সংবাদদাতা, ইসলামপুর: পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি গৌরাঙ্গ চৌহানের অপসারণের দাবিতে সরব সংগঠনের নেতৃত্বের একাংশ। দলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল, মন্ত্রী গোলাম রব্বানি এবং সংগঠনের রাজ্য সভাপতির কাছেও এই দাবি জানানো হয়েছে।
Advertisement
শাখা সংগঠনগুলির মধ্যে যেহেতু প্রাথমিক শিক্ষকদের সংগঠন অন্যতম, তাই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কানাইয়ালাল বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে আমার কাছে অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই অভিযোগ সংগঠনের রাজ্য সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।
সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই জেলা সভাপতির পদ সামলাচ্ছেন গৌরাঙ্গ। সংগঠনের একাংশের সঙ্গে সামান্য বিরোধ আগে থেকেই ছিল। শিক্ষকদের উপস্থিতি ও অবস্থানের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করার জন্য গত নভেম্বরে শিক্ষকদের একটি অ্যাপ ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়ার মেসেজ ছড়িয়ে পড়ে। এতে গৌরাঙ্গর বিরুদ্ধে সংগঠনের শিক্ষকদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে চলে আসে। ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের দাবি, অ্যাপ চালুর বিষয়ে গৌরাঙ্গবাবুর যোগসাজশ আছে।
শিক্ষক নেতা তথা সংগঠনের প্রাক্তন জেলা সহ সভাপতি রামগোপাল পাল বলেন, আমরা গৌরাঙ্গ চৌহানের অপসারণের দাবিতে দলের জেলা সভাপতি, মন্ত্রী গোলাম রব্বানির কাছে আবেদন করেছি। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুধু উত্তর দিনাজপুর জেলায় একটি থার্ড পার্টি অ্যাপ চালু করার চেষ্টা হয়েছিল। তাতে শিক্ষকদের যাবতীয় তথ্য আপলোড করতে বলা হয়। এতে শিক্ষকদের সাইবার প্রতারণার মুখে পড়ার আশঙ্কা ছিল। বিষয়টি নিয়ে জেলা সভাপতির দ্বারস্থ হলে তিনি শিক্ষকদের আশ্বাস দেননি।
অপসারণের পক্ষে সওয়াল করা শিক্ষক নেতাদের দাবি, একাধিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে। সাংগঠনিক বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সার্কেল নেতৃত্বকে তিনি গুরুত্বই দেন না। কয়েক বছর আগে ইসলামপুরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আর্থিক তছরূপের অভিযোগ উঠেছিল। কিছু শিক্ষক প্রতিবাদ করায় তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন গৌরাঙ্গ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে গৌরাঙ্গর মন্তব্য, অপসারণের বিষয়টি সম্পূর্ণ রাজ্যের ব্যাপার। রাজ্য থেকে যা নির্দেশ আসবে, মাথা পেতে নেব। জেলা প্রশাসন অ্যাপ চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু সরকারি কোনও নির্দেশ নেই। ওই অ্যাপ চালু হলে সকলকে নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে হাজির হতে হবে। আগে বেরিয়ে গেলে জেলা প্রশাসনের নজরে পড়বেন। তাই একাংশ শিক্ষক চাইছিলেন অ্যাপ নিয়ে জেলাশাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করি। যা নিয়ে সরকারি নির্দেশই নেই, সেবিষয়ে আন্দোলনে নামতে পারি না। আমরা শিক্ষা, শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পেশাগত উন্নয়নে কাজ করব। যাঁরা বিজেমূল, তাঁরাই আমার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলছেন।
সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই জেলা সভাপতির পদ সামলাচ্ছেন গৌরাঙ্গ। সংগঠনের একাংশের সঙ্গে সামান্য বিরোধ আগে থেকেই ছিল। শিক্ষকদের উপস্থিতি ও অবস্থানের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করার জন্য গত নভেম্বরে শিক্ষকদের একটি অ্যাপ ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়ার মেসেজ ছড়িয়ে পড়ে। এতে গৌরাঙ্গর বিরুদ্ধে সংগঠনের শিক্ষকদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে চলে আসে। ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের দাবি, অ্যাপ চালুর বিষয়ে গৌরাঙ্গবাবুর যোগসাজশ আছে।
শিক্ষক নেতা তথা সংগঠনের প্রাক্তন জেলা সহ সভাপতি রামগোপাল পাল বলেন, আমরা গৌরাঙ্গ চৌহানের অপসারণের দাবিতে দলের জেলা সভাপতি, মন্ত্রী গোলাম রব্বানির কাছে আবেদন করেছি। নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুধু উত্তর দিনাজপুর জেলায় একটি থার্ড পার্টি অ্যাপ চালু করার চেষ্টা হয়েছিল। তাতে শিক্ষকদের যাবতীয় তথ্য আপলোড করতে বলা হয়। এতে শিক্ষকদের সাইবার প্রতারণার মুখে পড়ার আশঙ্কা ছিল। বিষয়টি নিয়ে জেলা সভাপতির দ্বারস্থ হলে তিনি শিক্ষকদের আশ্বাস দেননি।
অপসারণের পক্ষে সওয়াল করা শিক্ষক নেতাদের দাবি, একাধিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে। সাংগঠনিক বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সার্কেল নেতৃত্বকে তিনি গুরুত্বই দেন না। কয়েক বছর আগে ইসলামপুরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আর্থিক তছরূপের অভিযোগ উঠেছিল। কিছু শিক্ষক প্রতিবাদ করায় তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন গৌরাঙ্গ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে গৌরাঙ্গর মন্তব্য, অপসারণের বিষয়টি সম্পূর্ণ রাজ্যের ব্যাপার। রাজ্য থেকে যা নির্দেশ আসবে, মাথা পেতে নেব। জেলা প্রশাসন অ্যাপ চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু সরকারি কোনও নির্দেশ নেই। ওই অ্যাপ চালু হলে সকলকে নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে হাজির হতে হবে। আগে বেরিয়ে গেলে জেলা প্রশাসনের নজরে পড়বেন। তাই একাংশ শিক্ষক চাইছিলেন অ্যাপ নিয়ে জেলাশাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করি। যা নিয়ে সরকারি নির্দেশই নেই, সেবিষয়ে আন্দোলনে নামতে পারি না। আমরা শিক্ষা, শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পেশাগত উন্নয়নে কাজ করব। যাঁরা বিজেমূল, তাঁরাই আমার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলছেন।



