নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: কালীগঞ্জ ব্লকের বায়োডাইভারসিটি হেরিটেজ সাইট চর বালিয়াডাঙা (নয়াচর)। কিন্তু সেখানেই বিদ্যুতের শক দিয়ে মাছ মারা হচ্ছে। যার জেরে লুপ্তপ্রায় গাঙ্গেয় শুশুক বা ডলফিনও মারা যাচ্ছে। সম্প্রতি ওই এলাকার কাছেই পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় মৃত ডলফিন গঙ্গায় ভেসে উঠেছে। এরপরই প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। ব্লক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা বৈঠক করে নয়াচরে কড়া নজরদারির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেই বৈঠকে পুলিস আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যুতের শক বা চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার খবর পেলে অসাধু মৎস্যজীবীদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভাগীরথী নদী লাগোয়া এলাকায় লাগাতার সচেতনতা প্রচার চালানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি ও ভূমিসংস্কার) প্রলয় রায়চৌধুরী বলেন, কালীগঞ্জ ব্লকের বায়োডাইভারসিটি হেরিটেজ সাইটকে রক্ষা করতে আমরা বদ্ধপরিকর। সম্প্রতি সেখানে ডলফিন মারা গিয়েছে। এরপরই ওই এলাকা আরও সুরক্ষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। লাগাতার প্রচার ও অপকর্মের খবর পেলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Advertisement
কালীগঞ্জ ব্লকের ভাগীরথীর পাড়ের চর এলাকা পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। চর বালিয়াডাঙা নামে ওই এলাকায় অজয় নদ ভাগীরথীর সঙ্গে মিশেছে। শুশুক বা গাঙ্গেয় ডলফিন, ভোঁদড়, বনবিড়াল সহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী সেখানে দেখা যায়। কিন্তু সেখানে একশ্রেণির অসাধু মৎস্যজীবী মাছ ধরার জন্য জলে বিদ্যুতের শক দিচ্ছে। শক খেয়ে বড় মাছ লাফিয়ে উঠলে সেগুলি ধরে নেওয়া হয়। এই প্রক্রিয়ায় মাছ ধরা বেআইনি। এর জেরে মাছের পাশাপাশি ডলফিনের মৃত্যুও হচ্ছে। জায়গাটি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া লাগোয়া। কয়েকদিন আগে কাটোয়ায় নদী থেকে একটি মৃত ডলফিন উদ্ধার হয়।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, শক দিয়ে মাছ ধরার পাশাপাশি মশারির মতো দেখতে চায়না জাল দিয়েও মাছ ধরা হয়। এর ফলে অনেক ছোট মাছ ধরা পড়ে। এই জাল দিয়েও মাছ ধরা অবৈধ। বায়োডাইভারসিটি হেরিটেজ সাইটে এরকম বেআইনিভাবে মাছ ধরা হচ্ছে। এখন ওই এলাকায় প্রায় ৪৫-৫০টি গাঙ্গেয় ডলফিন রয়েছে। লুপ্তপ্রায় এই প্রাণীকে রক্ষা করতে প্রশাসন কোমর বেঁধে নেমেছে।
চলতি সপ্তাহ থেকে অভিযান শুরু হবে। প্রথমদিকে, পুলিস, সেচ ও মৎস্যদপ্তর, ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা একসঙ্গে বেশ কয়েকবার অভিযান চালাবেন। তারপর বিভিন্ন দপ্তরের তরফে আলাদাভাবে প্রতিনিয়ত ওই এলাকা পাহারা দেওয়া হবে। বেআইনিভাবে মাছ ধরা বন্ধে মাইকিং করা হবে।
কালীগঞ্জের বিডিও অঞ্জন চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন দপ্তরকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালানো হবে। বেআইনিভাবে মাছ ধরা হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা ওই এলাকায় কড়া নজরদারি চালাব।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, শক দিয়ে মাছ ধরার পাশাপাশি মশারির মতো দেখতে চায়না জাল দিয়েও মাছ ধরা হয়। এর ফলে অনেক ছোট মাছ ধরা পড়ে। এই জাল দিয়েও মাছ ধরা অবৈধ। বায়োডাইভারসিটি হেরিটেজ সাইটে এরকম বেআইনিভাবে মাছ ধরা হচ্ছে। এখন ওই এলাকায় প্রায় ৪৫-৫০টি গাঙ্গেয় ডলফিন রয়েছে। লুপ্তপ্রায় এই প্রাণীকে রক্ষা করতে প্রশাসন কোমর বেঁধে নেমেছে।
চলতি সপ্তাহ থেকে অভিযান শুরু হবে। প্রথমদিকে, পুলিস, সেচ ও মৎস্যদপ্তর, ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা একসঙ্গে বেশ কয়েকবার অভিযান চালাবেন। তারপর বিভিন্ন দপ্তরের তরফে আলাদাভাবে প্রতিনিয়ত ওই এলাকা পাহারা দেওয়া হবে। বেআইনিভাবে মাছ ধরা বন্ধে মাইকিং করা হবে।
কালীগঞ্জের বিডিও অঞ্জন চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন দপ্তরকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালানো হবে। বেআইনিভাবে মাছ ধরা হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা ওই এলাকায় কড়া নজরদারি চালাব।



