Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জাহালদা-বেলদা রাজ্য সড়ক সম্প্রসারণের কাজ থমকে, দু’বছর ধরে সমস্যায় বাসিন্দারা

জাহালদা-বেলদা রাজ্য সড়ক সম্প্রসারণের কাজ থমকে, দু’বছর ধরে সমস্যায় বাসিন্দারা
  • ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা বেলদা: পশ্চিম মেদিনীপুরের জাহালদা থেকে বেলদা পর্যন্ত প্রায় ২১ কিলোমিটার বেলদা-দীঘা রাজ্য সড়ক। সেই রাস্তা চওড়া করার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১০১ কোটি ১৩ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা। ২০২৩ সাল থেকে শুরু হওয়া সেই কাজের সময়সীমা ছিল নভেম্বর পর্যন্ত। অভিযোগ, ঠিকাদার সংস্থার গড়িমসিতে সম্পন্ন হয়েছে অর্ধেক কাজ। ফলে টানা প্রায় দু’বছর ধরে বেহাল রাস্তায় সমস্যায় পড়ছেন নিত্যযাত্রী থেকে পর্যটকরা। নিত্যদিন দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী গাড়ি। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সংস্থাকে নোটিস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পূর্তদপ্তর। 
Advertisement
বেলদা থেকে দীঘা যাওয়ার জন্য ৫ নম্বর রাজ্য সড়কের সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়েছিল গত ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে। নির্ধারিত সেই সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত মাত্র অর্ধেক কাজ হয়েছে। আর তারফলে দীর্ঘ এই ২১ কিলোমিটার রাস্তায় নিত্যদিন দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে গাড়িগুলিকে। বিভিন্ন জায়গায় অসমাপ্ত রাস্তা খানাখন্দে ভরে গিয়েছে। পুজোর আগে এই রাস্তার কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শন করেছিল বিধানসভার স্ট্যান্ডিং কমিটির এক প্রতিনিধি দল। তখনও রাস্তার অর্ধেক কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল রাজ্যে। তারপরেও কোনও অগ্রগতি হয়নি। জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ বলেন, মহারাষ্ট্রের একটি সংস্থা এই রাস্তা সম্প্রসারণের বরাত পেয়েছে। বারবার তাদের রাস্তা সম্পূর্ণ করার কথা বলা হলেও নির্ধারিত দু’বছরের মধ্যে তারা মাত্র ৫৫ শতাংশ কাজ করতে পেরেছে। বিষয়টি রাজ্যে জানানো হয়েছে। জেলা পূর্তদপ্তরের এক আধিকারিক শিবু বিশ্বাস বলেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সংস্থাকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পূর্ণ করতে পারবে না বলে জানিয়েছে। আগামী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারিত করা হয়েছে। ঠিকাদার সংস্থাটি জানিয়েছে এ বছর দীর্ঘ সময় ধরে বর্ষা ও রাস্তার ধারে গাছকাটা, প্রয়োজনীয় বালির অভাব সহ একাধিক সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যে কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ