সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: দীর্ঘদিন বাদে খোলা হল গঙ্গারামপুর ব্লক ও শহর তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়। প্রতিষ্ঠা দিবসের মিটিং ঘিরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ছায়া। শনিবার সন্ধ্যায় দীর্ঘদিন বাদে গঙ্গারামপুর চৌপথীতে গঙ্গারামপুর ব্লক ও শহর তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় খুলে ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা দিবসের মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।
Advertisement
দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃণাল সরকারের নেতৃত্বে ব্লকের ১১ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল নেতৃত্ব ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে জেলা কমিটির বেশ কিছু নেতা হাজির ছিলেন। যদিও গঙ্গারামপুর ব্লক ও শহর কমিটির ডাকা বৈঠকে ব্লক ও টাউন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতিদের উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি। গত ১৮ ডিসেম্বর গঙ্গারামপুরে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রস্তুতি বৈঠক সারেন ব্লক সভাপতি শঙ্কর সরকার। শনিবার সন্ধ্যার বৈঠককে ‘অসাংবিধানিক’ বলে বিষয়টি নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়ে সরব হয়েছেন গঙ্গারামপুরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি।
জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর চৌপথী এলাকায় ব্লক ও টাউন তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় তৈরি হয় ভাড়াবাড়িতে, জেলা সভাপতি গৌতম দাসের আমল থেকে। ওই কার্যালয় থেকে একাধিক নির্বাচন পরিচালনা হয়েছে। বিপ্লব মিত্র গোষ্ঠীর নেতারা কোনওদিন ওই কার্যালয়মুখী হননি। বর্তমানে গঙ্গারামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় পরিচালনা হয় দলের জেলা কার্যালয় থেকে। মৃণাল সরকার, অম্বরিশ সরকার ও গৌতম দাসের পালে হাওয়া না থাকায় গঙ্গারামপুরের ব্লক ও শহর তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে নেতাদের খুব কম দেখা যায়। এবারে প্রতিষ্ঠা দিবসকে সামনে রেখে গঙ্গারামপুর তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে বিভাজন সামনে এসেছে। দু’পক্ষ আলাদা করে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃণাল সরকার বলেন, ব্লক সভাপতি জেলা সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে গঙ্গারামপুরের দলের জেলা নেতা, জনপ্রতিনিধিদের দলীয় কর্মসূচিতে ডাকেন না। প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রস্তুতি বৈঠকে ডাকেনি। ব্লক সভাপতি বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতাকে নতুন করে পদ দেওয়ায় অঞ্চলজুড়ে তৃণমূল নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। সকলকে একসঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের বিষয়ে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে। ব্লক সভাপতি শঙ্কর সরকার বলেন, জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রস্তুতি নিয়ে মিটিং করেছে ব্লক ও জেলার নেতাদের সঙ্গে। কীভাবে ব্লক সভাপতিকে ছাড়া বৈঠকটি হয়, তা রাজ্য নেতৃত্বকে জানাবো। জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, আমি শুনেছি। বিষয়টি দলের কাছে একটু অস্বস্তিকর। উদ্ভূত বিষয় নিয়ে মৃণাল বাবুকে ফোন করেছিলাম। পাইনি। বিষয়টি মান অভিমান থেকে হয়েছে। আলোচনা করে সব ঠিক করা হবে।
জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর চৌপথী এলাকায় ব্লক ও টাউন তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় তৈরি হয় ভাড়াবাড়িতে, জেলা সভাপতি গৌতম দাসের আমল থেকে। ওই কার্যালয় থেকে একাধিক নির্বাচন পরিচালনা হয়েছে। বিপ্লব মিত্র গোষ্ঠীর নেতারা কোনওদিন ওই কার্যালয়মুখী হননি। বর্তমানে গঙ্গারামপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় পরিচালনা হয় দলের জেলা কার্যালয় থেকে। মৃণাল সরকার, অম্বরিশ সরকার ও গৌতম দাসের পালে হাওয়া না থাকায় গঙ্গারামপুরের ব্লক ও শহর তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে নেতাদের খুব কম দেখা যায়। এবারে প্রতিষ্ঠা দিবসকে সামনে রেখে গঙ্গারামপুর তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে বিভাজন সামনে এসেছে। দু’পক্ষ আলাদা করে দলের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মৃণাল সরকার বলেন, ব্লক সভাপতি জেলা সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে গঙ্গারামপুরের দলের জেলা নেতা, জনপ্রতিনিধিদের দলীয় কর্মসূচিতে ডাকেন না। প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রস্তুতি বৈঠকে ডাকেনি। ব্লক সভাপতি বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতাকে নতুন করে পদ দেওয়ায় অঞ্চলজুড়ে তৃণমূল নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। সকলকে একসঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের বিষয়ে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে। ব্লক সভাপতি শঙ্কর সরকার বলেন, জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রতিষ্ঠা দিবসের প্রস্তুতি নিয়ে মিটিং করেছে ব্লক ও জেলার নেতাদের সঙ্গে। কীভাবে ব্লক সভাপতিকে ছাড়া বৈঠকটি হয়, তা রাজ্য নেতৃত্বকে জানাবো। জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, আমি শুনেছি। বিষয়টি দলের কাছে একটু অস্বস্তিকর। উদ্ভূত বিষয় নিয়ে মৃণাল বাবুকে ফোন করেছিলাম। পাইনি। বিষয়টি মান অভিমান থেকে হয়েছে। আলোচনা করে সব ঠিক করা হবে।



