরে আচমকা রাজনৈতিক চমক দিতে তাঁর জুড়ি নেই।
দু’টি ইস্যুতে বিহারে বিজেপির মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘প্রাণভোমরা’ নীতীশ কুমারকে নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। প্রথমত, জেডিইউ আভাস দিচ্ছে এবারও বিহার ভোটে নীতীশকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে নামুক এনডিএ। যা বিহার বিজেপি ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চায় না। দ্বিতীয়ত, এবার বিজেপি বেশি আসনে লড়াই করতে চাইছে। ২৪৩ আসনের মধ্যে তারা ২০২০ সালে পেয়েছে ৮০ আসন। এবার শতাধিক আসন পাবে বলে আশা করছে। শরিক দলকে সেই সুযোগ দিতে চায় না জেডিইউ। কারণ তাদের মতে, বিজেপির আসল লক্ষ্য নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হওয়া। তখন আর জেডিইউকে প্রয়োজন হবে না। এবং অতঃপর নীতীশের দল ভেঙে দেওয়া হবে। এসব বিজেপির পুরানো খেলা। জেডিইউ সুপ্রিমো জানেন।
আর এসবের মধ্যেই হঠাৎ নীতীশ কুমারের পুত্র নিশান্তের রাজনীতিতে আগমনের জল্পনা তীব্র হয়েছে। যা নিয়ে যতটা বিরোধীদের মধ্যে আলোচনা বা আলোড়ন, সেই তুলনায় অনেক বেশি চর্চা বিহার বিজেপির অন্দরে। কিন্তু এই ইস্যুগুলির মধ্যেই সরাসরি নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সঙ্গে নীতীশ কুমার কী বিষয়ে দর কষাকষি করতে আসছেন, আপাতত সেই প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে জোরদার চর্চা চলছে।
দু’টি ইস্যুতে বিহারে বিজেপির মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘প্রাণভোমরা’ নীতীশ কুমারকে নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। প্রথমত, জেডিইউ আভাস দিচ্ছে এবারও বিহার ভোটে নীতীশকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে নামুক এনডিএ। যা বিহার বিজেপি ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চায় না। দ্বিতীয়ত, এবার বিজেপি বেশি আসনে লড়াই করতে চাইছে। ২৪৩ আসনের মধ্যে তারা ২০২০ সালে পেয়েছে ৮০ আসন। এবার শতাধিক আসন পাবে বলে আশা করছে। শরিক দলকে সেই সুযোগ দিতে চায় না জেডিইউ। কারণ তাদের মতে, বিজেপির আসল লক্ষ্য নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হওয়া। তখন আর জেডিইউকে প্রয়োজন হবে না। এবং অতঃপর নীতীশের দল ভেঙে দেওয়া হবে। এসব বিজেপির পুরানো খেলা। জেডিইউ সুপ্রিমো জানেন।
আর এসবের মধ্যেই হঠাৎ নীতীশ কুমারের পুত্র নিশান্তের রাজনীতিতে আগমনের জল্পনা তীব্র হয়েছে। যা নিয়ে যতটা বিরোধীদের মধ্যে আলোচনা বা আলোড়ন, সেই তুলনায় অনেক বেশি চর্চা বিহার বিজেপির অন্দরে। কিন্তু এই ইস্যুগুলির মধ্যেই সরাসরি নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সঙ্গে নীতীশ কুমার কী বিষয়ে দর কষাকষি করতে আসছেন, আপাতত সেই প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে জোরদার চর্চা চলছে।



