সংবাদদাতা, ইসলামপুর: পতন হল কংগ্রেসের শেষ উইকেটেরও। বুধবার গোয়ালপোখরে পাঞ্জিপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের কংগ্রেসের সদস্য সামস তবরেজ (বাবু) তৃণমূলের ঝাণ্ডা ধরলেন। এরই সঙ্গে বিরোধী দলের খেতাবও হারাল কংগ্রেস। একই অবস্থা হয়েছে গোয়ালপোখর পঞ্চায়েত সমিতিতেও।
Advertisement
ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের ২৬ টি আসনের মধ্যে ২৩ টিতে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। ইসলামপুরের ৬ নং জেলা পরিষদ আসনে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হন ফারহাদ বানু, গোয়ালপোখরের ৯ নং আসনে জাসমিন খাতুন ও ৭ নং আসনে জিতেছিলেন সামস তাবরেজ। মোট তিনটি আসনে কংগ্রেস প্রার্থী জয়ী হয়ে বিরোধী দলের মর্যাদা পেয়েছিল। নির্বাচনে পর প্রথমে ফারহাদ, পরে জাসমিন এবং এবার তাবরেজ দলবদল করলেন।
অন্যদিকে গোয়ালপোখরের পঞ্চায়েত সমিতির ৪২ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল ৩২ টি। বাকি কংগ্রেস ও নির্দল ৫ টি করে আসনে জয়ী হয়েছিল। এক এক করে ৯ জন তৃণমূলে যোগদান করেছেন। শেষজন কংগ্রেসের নুর নওয়াজও যোগদান করেছেন তৃণমূলে। এর ফলে পঞ্চায়েত সমিতিও বিরোধী বা কংগ্রেস শূন্য হল।
বুধবার তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে পাঞ্জিপাড়া পার্টি অফিসের পাশেই অনুষ্ঠান মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানি, জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল, জেলা পরিষদ সদস্য ফারহাদ বানুর স্বামী তথা তৃণমূল নেতা জাভেদ আখতার, দলের ব্লক সভাপতি আহমেদ রেজা সহ অনেকের উপস্থিতিতে বিরোধীদের দলে যোগদান করানো হয়।
কংগ্রেস নেতা আলি ইমরান রমজ (ভিক্টর) গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের প্রর্থীদের জেতানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। তিনি এদিন বলেন, মানুষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। এবার জনপ্রতিনিধিদের দলে টেনে তৃণমূল সাফল্য পাবে না। কারণ মানুষের মত তারা পরিবর্তন করতে পারবে না। মন্ত্রী গোলাম রব্বানির ভাই তথা জেলা পরিষদের সহকারী সভাপতি গোলাম রসুল (মনি) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন দেখে বিরোধীরা আমাদের দলে যোগ দিচ্ছে। এদিন থেকে জেলা পরিষদ ও গোয়ালপোখর পঞ্চায়েত সমিতিতে কংগ্রেস শূন্য হয়ে গেল।
অন্যদিকে গোয়ালপোখরের পঞ্চায়েত সমিতির ৪২ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল ৩২ টি। বাকি কংগ্রেস ও নির্দল ৫ টি করে আসনে জয়ী হয়েছিল। এক এক করে ৯ জন তৃণমূলে যোগদান করেছেন। শেষজন কংগ্রেসের নুর নওয়াজও যোগদান করেছেন তৃণমূলে। এর ফলে পঞ্চায়েত সমিতিও বিরোধী বা কংগ্রেস শূন্য হল।
বুধবার তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে পাঞ্জিপাড়া পার্টি অফিসের পাশেই অনুষ্ঠান মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। স্থানীয় বিধায়ক তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানি, জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল, জেলা পরিষদ সদস্য ফারহাদ বানুর স্বামী তথা তৃণমূল নেতা জাভেদ আখতার, দলের ব্লক সভাপতি আহমেদ রেজা সহ অনেকের উপস্থিতিতে বিরোধীদের দলে যোগদান করানো হয়।
কংগ্রেস নেতা আলি ইমরান রমজ (ভিক্টর) গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের প্রর্থীদের জেতানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। তিনি এদিন বলেন, মানুষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন। এবার জনপ্রতিনিধিদের দলে টেনে তৃণমূল সাফল্য পাবে না। কারণ মানুষের মত তারা পরিবর্তন করতে পারবে না। মন্ত্রী গোলাম রব্বানির ভাই তথা জেলা পরিষদের সহকারী সভাপতি গোলাম রসুল (মনি) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন দেখে বিরোধীরা আমাদের দলে যোগ দিচ্ছে। এদিন থেকে জেলা পরিষদ ও গোয়ালপোখর পঞ্চায়েত সমিতিতে কংগ্রেস শূন্য হয়ে গেল।



