নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়ার পরিবর্তন চেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি দিলেন দলের পুরুলিয়া জেলার শীর্ষ নেতারা। তবে, সৌমেনবাবুকে সরানোর দাবি জানালেও তাঁর পরিবর্তে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সেব্যাপারে তাঁরা একমত নন। নতুন সভাপতির নাম নিয়ে কোন্দল আছে নেতাদের মধ্যেই।
Advertisement
দলীয় সূত্রের খবর, মাসখানেক আগে পুরুলিয়া শহরের হুচুকপাড়া মোড়ের নির্বাচনী কার্যালয়ে একটি গোপন বৈঠক হয় তৃণমূলের। জেলার বর্ষীয়ান নেত, জেলা পরিষদের শীর্ষস্থানীয় দু’জন জনপ্রতিনিধি, দু’জন বিধায়ক, কিছু শাখা সংগঠনের জেলা সভাপতি সহ কয়েকজন ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলে আলোচনা। সিদ্ধান্ত হয়, জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে তাঁরা অভিষেককে চিঠি দেবেন। চিঠিতে সই করেন প্রত্যেকে। পরেরদিন সেই চিঠি যায় কলকাতায়। মোট ১১জনের সই সম্বলিত চিঠি অভিষেকের অফিসে গিয়ে জমা দেন নেতারা।
জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযোগ, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে সবাইকে নিয়ে চলতে ব্যর্থ সৌমেনবাবু। দলে সম্মান পাচ্ছেন না পুরনো নেতারা। ব্লকে ব্লকে বেড়েছে গোষ্ঠী কোন্দল। লোকসভা নির্বাচনেও তাঁকে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়নি। যে কারণে প্রবল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পুরুলিয়ায় জিততে পারেনি তৃণমূল।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চিঠি পাওয়ার পরেই বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করে রাজ্য নেতৃত্ব। সৌমেনের পরিবর্তে কাকে জেলা সভাপতি করা যায়, তা নিয়ে খোঁজ খবরও শুরু করে তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থার কর্মীরা। রাজনৈতিক দক্ষ, কর্মঠ, সবাইকে নিয়ে চলতে পারবে এমন নেতার খোঁজ শুরু হয়। এনিয়ে জেলা সভাপতি অবশ্য বলেন, আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আমাকে জানাতে পারতেন সবাই। সিনিয়রদের পরামর্শ মাথায় রেখে আমি সবাইকে নিয়েই চলতে চাই।
তবে, জেলা সভাপতি পরিবর্তনের ব্যাপারে নেতারা এককাট্টা হলেও কে দায়িত্ব নেবেন, তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। প্রত্যেকেই নিজেকে অথবা নিজের পছন্দের মানুষকে জেলা সভাপতি হিসেবে দেখতে চাইছেন। দলীয় সূত্রের খবর, নেতারা বারংবার ছুটছেন কলকাতায়। জেলা সভাপতির দৌড়ে আছেন প্রাক্তন মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাত, জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলার দুই বিধায়ক রাজীব লোচন সোরেন, সুশান্ত মাহাত, প্রাক্তন জেলা সভাপতি গুরুপদ টুডু, এমনকী হুড়ার ব্লক সভাপতি প্রসেনজিৎ মাহাত।
জেলা সভাপতির ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ, জেলায় দীর্ঘ এক দশক সভাপতি ছিলেন শান্তিরামবাবু। তাঁর সময়কালেই জেলায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত, ২০১৯ সালের লোকসভায় লজ্জার পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে তৃণমূলকে। তারপরেও শান্তিরামবাবুকেই লোকসভায় প্রার্থী করেছিল দল। কিন্তু, সেখানেও পরাজয় হয়েছে। শান্তিরামবাবুর পর গুরুপদ টুডু জেলা সভাপতি হলেও একুশের বিধানসভায় অধিকাংশ আসনে পরাজয় হয়েছে তাঁর নেতৃত্বেই। রাজীব লোচন সোরেনকে আবার বান্দোয়ানের বাইরে জেলা রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি কোনওদিনই। তাছাড়া, বান্দোয়ান ঝাড়গ্রাম লোকসভার অন্তর্গত। সেক্ষেত্রে তাঁকে দায়িত্ব দলে পুরুলিয়ায় কোন্দলের আশঙ্কা রয়েছে। জেলা সভাপতি পরিবর্তন হলে কাকে দায়িত্ব দেবে দল? কবে সেই তালিকা প্রকাশিত হয় আপাতত সেই অপেক্ষায় তীর্থের কাকের মতো চেয়ে আছেন নেতারা।
জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে তাঁদের অভিযোগ, দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে সবাইকে নিয়ে চলতে ব্যর্থ সৌমেনবাবু। দলে সম্মান পাচ্ছেন না পুরনো নেতারা। ব্লকে ব্লকে বেড়েছে গোষ্ঠী কোন্দল। লোকসভা নির্বাচনেও তাঁকে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়নি। যে কারণে প্রবল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পুরুলিয়ায় জিততে পারেনি তৃণমূল।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চিঠি পাওয়ার পরেই বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করে রাজ্য নেতৃত্ব। সৌমেনের পরিবর্তে কাকে জেলা সভাপতি করা যায়, তা নিয়ে খোঁজ খবরও শুরু করে তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থার কর্মীরা। রাজনৈতিক দক্ষ, কর্মঠ, সবাইকে নিয়ে চলতে পারবে এমন নেতার খোঁজ শুরু হয়। এনিয়ে জেলা সভাপতি অবশ্য বলেন, আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আমাকে জানাতে পারতেন সবাই। সিনিয়রদের পরামর্শ মাথায় রেখে আমি সবাইকে নিয়েই চলতে চাই।
তবে, জেলা সভাপতি পরিবর্তনের ব্যাপারে নেতারা এককাট্টা হলেও কে দায়িত্ব নেবেন, তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। প্রত্যেকেই নিজেকে অথবা নিজের পছন্দের মানুষকে জেলা সভাপতি হিসেবে দেখতে চাইছেন। দলীয় সূত্রের খবর, নেতারা বারংবার ছুটছেন কলকাতায়। জেলা সভাপতির দৌড়ে আছেন প্রাক্তন মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাত, জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলার দুই বিধায়ক রাজীব লোচন সোরেন, সুশান্ত মাহাত, প্রাক্তন জেলা সভাপতি গুরুপদ টুডু, এমনকী হুড়ার ব্লক সভাপতি প্রসেনজিৎ মাহাত।
জেলা সভাপতির ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ, জেলায় দীর্ঘ এক দশক সভাপতি ছিলেন শান্তিরামবাবু। তাঁর সময়কালেই জেলায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত, ২০১৯ সালের লোকসভায় লজ্জার পরাজয় স্বীকার করতে হয়েছে তৃণমূলকে। তারপরেও শান্তিরামবাবুকেই লোকসভায় প্রার্থী করেছিল দল। কিন্তু, সেখানেও পরাজয় হয়েছে। শান্তিরামবাবুর পর গুরুপদ টুডু জেলা সভাপতি হলেও একুশের বিধানসভায় অধিকাংশ আসনে পরাজয় হয়েছে তাঁর নেতৃত্বেই। রাজীব লোচন সোরেনকে আবার বান্দোয়ানের বাইরে জেলা রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি কোনওদিনই। তাছাড়া, বান্দোয়ান ঝাড়গ্রাম লোকসভার অন্তর্গত। সেক্ষেত্রে তাঁকে দায়িত্ব দলে পুরুলিয়ায় কোন্দলের আশঙ্কা রয়েছে। জেলা সভাপতি পরিবর্তন হলে কাকে দায়িত্ব দেবে দল? কবে সেই তালিকা প্রকাশিত হয় আপাতত সেই অপেক্ষায় তীর্থের কাকের মতো চেয়ে আছেন নেতারা।



