অগ্নিভ ভৌমিক, কৃষ্ণনগর: টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও মাধ্যমিকে বসছে না নদীয়া জেলার প্রায় এক হাজার পরীক্ষার্থী। যার মধ্যে ৮৫ শতাংশ পরীক্ষার্থীই ছাত্রী। মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর পর জেলাজুড়ে কতজন ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিল, তার হিসেব করতে গিয়ে এমনই তথ্য সামনে এসেছে। তাদের কারও নাবালিকা অবস্থাতেই বিয়ে হয়েছে, কেউ আবার কাজে যোগ দিয়েছে। মাধ্যমিকের গণ্ডি পার করার আগেই স্কুলজীবনে ইতি টানার এই প্রবণতাকে, উদ্বেগজনক বলেই মনে করছে শিক্ষামহল।
Advertisement
নদীয়া জেলার ডিআই শুভ্রকান্তি নন্দী বলেন, ‘কী কারণে ওই পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় বসতে পারেনি, সেটা সংশ্লিষ্ট স্কুল বলতে পারবে। আমরা বিষয়টি দেখছি।’ জেলা শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছর ৫৯ হাজার ৩৪৩ জন ছাত্রছাত্রীর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। যার মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬১৬ এবং ছাত্রীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৭২৭। গত কয়েক দিনে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে মোট ৫৮ হাজার ৩৬৯ জন পরীক্ষার্থী। অর্থাৎ, মাধ্যমিক পরীক্ষায় অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৭৪। যার মধ্যে অনুপস্থিত ছাত্র ১৫৯ এবং অনুপস্থিত ছাত্রী ৮১৫।
সীমান্তবর্তী এই জেলায় নাবালিকা বিয়ের প্রবণতা বেশি। আঠারো বছর হওয়ার আগেই স্কুল জীবন ছেড়ে সংসার জীবনে পা দেয় নাবালিকারা। কখনও বাড়ির লোকের চাপে, আবার কখনও পালিয়ে বিয়ে করে নেয়। যার জেরে নদীয়া জেলায় নাবালিকা প্রসূতির পরিসংখ্যানও বেশ উদ্বেগজনক। যদিও এই সমস্যার দায় এড়াতে পারেন না শিক্ষক শিক্ষিকারাও। কারণ কোনও ছাত্রী অনেকদিন স্কুলে আসছে না, সেই খবর রাখার দায়িত্ব শিক্ষকদের। এমনকী, তা দেখভালের জন্য স্কুলে স্কুলে শিক্ষক ও ছাত্রীদের নিয়ে কমিটিও রয়েছে। তারপরেও এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে। ছাত্রদের অনেকে আবার কাজে যোগ দেওয়ায় পরীক্ষায় বসতে পারেনি।
শনিবার ছিল মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা। এদিন কালীগঞ্জ ব্লকের কামারী হাইস্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে ৯ জন অনুপস্থিত ছিল। আবার কালীগঞ্জের পাঁচখেলা হাইস্কুলে ১২, মীরা হাইস্কুলে ২২ জন, লাখুরিয়া হাই স্কুলে ৩২ জন সহ বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে অনেকেই পরীক্ষা দেয়নি। বসোরখোলা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ হালদার বলেন, আমাদের স্কুলে তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সিট পড়েছে। মোট ১২জন পরীক্ষা দেয়নি।
সীমান্তবর্তী এই জেলায় নাবালিকা বিয়ের প্রবণতা বেশি। আঠারো বছর হওয়ার আগেই স্কুল জীবন ছেড়ে সংসার জীবনে পা দেয় নাবালিকারা। কখনও বাড়ির লোকের চাপে, আবার কখনও পালিয়ে বিয়ে করে নেয়। যার জেরে নদীয়া জেলায় নাবালিকা প্রসূতির পরিসংখ্যানও বেশ উদ্বেগজনক। যদিও এই সমস্যার দায় এড়াতে পারেন না শিক্ষক শিক্ষিকারাও। কারণ কোনও ছাত্রী অনেকদিন স্কুলে আসছে না, সেই খবর রাখার দায়িত্ব শিক্ষকদের। এমনকী, তা দেখভালের জন্য স্কুলে স্কুলে শিক্ষক ও ছাত্রীদের নিয়ে কমিটিও রয়েছে। তারপরেও এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মনে করা হচ্ছে। ছাত্রদের অনেকে আবার কাজে যোগ দেওয়ায় পরীক্ষায় বসতে পারেনি।
শনিবার ছিল মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষা। এদিন কালীগঞ্জ ব্লকের কামারী হাইস্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে ৯ জন অনুপস্থিত ছিল। আবার কালীগঞ্জের পাঁচখেলা হাইস্কুলে ১২, মীরা হাইস্কুলে ২২ জন, লাখুরিয়া হাই স্কুলে ৩২ জন সহ বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে অনেকেই পরীক্ষা দেয়নি। বসোরখোলা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ হালদার বলেন, আমাদের স্কুলে তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সিট পড়েছে। মোট ১২জন পরীক্ষা দেয়নি।



