সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের অফিসে এক মাস হতে চলল হেড ক্লার্কের পদ শূন্য। পূর্বতন হেড ক্লার্ক অবসর নিলেও এখনও ওই পদে কাউকেই বসানো হয়নি। সংসদ সূত্রে খবর, হেড ক্লার্কের জন্য আপার ডিভিশন ক্লার্ক ও সিনিয়র মোস্ট হতে হবে। অভিযোগ, এনিয়ে কোনও জটিলতা না থাকলেও অজানা কারণে ওই পদে নিয়োগ বন্ধ। ফলে জেলার শিক্ষকদের নানা কাজ থমকে রয়েছে। শিক্ষকদের বেতন বিল থেকে শুরু করে ছুটি এবং অন্যান্য সুবিধার ক্ষেত্রে তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেকেই প্রাথমিক শিক্ষা সংসদে দরবার করেও সুবিধা পাচ্ছেন না। ফলে যাবতীয় ফাইল পড়ে রয়েছে। হেড ক্লার্ক না থাকাতেই এধরনের সমস্যা হচ্ছে। তাই দ্রুত ওই পদে নিয়োগের দাবি উঠেছে।
Advertisement
যদিও বা তেমন সমস্যা হচ্ছেনা বলেই শিক্ষা সংসদ জানিয়েছে। এবিষয়ে ডিপিএসসি’র চেয়ারম্যান সন্তোষ হাঁসদা বলেন, তেমন সমস্যা হচ্ছে না। সঠিক সময়ে নিয়োগ হয়ে যাবে।
নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা সমিতির জেলা সম্পাদক শঙ্কর ঘোষ বলেন, শিক্ষকদের বেতন থেকে শুরু করে বিশেষ কারণে ছুটি, এমনকী শিক্ষকদের নানা ফাইল ওই অফিসে পড়ে রয়েছে। হেড ক্লার্কের টেবিল থেকে চেয়ারম্যানের টেবিলে ফাইলগুলি যায়, সেক্ষেত্রে কাজ হচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী হেড ক্লার্কের জন্য আপার ডিভিশন ক্লার্ক ও সিনিয়র মোস্ট হতে হবে। সে ক্ষেত্রেও কোনও জটিলতা নেই। কিন্তু তবুও এই হেড ক্লার্ক পদে নিয়োগ হচ্ছে না।
তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিও সমস্যার কথা স্বীকার করেছে। এবিষয়ে ওই সংগঠনের জেলা সভাপতি সুকলাল হাঁসদা বলেন, এটা তো দপ্তরের ব্যাপার। কিছু সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট বিভাগে জানিয়েছি। দ্রুত হয়ত নিয়োগ হয়ে যাবে। এবিষয়ে জেলার বংশীহারি সার্কেলের এক শিক্ষক উত্তম খাঁ বলেন, আমার ছেলের পরীক্ষার জন্য ছুটি চেয়েছিলাম। কিন্তু তা আমি পাইনি। শুনেছি হেড ক্লার্ক না থাকার কারণেই এই সমস্যাগুলি হচ্ছে। এনিয়ে দ্রুত হেড ক্লার্ক নিয়োগের দাবি জানাব।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের তরফে জানা গিয়েছে, ৩১ জানুয়ারি ওই অফিসে হেড ক্লার্কের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পুরোপুরি ওই পদে ফাঁকা। হেড ক্লার্ক এর উপরই গোটা অফিস চলে। ফলে টেবিলে হাজার হাজার ফাইল জমা পড়েছে। আগামী মাসে সময়ে বেতন পেতেও সমস্যা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন শিক্ষকরা।
নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা সমিতির জেলা সম্পাদক শঙ্কর ঘোষ বলেন, শিক্ষকদের বেতন থেকে শুরু করে বিশেষ কারণে ছুটি, এমনকী শিক্ষকদের নানা ফাইল ওই অফিসে পড়ে রয়েছে। হেড ক্লার্কের টেবিল থেকে চেয়ারম্যানের টেবিলে ফাইলগুলি যায়, সেক্ষেত্রে কাজ হচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী হেড ক্লার্কের জন্য আপার ডিভিশন ক্লার্ক ও সিনিয়র মোস্ট হতে হবে। সে ক্ষেত্রেও কোনও জটিলতা নেই। কিন্তু তবুও এই হেড ক্লার্ক পদে নিয়োগ হচ্ছে না।
তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিও সমস্যার কথা স্বীকার করেছে। এবিষয়ে ওই সংগঠনের জেলা সভাপতি সুকলাল হাঁসদা বলেন, এটা তো দপ্তরের ব্যাপার। কিছু সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি আমরা সংশ্লিষ্ট বিভাগে জানিয়েছি। দ্রুত হয়ত নিয়োগ হয়ে যাবে। এবিষয়ে জেলার বংশীহারি সার্কেলের এক শিক্ষক উত্তম খাঁ বলেন, আমার ছেলের পরীক্ষার জন্য ছুটি চেয়েছিলাম। কিন্তু তা আমি পাইনি। শুনেছি হেড ক্লার্ক না থাকার কারণেই এই সমস্যাগুলি হচ্ছে। এনিয়ে দ্রুত হেড ক্লার্ক নিয়োগের দাবি জানাব।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের তরফে জানা গিয়েছে, ৩১ জানুয়ারি ওই অফিসে হেড ক্লার্কের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপর ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পুরোপুরি ওই পদে ফাঁকা। হেড ক্লার্ক এর উপরই গোটা অফিস চলে। ফলে টেবিলে হাজার হাজার ফাইল জমা পড়েছে। আগামী মাসে সময়ে বেতন পেতেও সমস্যা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন শিক্ষকরা।



