সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: ঘন কুয়াশার সঙ্গে জাঁকিয়ে শীত পড়ায় কৃষ্ণগঞ্জের শিউলি ও খেজুরগুড় ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটল। গত কয়েক দিন ধরে ঠান্ডা পড়েছে। রয়েছে ঘন কুয়াশাও। এই অবস্থায় খেজুর গুড়ের রস ভালো হয়। রসের মান ও পরিমাণ বেশি হলে নিঃসন্দেহে গুড় ভালো হবে। তাতে গুড়ের দামও ভালো পাওয়া যাবে। এবছর ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে সেভাবে শীত পড়েনি। এতে শিউলিদের কপালে ভাঁজ পড়ে। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার জন্য জাঁকিয়ে শীত না পড়ায় স্বাভাবিকভাবেই শিউলিদের মন খারাপ হয়ে যায়।
Advertisement
প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিখ্যাত খেজুর গুড়ের পুরনো হাটগুলির মধ্যে অন্যতম মাজদিয়ার গুড়ের হাট। মরশুমে ৫০০-র বেশি শিউলি এই হাটে খেজুরগুড় বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। এছাড়া ভাজনঘাট থেকে মাজদিয়া বাসস্ট্যান্ড ছাড়িয়ে প্রায় আধ কিলোমিটার রাস্তার ধারে সাইকেলে খেজুরগুড় নিয়ে শিউলিরা দাঁড়ান। কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকে কয়েক হাজার শিউলি ও গুড় ব্যবসায়ী আছেন।
শিউলিরা প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে খেজুর গাছে মাটির হাঁড়ি ঝোলান। পরের দিন সকালে গাছ থেকে রসভর্তি সেই হাঁড়ি পেড়ে নিয়ে আসেন। সেই রস জ্বাল দিয়েই গুড় তৈরি করা হয়। রস জ্বাল দিয়ে প্রথমে নলেন গুড় হয়। তবে এবার ভালো শীত না পড়ায় খেজুর গাছ থেকে ভালো মানের ও বেশি পরিমাণ রস হচ্ছিল না। তাতে শিউলিরা ক্ষতির মুখে পড়েন। গত দু’বছর ধরে শীত দেরি করে পড়ায় সমস্যা হচ্ছে। আগে কার্তিক মাসের শুরুতেই শিউলিরা খেজুর গুড় তৈরির কাজে নেমে পড়ত।
আবহাওয়া ঠিক থাকলে প্রতি সপ্তাহে খেজুর গাছ থেকে তিন থেকে চার বার পর্যন্ত ভালো রস পাওয়া যায়। রসে শর্করার পরিমাণ যাতে বাড়ে সেজন্যই বাকিদিন বিশ্রাম দিতে হয়। একটি খেজুর গাছ থেকে গড়ে প্রতিদিন ৭ লিটার মতো রস পাওয়া যায়। ৮ থেকে ১০ লিটার ভালো মানের রস জ্বাল দিয়ে এক কেজি সুস্বাদু গুড় হয়। এক কেজি ভালো গুড়ের দাম প্রায় ৩০০ টাকা। এই অবস্থায় শিউলিরা জাঁকিয়ে শীত পড়ার অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে শীত পড়ায় খুশি শিউলি ও ব্যবসায়ীরা।
এ নিয়ে গেদে মাঝপাড়ার প্রবীণ শিউলি রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, খেজুর গুড়ের পক্ষে এই কুয়াশাযুক্ত ঠান্ডা খুবই ভালো। আমরা এই শীতের অপেক্ষায় থাকি। তাতে খেজুরগুড়ের মান ভালো হবে। এই গুড়ে দানা থাকবে। গন্ধও হবে। গেদে দক্ষিণ পাড়ার গুড় ব্যবসায়ী সুব্রত বিশ্বাস বলেন, আমরা খুব খুশি। এরকম ঠান্ডাই দরকার। গুড় ভালো হলে বাজার জমবে। দুটো পয়সা দেখতে পারব।
শিউলিরা প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে খেজুর গাছে মাটির হাঁড়ি ঝোলান। পরের দিন সকালে গাছ থেকে রসভর্তি সেই হাঁড়ি পেড়ে নিয়ে আসেন। সেই রস জ্বাল দিয়েই গুড় তৈরি করা হয়। রস জ্বাল দিয়ে প্রথমে নলেন গুড় হয়। তবে এবার ভালো শীত না পড়ায় খেজুর গাছ থেকে ভালো মানের ও বেশি পরিমাণ রস হচ্ছিল না। তাতে শিউলিরা ক্ষতির মুখে পড়েন। গত দু’বছর ধরে শীত দেরি করে পড়ায় সমস্যা হচ্ছে। আগে কার্তিক মাসের শুরুতেই শিউলিরা খেজুর গুড় তৈরির কাজে নেমে পড়ত।
আবহাওয়া ঠিক থাকলে প্রতি সপ্তাহে খেজুর গাছ থেকে তিন থেকে চার বার পর্যন্ত ভালো রস পাওয়া যায়। রসে শর্করার পরিমাণ যাতে বাড়ে সেজন্যই বাকিদিন বিশ্রাম দিতে হয়। একটি খেজুর গাছ থেকে গড়ে প্রতিদিন ৭ লিটার মতো রস পাওয়া যায়। ৮ থেকে ১০ লিটার ভালো মানের রস জ্বাল দিয়ে এক কেজি সুস্বাদু গুড় হয়। এক কেজি ভালো গুড়ের দাম প্রায় ৩০০ টাকা। এই অবস্থায় শিউলিরা জাঁকিয়ে শীত পড়ার অপেক্ষায় ছিলেন। অবশেষে শীত পড়ায় খুশি শিউলি ও ব্যবসায়ীরা।
এ নিয়ে গেদে মাঝপাড়ার প্রবীণ শিউলি রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, খেজুর গুড়ের পক্ষে এই কুয়াশাযুক্ত ঠান্ডা খুবই ভালো। আমরা এই শীতের অপেক্ষায় থাকি। তাতে খেজুরগুড়ের মান ভালো হবে। এই গুড়ে দানা থাকবে। গন্ধও হবে। গেদে দক্ষিণ পাড়ার গুড় ব্যবসায়ী সুব্রত বিশ্বাস বলেন, আমরা খুব খুশি। এরকম ঠান্ডাই দরকার। গুড় ভালো হলে বাজার জমবে। দুটো পয়সা দেখতে পারব।



