নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: অ্যান্টিবায়োটিক থেকে সুগার, প্রেসারের মতো রোগের ওষুধের জাল কারবার রুখতে এবার ময়দানে নামল ব্যবসায়ীদের সংগঠন। ভেজাল ওষুধের ক্ষেত্রে বাঁকুড়া শহর সহ জেলার অন্যত্র ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা সাব হোলসেলাররা মাথাব্যথার কারণ বলে ব্যবসায়ী সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে। এব্যাপারে পোস্টার ছাপিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে বিলি করার উদ্যোগ নিয়েছে বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের(বিসিডিএ) বাঁকুড়া জেলা শাখা। বিষয়টি নিয়ে তারা স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গেও সমন্বয় রেখে চলছেন বলে বিসিডিএ-র তরফে জানানো হয়েছে। যদিও বাঁকুড়ায় এখনও পর্যন্ত জাল ওষুধ কেনাবেচা সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে দাবি করা হয়েছে।
Advertisement
এব্যাপারে বাঁকুড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সোরেন বলেন, জাল ওষুধের ব্যাপারে আমরা জেলাজুড়ে কড়া নজরদারি চালাচ্ছি। তবে এখনও পর্যন্ত ওই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। বিসিডিএ-র জেলা সভাপতি তথা বাঁকুড়া পুরসভার কাউন্সিলার দিলীপ আগরওয়াল বলেন, একটি বিশেষ ব্র্যান্ডের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ সবচেয়ে বেশি জাল হচ্ছে। জ্বর, সর্দি-কাশি সহ অন্যান্য রোগে ওই সংস্থার তৈরি বিভিন্ন ডোজের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সেই কারণে বেশি জালিয়াতি হচ্ছে। তাছাড়া সুগার, প্রেসার নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত একাধিক ওষুধও জাল হচ্ছে। বর্তমানে জেলাজুড়ে প্রচুর সাব হোলসেলার গজিয়ে উঠেছে। তাদের একাংশ জাল ওষুধের কারবার ফেঁদে বসেছে। চক্রের সঙ্গে জড়িতরা তাদের মাধ্যমে খুচরো দোকানদারদের কাছে জাল ওষুধ পৌঁছে দিচ্ছে। মোটা টাকা ছাড় দিয়েই তারা ওই কারবার চালাচ্ছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে আমরা খুচরো ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সচেতন করতে উদ্যোগী হয়েছি। সচেতনতামূলক পোস্টার, ব্যানার, ফ্লেক্স আপাতত বাঁকুড়া শহরের প্রতিটি ওষুধের দোকানে লাগানো হবে। পরবর্তীকালে জেলাজুড়েই এব্যাপারে প্রচার চলবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জাল ওষুধ নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় জাল ওষুধ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই ওই কারবার চলছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন। একাধিক নামী ব্রান্ডের ওষুধ খাওয়ার পরেও অনেক সময় রোগ সারছে না। চিকিৎসক বারবার ওষুধ পাল্টাতে বাধ্য হচ্ছেন। ওইসব ক্ষেত্রে জাল ওষুধ নিয়ে রোগীদের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধে। যদিও রোগের প্রকোপ ও রোগীর শারীরিক অবস্থার উপর নিরাময় বা উপশম অনেকাংশে নির্ভর করে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ফলে সঠিক ওষুধ সেবনের পরেও অনেক সময় রোগ সারতে দেরি হয়।
বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, আমি প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করি। প্রেসক্রিপশনে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের নাম লেখার জন্য ওষুধ প্রস্তুকারক সংস্থার প্রতিনিধিরা নানা ধরনের উপহার দিয়ে থাকেন। কেউ কেউ আবার উপহারের পাশাপাশি সরাসরি টাকার প্রলোভনও দেয়। অনেক সময় আমাদের সন্দেহ হয়। রোগীরা দোকান থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি চলে যায়।
ফলে তা পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ আমাদের থাকে না। রোগ না সারলে রোগীরা ফের আমাদের কাছে আসে। বেশিরভাগ সময় ওষুধ পাল্টে দিতে হয়। ফলে, রোগীদের অর্থ, সময়ের অপচয় হওয়ার পাশাপাশি মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ খাওয়ায় শারীরিক সমস্যাও দেখা দেয়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জাল ওষুধ নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বেশ কিছু জায়গায় জাল ওষুধ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই ওই কারবার চলছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন। একাধিক নামী ব্রান্ডের ওষুধ খাওয়ার পরেও অনেক সময় রোগ সারছে না। চিকিৎসক বারবার ওষুধ পাল্টাতে বাধ্য হচ্ছেন। ওইসব ক্ষেত্রে জাল ওষুধ নিয়ে রোগীদের মধ্যে সন্দেহ দানা বাঁধে। যদিও রোগের প্রকোপ ও রোগীর শারীরিক অবস্থার উপর নিরাময় বা উপশম অনেকাংশে নির্ভর করে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ফলে সঠিক ওষুধ সেবনের পরেও অনেক সময় রোগ সারতে দেরি হয়।
বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, আমি প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করি। প্রেসক্রিপশনে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের নাম লেখার জন্য ওষুধ প্রস্তুকারক সংস্থার প্রতিনিধিরা নানা ধরনের উপহার দিয়ে থাকেন। কেউ কেউ আবার উপহারের পাশাপাশি সরাসরি টাকার প্রলোভনও দেয়। অনেক সময় আমাদের সন্দেহ হয়। রোগীরা দোকান থেকে ওষুধ কিনে বাড়ি চলে যায়।
ফলে তা পরীক্ষা করে দেখার সুযোগ আমাদের থাকে না। রোগ না সারলে রোগীরা ফের আমাদের কাছে আসে। বেশিরভাগ সময় ওষুধ পাল্টে দিতে হয়। ফলে, রোগীদের অর্থ, সময়ের অপচয় হওয়ার পাশাপাশি মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ খাওয়ায় শারীরিক সমস্যাও দেখা দেয়।



