নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: হাঁস-মুরগির বাচ্চা বিলিতে জেলা পরিষদ সদস্যদের কোটা সিস্টেম সংস্কার করা হল। এতদিন শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত সদস্যদের ওই কোটা দেওয়া হতো। বিরোধী দলের নির্বাচিত সদস্যরা কোটা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। কিন্তু, নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে হাঁস-মুরগির বাচ্চা বিলির সময় লুটপাট হওয়ার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে কোটা প্রথায় বদল আনা হয়। প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের জেলা অফিস থেকেও এই বৈষম্য ঘোচানোর আর্জি জানানো হয়। সেইমতো জেলা পরিষদে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ স্থায়ী সমিতিতে রেজ্যুলিউশন করে কোটা সিস্টেমে বদল আনা হয়েছে। ঠিক হয়েছে, জেলা পরিষদে নির্বাচিত যে কোনও দলের সদস্য হাঁস-মুরগির বাচ্চার কোটা পাবেন।
Advertisement
প্রতি বছর প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর থেকে প্রত্যেক জেলায় হাঁস, মুরগি ও ছাগলের বাচ্চা বিলি করা হয়। পঞ্চায়েতের মাধ্যমে উপভোক্তা তালিকা তৈরি হয়। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে উপভোক্তা তালিকা পঞ্চায়েত সমিতি হয়ে জেলায় আসে। সেইমতো উপভোক্তাদের হাতে হাঁস, মুরগির বাচ্চা তুলে দেওয়া হয়। যদিও এই নিয়মের বাইরে গিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জেলা পরিষদ সদস্যদের জন্য হাঁস-মুরগির বাচ্চা বিলির কোটা রয়েছে। জেলা পরিষদ সদস্যদের নির্দিষ্ট সংখ্যক হাঁস-মুরগির বাচ্চা দেওয়া হয়। তাঁরা নিজেদের এলাকায় নিজেদের পছন্দমতো ব্যক্তিদের হাতে সেইসব বাচ্চা তুলে দেন। অন্য জেলায় এই কোটা না থাকলেও পূর্ব মেদিনীপুরে রয়েছে।
কিছুদিন আগে নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে হাঁস-মুরগির ছানা বিলির সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পঞ্চায়েতের তালিকা ধরে উপভোক্তাদের মধ্যে বণ্টনের সময় আচমকা হাঁস-মুরগিছানা ভর্তি বেশকিছু ঝুড়ি লুটপাট হয়ে যায়। ওই ঘটনায় বিজেপির লোকজন যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। নন্দীগ্রাম-২ ব্লক থেকে জেলা পরিষদ আসনে জেতা দু’জনই বিজেপির। তাঁদের কোটা না দেওয়ার অভিযোগ থেকেই ক্ষোভ তৈরি হয়। তারপর লুট হয়ে যায়। সেই ঘটনায় ব্লক প্রাণিসম্পদ অফিসার থানায় এফআইআর করেন।জেলা পরিষদে শাসকদলের সদস্যরা হাঁস-মুরগি ছানার কোটা পেলে বিরোধীরা কেন পাবেন না তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কর্মাধ্যক্ষ তরুণকুমার জানাকেও। এরপরই জেলা পরিষদে স্থায়ী সমিতির সভা ডেকে সেখানে রেজ্যুলিউশন হয়েছে। ঠিক হয়েছে, শাসক এবং বিরোধী সব দলের জেলা পরিষদ সদস্য এই কোটার সুবিধা পাবেন। কোনওরকম পক্ষপাত হবে না। এব্যাপারে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের জেলা উপ অধিকর্তা উত্তম বিশ্বাস বলেন, এই জেলায় জেলা পরিষদ সদস্যদের হাঁস-মুরগির বাচ্চার জন্য কোটা রয়েছে। শাসকদলের সদস্যদের কোটার সুবিধা পেলেও বিরোধীরা পেতেন না। এনিয়ে নানা সমস্যা হতো। তারপর মিটিংয়ে রেজ্যুলিউশন করে বৈষম্য দূর করা হয়েছে। জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তরুণ জানা বলেন, এবার থেকে শাসক এবং বিরোধী সব দলের জেলা পরিষদ সদস্য কোটার সুবিধা পাবেন।
জেলা পরিষদের বিরোধী দলনেতা বামদেব গুছাইত বলেন, সরকারি পরিষেবা আমরা-ওরা পলিসি নিয়েছিল জেলা পরিষদ। শেষমেশ চাপের মুখে কোটা সংস্কার করতে বাধ্য হয়েছে।
কিছুদিন আগে নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে হাঁস-মুরগির ছানা বিলির সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পঞ্চায়েতের তালিকা ধরে উপভোক্তাদের মধ্যে বণ্টনের সময় আচমকা হাঁস-মুরগিছানা ভর্তি বেশকিছু ঝুড়ি লুটপাট হয়ে যায়। ওই ঘটনায় বিজেপির লোকজন যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। নন্দীগ্রাম-২ ব্লক থেকে জেলা পরিষদ আসনে জেতা দু’জনই বিজেপির। তাঁদের কোটা না দেওয়ার অভিযোগ থেকেই ক্ষোভ তৈরি হয়। তারপর লুট হয়ে যায়। সেই ঘটনায় ব্লক প্রাণিসম্পদ অফিসার থানায় এফআইআর করেন।জেলা পরিষদে শাসকদলের সদস্যরা হাঁস-মুরগি ছানার কোটা পেলে বিরোধীরা কেন পাবেন না তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কর্মাধ্যক্ষ তরুণকুমার জানাকেও। এরপরই জেলা পরিষদে স্থায়ী সমিতির সভা ডেকে সেখানে রেজ্যুলিউশন হয়েছে। ঠিক হয়েছে, শাসক এবং বিরোধী সব দলের জেলা পরিষদ সদস্য এই কোটার সুবিধা পাবেন। কোনওরকম পক্ষপাত হবে না। এব্যাপারে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের জেলা উপ অধিকর্তা উত্তম বিশ্বাস বলেন, এই জেলায় জেলা পরিষদ সদস্যদের হাঁস-মুরগির বাচ্চার জন্য কোটা রয়েছে। শাসকদলের সদস্যদের কোটার সুবিধা পেলেও বিরোধীরা পেতেন না। এনিয়ে নানা সমস্যা হতো। তারপর মিটিংয়ে রেজ্যুলিউশন করে বৈষম্য দূর করা হয়েছে। জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তরুণ জানা বলেন, এবার থেকে শাসক এবং বিরোধী সব দলের জেলা পরিষদ সদস্য কোটার সুবিধা পাবেন।
জেলা পরিষদের বিরোধী দলনেতা বামদেব গুছাইত বলেন, সরকারি পরিষেবা আমরা-ওরা পলিসি নিয়েছিল জেলা পরিষদ। শেষমেশ চাপের মুখে কোটা সংস্কার করতে বাধ্য হয়েছে।



