নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় নতুন করে ২২হাজারের বেশি মহিলা ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করেছেন। এর ফলে প্রত্যন্ত গ্রামের অর্থনীতির উন্নতি হবে বলে প্রশাসনের আধিকারিকরা মনে করছেন। প্রতিটি ব্লক থেকেই নতুন করে গড়ে এক হাজার মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় আরও বেশি মহিলাকে যুক্ত করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত জেলায় ১২ লক্ষ ১৯ হাজার ৬৫৫জন মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন।
Advertisement
জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে জেলার মহিলারা উপকৃত হচ্ছেন। নতুন করে জেলায় আরও ২২ হাজারের বেশি মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন।
২০২১ সালের শুরুর দিকে প্রথম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সূচনা হয়। ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির মাধ্যমে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করেন মহিলারা। প্রশাসনের আধিকারিকরাও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জেলায় সমস্ত যোগ্য মহিলাকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় আনতে চাইছেন। রাজ্যে নতুন করে পাঁচ লক্ষের বেশি মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় এসেছেন।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, জেলায় সাধারণ শ্রেণিভুক্ত প্রায় ১০ লক্ষ ৪০ হাজার মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। তফশিলি জাতিভুক্ত প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার ও তফশিলি উপজাতিভুক্ত প্রায় ৪৬ হাজার মহিলা প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন। মেদিনীপুরের বাসিন্দা শিউলি মণ্ডল বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেয়ে সংসারে অনেকটাই উপকার হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিয়ে কথা রাখতে জানেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির চেহারা বদলে গিয়েছে।
২০২১ সালের শুরুর দিকে প্রথম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সূচনা হয়। ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির মাধ্যমে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করেন মহিলারা। প্রশাসনের আধিকারিকরাও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জেলায় সমস্ত যোগ্য মহিলাকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় আনতে চাইছেন। রাজ্যে নতুন করে পাঁচ লক্ষের বেশি মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের আওতায় এসেছেন।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, জেলায় সাধারণ শ্রেণিভুক্ত প্রায় ১০ লক্ষ ৪০ হাজার মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। তফশিলি জাতিভুক্ত প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার ও তফশিলি উপজাতিভুক্ত প্রায় ৪৬ হাজার মহিলা প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন। মেদিনীপুরের বাসিন্দা শিউলি মণ্ডল বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পেয়ে সংসারে অনেকটাই উপকার হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিয়ে কথা রাখতে জানেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির চেহারা বদলে গিয়েছে।



