নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মঙ্গলবার বিকেলে জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের সূতির ওরঙ্গাবাদের বাড়ি ও বিড়ি কারখানায় হানা দিলেন ইনকাম ট্যাক্স ও সেন্ট্রাল জিএসটির আধিকারিকরা। বেশ কয়েকটি গাড়িতে আধিকারিকরা আসেন। তাঁরা বাড়িতে ঢোকার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী গোটা বাড়ি ও কারখানা ঘিরে ফেলে। তবে এদিনের অভিযানের বিষয়ে স্থানীয় পুলিসকে জানায়নি কেন্দ্রীয় সংস্থা। তবে এই প্রথম নয়, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসেও আয়কর দপ্তর জাকিরের বাড়িতে হানা দিয়েছিল। সেবার বাড়ি থেকে বেশকিছু টাকা উদ্ধার করলেও পরবর্তীতে জাকিরসাহেব আইনি পদ্ধতিতে তা মোকাবিলা করেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে বিকেল ৫টা নাগাদ তৃণমূলের বিধায়কের বাড়িতে ঢোকেন অফিসাররা। গোটা অফিস ঘিরে ফেলেন সিআইএসএফ জওয়ানরা। শুরু হয় তল্লাশি। এলাকায় প্রচুর সিআরপিএফ জওয়ান ও আধিকারিক আসায় স্থানীয় লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়েন। খবর ছড়িয়ে পড়তেই উৎসুক জনতা জাকির হোসেনের কারখানার সামনে ভিড় জমান। তল্লাশি অভিযান চালানোয় বিড়ি কারখানার ভিতরে শয়ে শয়ে শ্রমিক আটকে পড়েন। কাউকেই ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এমনকী ভিতরে থাকা শ্রমিকদেরও বাইরে বেরতে দেওয়া হয়নি।
এই এলাকার বহু মানুষ বাড়িতে বিড়ি তৈরি করে রোজ কারখানায় নিয়ে আসেন। স্থানীয় ভাষায় তাঁদের মুন্সি বলা হয়। তাঁরা মূলত কাঁচা বিড়ি কারখানায় নিয়ে আসেন। পরে সেগুলি আঁচে সেঁকে প্যাকেটে ভরা হয়। তল্লাশির জেরে বহু মুন্সিও কারখানার বাইরে ভিড় জমান।
বছর দুয়েক আগেও জাকির হোসেনের কারখানা ও বাড়িতে হানা দিয়েছিল আয়কর দপ্তর। কারখানা থেকে নগদ টাকা উদ্ধার করেছিল আয়কর দপ্তর। কর্মীদের পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্যই সেই টাকা রাখা হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন জাকির সাহেব। সেই অভিযানের পর রাজনৈতিক চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনার পর এদিন ফের বিড়ি কারখানা ও অফিসে হানা দিল জিএসটি দপ্তর। আয়কর হানার ব্যাপারে কারখানার মালিকপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এভাবে বারবার আয়কর অভিযান নিয়ে ক্ষুব্ধ বিড়ি ব্যবসায়ী মহল। রাজ্যের মধ্যে সেরা করদাতাদের তালিকার প্রথম সারিতে মাঝে মধ্যেই জাকির সাহেবের নাম উঠে আসে। তারপরেও বারবার এই আইকর দপ্তরের হানার ঘটনায় ক্ষুব্ধ তাঁর অনুগামীরা। এদিন আয়কর হানার ব্যাপারে জাকির সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
এই এলাকার বহু মানুষ বাড়িতে বিড়ি তৈরি করে রোজ কারখানায় নিয়ে আসেন। স্থানীয় ভাষায় তাঁদের মুন্সি বলা হয়। তাঁরা মূলত কাঁচা বিড়ি কারখানায় নিয়ে আসেন। পরে সেগুলি আঁচে সেঁকে প্যাকেটে ভরা হয়। তল্লাশির জেরে বহু মুন্সিও কারখানার বাইরে ভিড় জমান।
বছর দুয়েক আগেও জাকির হোসেনের কারখানা ও বাড়িতে হানা দিয়েছিল আয়কর দপ্তর। কারখানা থেকে নগদ টাকা উদ্ধার করেছিল আয়কর দপ্তর। কর্মীদের পারিশ্রমিক দেওয়ার জন্যই সেই টাকা রাখা হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন জাকির সাহেব। সেই অভিযানের পর রাজনৈতিক চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঘটনার পর এদিন ফের বিড়ি কারখানা ও অফিসে হানা দিল জিএসটি দপ্তর। আয়কর হানার ব্যাপারে কারখানার মালিকপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এভাবে বারবার আয়কর অভিযান নিয়ে ক্ষুব্ধ বিড়ি ব্যবসায়ী মহল। রাজ্যের মধ্যে সেরা করদাতাদের তালিকার প্রথম সারিতে মাঝে মধ্যেই জাকির সাহেবের নাম উঠে আসে। তারপরেও বারবার এই আইকর দপ্তরের হানার ঘটনায় ক্ষুব্ধ তাঁর অনুগামীরা। এদিন আয়কর হানার ব্যাপারে জাকির সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি।



