নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: বীরভূম জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আধ্যাত্মিক স্থানগুলিকে পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে থাকা শক্তিপীঠ, সতীপীঠ, বৈষ্ণব ভূমি, শৈব ভূমিকে কেন্দ্র করে আধ্যাত্মিক পর্যটন সার্কিট গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের তরফে সেবিষয়ে একটি ওয়েবসাইটও তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতিটি স্থানের বর্ণনা সহ কীভাবে যাওয়া যাবে তা সবিস্তারে তুলে ধরা হয়েছে। জেলা আধিকারিকদের আশা, এই আধ্যাত্মিক পর্যটন সার্কিটকে কেন্দ্র করে আগামীতে জেলায় পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে। বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় থাকা হোটেল ব্যবসায়ী থেকে হোম-স্টে মালিকরা লাভের মুখ দেখবেন। সেইসঙ্গে জেলাও অর্থনৈতিকভাবেও অনেকটাই চাঙ্গা হবে।
Advertisement
পর্যটনের কথা উঠলেই জেলা বীরভূমের শান্তিনিকেতনের নাম সবার প্রথমে উঠে আসে। প্রতিবছরই বিভিন্ন সময় সেখানে বহু পর্যটকের ঢল নামে। তবে ধর্মীয় পর্যটকদের নজরে রয়েছে রামপুরহাট। প্রায় সারাবছরই সেখানে পুণ্যার্থীদের ভিড় জমে। শক্তিপীঠে তারা মায়ের পুজো দিতে পুণ্যার্থীরা সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়ান। সেইসঙ্গে বক্রেশ্বরের উষ্ণ প্রস্রবণেও পর্যটকদের ভিড় জমে। স্বাভাবিকভাবেই এই দুই জায়গায় পর্যটন শিল্প কিছুটা হলেও মাথা তুলেছে। সেইসঙ্গে শান্তিনিকেতনের পর্যটন শিল্পেরও যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তবে, জেলার অন্যান্য ধর্মীয় স্থানগুলিতে সেভাবে পর্যটকদের আনাগোনা নেই। এই পরিস্থিতিতে জেলার পর্যটন শিল্পে জোয়ার আনতে জেলা প্রশাসন মরিয়া হয়ে উঠেছে। সেক্ষেত্রে এবার আধ্যাত্মিক পর্যটনে ভর করে কাজ শুরু করা হয়েছে। রামপুরহাটের শক্তিপীঠের পাশাপাশি জেলার পাঁচটি সতীপীঠ, শৈবভূমি, বৈষ্ণবভূমিকে এক সুতোয় বাঁধার কাজ চলছে। সেক্ষেত্রে ধর্মীয় পর্যটকদের নজর কাড়তে বিভিন্ন কেন্দ্রগুলির পরিচর্যা সহ উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় পর্যটনে সমস্ত ধর্মের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিকেও তুলে ধরা হয়েছে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।
বীরভূম জেলার বিভিন্ন প্রান্তে থাকা একাধিক ধর্মীয় স্থান বহু মানুষেরই অজানা। মনে করা হচ্ছে, সেসব সকলের অলক্ষ্যে থাকাতেই ধর্মীয় পর্যটকরা এতদিন ওইসব এলাকায় পৌঁছতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের নজরে সামগ্রিক ধর্মীয় কেন্দ্রগুলিকে তুলে ধরতেই আধ্যাত্মিক পর্যটনকে সামনে তুলে ধরার ভাবনা। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, বীরভূম জেলার আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই আধ্যাত্মিক পরিবেশ রয়েছে। তা মাথায় রেখেই আধ্যাত্মিক পর্যটনকে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এই পর্যটনকে তুলে ধরতে ওয়েবসাইটও করা হয়েছে।
বীরভূম জেলার বিভিন্ন প্রান্তে থাকা একাধিক ধর্মীয় স্থান বহু মানুষেরই অজানা। মনে করা হচ্ছে, সেসব সকলের অলক্ষ্যে থাকাতেই ধর্মীয় পর্যটকরা এতদিন ওইসব এলাকায় পৌঁছতে পারেননি। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের নজরে সামগ্রিক ধর্মীয় কেন্দ্রগুলিকে তুলে ধরতেই আধ্যাত্মিক পর্যটনকে সামনে তুলে ধরার ভাবনা। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, বীরভূম জেলার আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকেই আধ্যাত্মিক পরিবেশ রয়েছে। তা মাথায় রেখেই আধ্যাত্মিক পর্যটনকে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এই পর্যটনকে তুলে ধরতে ওয়েবসাইটও করা হয়েছে।



