নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: শীতের আমেজ পড়তেই গোপীবল্লভপুরের অন্যতম পর্যটনস্থল ঝিল্লি পাখিরালয়ে পর্যটকরা আসতে শুরু করেছেন। এদিকে পাখিরালয়ে যাওয়ার সাত কিমি রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল। পর্যটকদের খানাখন্দেভরা রাস্তা পেরিয়ে পাখিরালয়ে যেতে হচ্ছে। পর্যটন ব্যবসায়ী থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তা সংস্কারের দাবি তুলছেন। সাতমা গ্রাম পঞ্চায়েতের কেন্দুয়ানাচক থেকে সাত কিলোমিটার গেল ঝিল্লি পাখিরালয়। শালবনের মধ্যে ১৫০ বিঘা এলাকাজুড়ে জলাশয়। শীত পড়লেই জলাশয়ে দূরদূরান্ত থেকে পরিযায়ী পাখিরা আসে। ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে পর্যটনস্থলটি ধীরে ধীরে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। দু’টি অতিথি নিবাস তৈরি করা হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইন দু’ভাবে বুকিং করা যায়। জলাশয় ও জঙ্গলের মনোরম দৃশ্য দেখার জন্য ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে। বাচ্চাদের বিনোদনের জন্য খেলার পার্ক, ফুলের বাগান রয়েছে। বোটিংকরার ব্যবস্থাও রয়েছে। ভ্রমণ পিপাসুদের অন্যতম আকর্ষণস্থল এই পাখিরালয়। কেন্দুয়ানাচক থেকে ঝিল্লি পাখিরালয় পর্যন্ত রাস্তাটি আগে মোরামের ছিল। পর্যটনস্থলে যাতায়াতের সুবিধার্থে পিচের রাস্তাও তৈরি হয়েছিল। সেই রাস্তার পিচ উঠে গিয়ে খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। যার জেরে পাখিরালয়ের আকর্ষণ কমছে। মার খাচ্ছে পর্যটন ব্যাবসা। ঝাড়গ্রাম ডিস্ট্রিক হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, জেলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র ঝিল্লি পাখিরালয়। শীতের সময় পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। কিন্তু পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়ার রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে খারাপ হয়ে আছে। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার হওয়া দরকার। পাখিরালয়ে বেড়াতে আসা খড়গপুরের বাসিন্দা প্রবীর ঘোষ বলেন, পাখিরালয়ে আসার বেশ কয়েক কিমি রাস্তা খুব খারাপ। এখানে আসতে কিছুটা হলেও কষ্ট হয়েছে। গোপীবল্লভপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্তকর্মাধ্যক্ষ হেমন্ত ঘোষ বলেন, রাস্তাটি খারাপ অবস্থায় আছে। রাস্তাটি যাতে দ্রুত সংস্কার করা যায় তার চেষ্টা চলছে। জেলা পরিষদের সভাধিপতি চিন্ময়ী মারান্ডি বলেন, পাখিরালয়ের পর্যটন কেন্দ্রটিকে ঢেলে সাজা হয়েছে। আগামী দিনে আরও বেশকিছু পদক্ষেপ করা হবে।



