নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহার জেলা ক্রীড়া সংস্থার ৭৫ তম বর্ষ উদ্যাপনের সূচনায় শহরে এলেন ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় ক্রিকেট দলের সদস্য তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার সন্দীপ পাতিল। সকালে জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে বুধবার বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি সেই র্যালিতে অংশ নেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দত্ত সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। র্যালিতে হেঁটেছেন জেলার বর্তমান ও প্রাক্তন খেলোয়াড়, ক্রীড়াপ্রেমী সহ বিভিন্নস্তরের মানুষ।
Advertisement
কোচবিহারে এসে খেলাধুলোর জগতে রাজআমলে কোচবিহারের অবদান, কোচবিহারের মহারাজাদের পৃষ্ঠপোষকতার কথা উল্লেখ করেন সন্দীপ পাতিল। উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে ক্রিকেটের প্রতিভা খোঁজার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন তিনি। কোচদের আরও ভালো প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরামর্শ দেন।
সন্দীপ পাতিল বলেন, এখানে আসার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে সৌভাগ্যের বিষয়। কারণ ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাস দেখলে জানা যায়, কোচবিহারের মহারাজাদের সেখানে বিরাট অবদান ছিল। আমি নিজে কোচবিহার স্কুল ট্রফিতে খেলেছি। শচীন তেন্ডুলকর ভারতীয় দলে যোগ দেওয়ার আগে কোচবিহার ট্রফিতে খেলেছেন। কোচবিহারের ইতিহাস অনেক বড়। আমি চাই এখানে উন্নয়ন হোক। আমি পাঁচ বছরের জন্য কলকাতায় এসেছি। আমি চাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও বড় বড় শহরের মতো সুযোগ সুবিধা হোক।
ভারতীয় ক্রিকেট দল সম্পর্ক এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, খেলায় কোনও টিম হারে কোনও টিম জেতে। একবার হারলেই অবসর নেওয়ার কথা বলা হয়। সকলেরই ব্যাডপ্যাচ যায়। একটা সিরিজ হারলেই অবসরের কথা বলা সঠিক নয়। আগামী দিনে কি হবে তার পরিকল্পনা করা উচিত। আমি সবসময় এটাই চাইব ভারতীয় টিম জয়ী হোক।সন্দীপ পাতিল বলেন, এখানে আসার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে সৌভাগ্যের বিষয়। কারণ ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাস দেখলে জানা যায়, কোচবিহারের মহারাজাদের সেখানে বিরাট অবদান ছিল। আমি নিজে কোচবিহার স্কুল ট্রফিতে খেলেছি। শচীন তেন্ডুলকর ভারতীয় দলে যোগ দেওয়ার আগে কোচবিহার ট্রফিতে খেলেছেন। কোচবিহারের ইতিহাস অনেক বড়। আমি চাই এখানে উন্নয়ন হোক। আমি পাঁচ বছরের জন্য কলকাতায় এসেছি। আমি চাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও বড় বড় শহরের মতো সুযোগ সুবিধা হোক।



