সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার শহরে বাড়ি বাড়ি পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে পাইপ বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। তার জন্য ২০টি ওয়ার্ডকে পাঁচটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ‘এ’ এবং ‘বি’ জোনে ৯০-৯৫ শতাংশ পাইপ বসানোর কাজ শেষের পথে। ‘ডি’ এবং ‘ই’ জোনে পাইপ বসানোর জন্য ইতিমধ্যেই ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। ‘সি’ জোনের পাইপ বসানোর জন্য ১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকার ওয়ার্ক অর্ডার সোমবার দেওয়া হল। ওয়ার্ক অর্ডার সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় চলতি মাসের শেষেই একসঙ্গে পাইপ বসানোর কাজ শুরু হচ্ছে ‘সি’, ‘ডি’ এবং ‘ই’ এই তিনটি জোনে।
Advertisement
২০১৮ সালে আলিপুরদুয়ার পুর এলাকায় ১১০ কোটি টাকার বাড়ি বাড়ি এই পানীয় জল প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু ছ’বছরেও প্রকল্পের কাজ না হওয়ায় পুরসভার প্রতি বিরক্ত শহরের বাসিন্দারা। পুরবাসীর অভিযোগ, ভোট আসে ভোট যায়। কিন্তু কবে বাড়ি বাড়ি এই পানীয় জলের সুবিধা মিলবে, তা তাঁরা জানেন না। পুরসভা শুধু দিনের পর দিন পাইপ বসানোর গল্পই শুনিয়ে যাচ্ছে।
যদিও পুর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর বলেন, ২০টি ওয়ার্ডের পাঁচটি জোনের মধ্যে ‘এ’ এবং ‘বি’ জোনে পাইপ বসানোর কাজ ৯৫ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। এবার ‘সি’ জোনের পাইপ বসানোর জন্য ১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকার ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হল। সব ঠিকঠাক চলছে ২০২৫ সালের শেষের দিকে শহরে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দিতে পারব।
শহরে এই জল প্রকল্পের কাজে দীর্ঘসূত্রিতার পিছনে পুরসভার যুক্তি, ২০১৮ সালে কাজ শুরু হলেও মাঝে কোভিডের কারণে দু’বছর কাজ হয়নি। তারপরে একুশের বিধানসভা ও বাইশের পুরভোটের নির্বাচনী আচরণবিধির কারণেও বেশকিছু সময় কাজ বন্ধ ছিল। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ২০ হাজারেরও বেশি পরিবার এর সুবিধা পাবে।
যদিও পুর চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর বলেন, ২০টি ওয়ার্ডের পাঁচটি জোনের মধ্যে ‘এ’ এবং ‘বি’ জোনে পাইপ বসানোর কাজ ৯৫ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। এবার ‘সি’ জোনের পাইপ বসানোর জন্য ১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকার ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হল। সব ঠিকঠাক চলছে ২০২৫ সালের শেষের দিকে শহরে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দিতে পারব।
শহরে এই জল প্রকল্পের কাজে দীর্ঘসূত্রিতার পিছনে পুরসভার যুক্তি, ২০১৮ সালে কাজ শুরু হলেও মাঝে কোভিডের কারণে দু’বছর কাজ হয়নি। তারপরে একুশের বিধানসভা ও বাইশের পুরভোটের নির্বাচনী আচরণবিধির কারণেও বেশকিছু সময় কাজ বন্ধ ছিল। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ২০ হাজারেরও বেশি পরিবার এর সুবিধা পাবে।



