সংবাদদাতা, বালুরঘাট: প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ভবন চত্বরে গোলাপ বাগান তৈরি ঘিরে বিতর্কে জড়াল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ। খরচের তহবিল নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। উদ্যানপালন দপ্তরের তহবিল থেকে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলা হলেও খবর নেই কর্তৃপক্ষের কাছে। জেলা পরিষদের ভিতরে সামান্য জায়গায় গোলাপ বাগান করতে ৪০ লক্ষ টাকা কীভাবে খরচ হচ্ছে, এখন সেই প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তাদের বক্তব্য, এই প্রকল্পে দুর্নীতির গন্ধ থাকলেও প্রশাসন হাত গুটিয়ে বসে রয়েছে।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) নবীন কুমার চন্দ্র বলেন, বিষয়টি সেক্রেটারি দেখছেন। তিনি এবিষয়ে বলতে পারবেন।
জেলা পরিষদের সেক্রেটারি সুমন বাগ দাসের কথায়, তহবিলের বিষয়টি দেখতে হবে। তবে গোলাপ বাগানের পাশাপাশি আরও অনেক কাজ হবে। সবে তো কাজ শুরু হয়েছে।
জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক রণজয় দত্তর মন্তব্য, বিষয়টি জানি। জেলা পরিষদে যে গোলাপ বাগানের কাজ হচ্ছে, সেটা আমাদের তহবিল থেকে নয়। আমাদের কাছে কোনও অনুমতিও নেওয়া হয়নি।
এর আগে জেলা পরিষদে বিনা টেন্ডারে জেলাশাসকের ঘর তৈরি, টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তবে এবার গোলাপ বাগান তৈরির জন্য বরাদ্দ নিয়ে চাপ বাড়াচ্ছে বিরোধীরা। ইতিমধ্যে বসার জন্য কয়েকটি কংক্রিটের বেঞ্চ, হরিণ, হাতি বানানো হয়েছে। যা তৈরি করতে তিন লক্ষ টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয় বলে দাবি বিরোধীদের। এছাড়া বাগান তৈরি করতে উদ্যানপালন দপ্তরের অনুমতি নিতে হয়। সেটাও করা হয়নি বলে অভিযোগ। টেন্ডারে তহবিলের জায়গায় উদ্যানপালন দপ্তরের কথা উল্লেখ থাকলেও তারা এই বিষয়টা জানেই না। সেটাই বিতর্কে আগুন ঢেলেছে। যদিও জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের দাবি, এই অর্থ নিজস্ব ফান্ডে অনেকদিন পড়ে ছিল। তাহলে সেটা কেন ব্যবহার করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরীর অভিযোগ, জেলা পরিষদ ঘুঘুর বাসা। প্রশাসনের একাংশের মদত ছাড়া এত দুর্নীতি করার সাহস পেত না। সামান্য গোলাপ বাগান করতে ৪০ লক্ষ টাকা খরচ শুনে যে কেউ অবাক হয়ে যাবেন।
জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি অম্বরিশ সরকার বলেন, ক্যাম্পাসের ভিতরে গোলাপ বাগান তৈরি করা হচ্ছে। উদ্যানপালন দপ্তর বরাদ্দ করেছে। এখানে দুর্নীতির কোনও বিষয় নেই।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্তামনি বিহাকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করে কেটে দেন। মেসেজের উত্তর দেননি।
জেলা পরিষদের সেক্রেটারি সুমন বাগ দাসের কথায়, তহবিলের বিষয়টি দেখতে হবে। তবে গোলাপ বাগানের পাশাপাশি আরও অনেক কাজ হবে। সবে তো কাজ শুরু হয়েছে।
জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক রণজয় দত্তর মন্তব্য, বিষয়টি জানি। জেলা পরিষদে যে গোলাপ বাগানের কাজ হচ্ছে, সেটা আমাদের তহবিল থেকে নয়। আমাদের কাছে কোনও অনুমতিও নেওয়া হয়নি।
এর আগে জেলা পরিষদে বিনা টেন্ডারে জেলাশাসকের ঘর তৈরি, টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। তবে এবার গোলাপ বাগান তৈরির জন্য বরাদ্দ নিয়ে চাপ বাড়াচ্ছে বিরোধীরা। ইতিমধ্যে বসার জন্য কয়েকটি কংক্রিটের বেঞ্চ, হরিণ, হাতি বানানো হয়েছে। যা তৈরি করতে তিন লক্ষ টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয় বলে দাবি বিরোধীদের। এছাড়া বাগান তৈরি করতে উদ্যানপালন দপ্তরের অনুমতি নিতে হয়। সেটাও করা হয়নি বলে অভিযোগ। টেন্ডারে তহবিলের জায়গায় উদ্যানপালন দপ্তরের কথা উল্লেখ থাকলেও তারা এই বিষয়টা জানেই না। সেটাই বিতর্কে আগুন ঢেলেছে। যদিও জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের দাবি, এই অর্থ নিজস্ব ফান্ডে অনেকদিন পড়ে ছিল। তাহলে সেটা কেন ব্যবহার করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরীর অভিযোগ, জেলা পরিষদ ঘুঘুর বাসা। প্রশাসনের একাংশের মদত ছাড়া এত দুর্নীতি করার সাহস পেত না। সামান্য গোলাপ বাগান করতে ৪০ লক্ষ টাকা খরচ শুনে যে কেউ অবাক হয়ে যাবেন।
জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি অম্বরিশ সরকার বলেন, ক্যাম্পাসের ভিতরে গোলাপ বাগান তৈরি করা হচ্ছে। উদ্যানপালন দপ্তর বরাদ্দ করেছে। এখানে দুর্নীতির কোনও বিষয় নেই।
জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্তামনি বিহাকে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করে কেটে দেন। মেসেজের উত্তর দেননি।



