সংবাদদাতা, দিনহাটা: সোমবার সকালে কোচবিহার জেলা পরিষদের তৃণমূলের দলনেতা মীর হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে সটান হাজির দলেরই দিনহাটা-২ ব্লক সভাপতি দীপককুমার ভট্টাচার্য। সঙ্গে ছিলেন তাঁর অনুগামী সহ সাধারণ মানুষও। মীর হুমায়ুনের কাছে তাঁরা টাকা পান বলে দাবি করেন সকলে। যদিও বাড়িতে হুমায়ুন কবির বা তাঁর স্ত্রী মমতাজ বেগমের দেখা পাননি তাঁরা। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ফিরে আসতে হয় তাঁদের। এভাবে জেলা পরিষদ সদস্যের বাড়িতে গিয়ে দলেরই ব্লক সভাপতি পাওনা চাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও পরে হুমায়ুন কবির বলেন, তাঁর বাড়িতে দলীয় নেতাদের আসা নিয়ে তিনি কিছুই আগাম জানতেন না।
Advertisement
দিনহাটা দুই ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দীপককুমার ভট্টাচার্যর অভিযোগ, এই ব্লকের একাধিক মানুষ মীর হুমায়ুনের কাছে টাকা পান। সব জায়গা থেকেই পাওনাদাররা একত্রে তাঁর বাড়িতে এসে হাজির হয়েছেন। সংখ্যালঘুদপ্তর থেকে ঘর দেওয়া হবে বলে আমার এলাকার কিছু মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমি ওঁকে দিই। কিন্তু কেউ আর ঘর পাননি। সেই টাকাও ফেরত পাইনি। বাড়িতে তালা বন্ধ থাকায় ভিতরে কেউ ঢুকতে পারিনি। পরবর্তীতে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। কিছুদিন পরে ফের আসার জন্য জানিয়েছেন তিনি।
হুমায়ুন কবির দীর্ঘদিন দিনহাটা-২ ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ছিলেন। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পরই তাঁকে পদ খোয়াতে হয়। এদিনের অভিযোগের জবাবে কোচবিহার জেলা পরিষদের তৃণমূল কংগ্রেসের এই দলনেতা বলেন, দলের নেতারা আমার বাড়িতে এদিন আসবেন,আমার সেই খবর জানা ছিল না। ব্যক্তিগত কাজ থাকায় বাইরে ছিলাম। রবিবার রাতে আমার বাড়ির কাছে বোমা বিস্ফোরণ করে কিছু দুষ্কৃতী। সেই ঘটনার খবর পেয়ে হয়তো তাঁরা আমার বাড়ি পরিদর্শন করতে এসেছেন। ওঁরা টাকা পয়সা না অন্য কোনও বিষয়ে আলোচনা করতে এসেছিলেন কিনা তা আমি জানি না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে মন্তব্য করব।
হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী তথা দিনহাটা ২ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মমতাজ বেগম বলেন, এদিন যাঁরা আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন বলে শুনেছি, তাঁরা আগে প্রায়ই আমাদের বাড়িতে আসতেন। এদিনও আমার বাড়ির উঠানে বসে চা খেয়ে ফিরেছেন। আমরা কাজের জন্য বাইরে ছিলাম আমি। তাঁদের হঠাৎ আসার কারণ সম্পর্কে কেউ জানি না। টাকা পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওঁরা তো দলের নেতা। আমাদের কাছে কী করে টাকা পান?
হুমায়ুন কবির দীর্ঘদিন দিনহাটা-২ ব্লকের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ছিলেন। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পরই তাঁকে পদ খোয়াতে হয়। এদিনের অভিযোগের জবাবে কোচবিহার জেলা পরিষদের তৃণমূল কংগ্রেসের এই দলনেতা বলেন, দলের নেতারা আমার বাড়িতে এদিন আসবেন,আমার সেই খবর জানা ছিল না। ব্যক্তিগত কাজ থাকায় বাইরে ছিলাম। রবিবার রাতে আমার বাড়ির কাছে বোমা বিস্ফোরণ করে কিছু দুষ্কৃতী। সেই ঘটনার খবর পেয়ে হয়তো তাঁরা আমার বাড়ি পরিদর্শন করতে এসেছেন। ওঁরা টাকা পয়সা না অন্য কোনও বিষয়ে আলোচনা করতে এসেছিলেন কিনা তা আমি জানি না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে মন্তব্য করব।
হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী তথা দিনহাটা ২ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মমতাজ বেগম বলেন, এদিন যাঁরা আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন বলে শুনেছি, তাঁরা আগে প্রায়ই আমাদের বাড়িতে আসতেন। এদিনও আমার বাড়ির উঠানে বসে চা খেয়ে ফিরেছেন। আমরা কাজের জন্য বাইরে ছিলাম আমি। তাঁদের হঠাৎ আসার কারণ সম্পর্কে কেউ জানি না। টাকা পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওঁরা তো দলের নেতা। আমাদের কাছে কী করে টাকা পান?



