নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ, বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছনোর কাজ দ্রুত শেষ করতে হবে। ওই নির্দেশ পেয়েই পুরোদমে মাঠে নেমে পড়ল জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পে বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছনোর কাজে কোথায়, কী সমস্যা হচ্ছে তা খতিয়ে দেখতে বুধবার থেকে জলপাইগুড়িতে ময়দানে নেমেছেন খোদ জেলাশাসক শমা পারভীন। তিনদিন ধরে ওই বিশেষ অভিযান চলবে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর। বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছনোর কাজে আরও গতি আনার লক্ষ্যে জেলাশাসকের কার্যালয়ে বৈঠক হয় এদিন। সেখানে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত থেকে জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা।
Advertisement
বৈঠক শেষে জেলাশাসক বলেন, দ্রুত যাতে সবার বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে যায়, সেব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইমতো আমরা জেলাজুড়ে কোথায়, কাজের কী পরিস্থিতি তা খতিয়ে দেখছি। আমি নিজেও অভিযান শুরু করেছি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জলপাইগুড়িতে এখনও পর্যন্ত ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পে ৪৯ শতাংশ কাজ হয়েছে। রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর ওই কাজ করছে। অভিযোগ, কিছু জায়গায় জমিজটের কারণে পাইপলাইন বসানোর কাজ পিছিয়ে গিয়েছে। কোথাও আবার পাইপলাইন পাতা হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ না দেওয়ায় জল পৌঁছনো সম্ভব হয়নি এখনও। কয়েকটি জায়গায় রিজার্ভার তৈরি নিয়েও খানিকটা সমস্যা থাকায় থমকে গিয়েছে কাজের গতি। এসব খতিয়ে দেখে দ্রুত জট ছাড়ানোর কাজ করবে জেলা প্রশাসন।
সম্প্রতি জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায় জলপাইগুড়িতে এসে ‘জলস্বপ্ন’ মিশনের কাজে জোর দিতে বলেন। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছনোর কাজ কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে দপ্তরের জলপাইগুড়ির আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকও করেন মন্ত্রী। সেসময় আধিকারিকরা মন্ত্রীকে জানান, জলপাইগুড়িতে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছনোর কাজ প্রায় ৪৮ শতাংশ হয়েছে। যা শুনে মন্ত্রী নির্দেশ দেন, নভেম্বরের মধ্যেই ৫০ শতাংশ কাজ শেষ করতে হবে। একইসঙ্গে মন্ত্রী পুলক রায় আধিকারিকদের জানিয়ে দেন, যেসমস্ত জায়গায় জলের উৎস পেতে সমস্যা হচ্ছে, সেখানে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে।
জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রীর সফরের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবার জলপাইগুড়িতে ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পের কাজে আরও গতি আনতে সরাসরি ময়দানে নেমে পড়ল জেলা প্রশাসন। এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক রৌণক আগরওয়াল বলেন, প্রতিটি এলাকার জনপ্রতিনিধিদের বলে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের এলাকায় বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছনোর কাজ কী অবস্থায় রয়েছে, কোথায় সমস্যা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে। জেলাশাসকের নেতৃত্বে আমরা তিনদিন ধরে অভিযান চালাব।
জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, জলপাইগুড়িতে এখনও পর্যন্ত ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পে ৪৯ শতাংশ কাজ হয়েছে। রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর ওই কাজ করছে। অভিযোগ, কিছু জায়গায় জমিজটের কারণে পাইপলাইন বসানোর কাজ পিছিয়ে গিয়েছে। কোথাও আবার পাইপলাইন পাতা হলেও বিদ্যুৎ সংযোগ না দেওয়ায় জল পৌঁছনো সম্ভব হয়নি এখনও। কয়েকটি জায়গায় রিজার্ভার তৈরি নিয়েও খানিকটা সমস্যা থাকায় থমকে গিয়েছে কাজের গতি। এসব খতিয়ে দেখে দ্রুত জট ছাড়ানোর কাজ করবে জেলা প্রশাসন।
সম্প্রতি জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায় জলপাইগুড়িতে এসে ‘জলস্বপ্ন’ মিশনের কাজে জোর দিতে বলেন। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছনোর কাজ কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতে দপ্তরের জলপাইগুড়ির আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকও করেন মন্ত্রী। সেসময় আধিকারিকরা মন্ত্রীকে জানান, জলপাইগুড়িতে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছনোর কাজ প্রায় ৪৮ শতাংশ হয়েছে। যা শুনে মন্ত্রী নির্দেশ দেন, নভেম্বরের মধ্যেই ৫০ শতাংশ কাজ শেষ করতে হবে। একইসঙ্গে মন্ত্রী পুলক রায় আধিকারিকদের জানিয়ে দেন, যেসমস্ত জায়গায় জলের উৎস পেতে সমস্যা হচ্ছে, সেখানে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে।
জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রীর সফরের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবার জলপাইগুড়িতে ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পের কাজে আরও গতি আনতে সরাসরি ময়দানে নেমে পড়ল জেলা প্রশাসন। এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক রৌণক আগরওয়াল বলেন, প্রতিটি এলাকার জনপ্রতিনিধিদের বলে দেওয়া হয়েছে, তাঁদের এলাকায় বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছনোর কাজ কী অবস্থায় রয়েছে, কোথায় সমস্যা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দিতে। জেলাশাসকের নেতৃত্বে আমরা তিনদিন ধরে অভিযান চালাব।



