সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: গভীর রাতে আলিপুরদুয়ার রেল জংশনের সূর্য সেন পল্লিতে এক যুবকের কাঠের বাটামের আঘাতে মৃত্যু হয়েছে এক বৃদ্ধার। পুলিস জানিয়েছে, মৃত বৃদ্ধার নাম প্রীতিলতা আচার্য্য (৭০)। যুবকের কাঠের বাটামের পর পর আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন মৃত বৃদ্ধার ছেলে পেশায় বিমা এজেন্ট অসীম আচার্য্য, ছেলের বউ সোমা আচার্য্য ও তাঁদের মেয়ে। বৃহস্পতিবার রাতের এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এই ঘটনায় পুলিস বিবেক সিং নামে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা ওই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিসের অনুমান, এই ঘটনায় আর্থিক কোনও লেনদেনের বিষয় যুক্ত থাকতে পারে।
Advertisement
আলিপুরদুয়ারের পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী শুক্রবার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে রেল জংশনের ওই ঘটনায় আর্থিক কোনও লেনদেন থাকতে পারে। প্রকৃত বিষয়টি জানতে তদন্তে নামা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনের সময় ঝাড়খণ্ডের ওই যুবকের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পরিচয় হয় জংশনের আচার্য্য পরিবারের। তারপরেই ঝাড়খন্ডের যুবকের যাতায়াত শুরু হয় অসীমবাবুর বাড়িতে। প্রতাবেশীরাও বলেন, ঝাড়খণ্ডের ওই যুবককে তাঁরা মাঝেমধ্যেই অসীম আচার্য্যের বাড়িতে আসতে দেখেন। স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ওই যুবক অসীমবাবুর বাড়িতে আসে। রাতে বাড়ির লোকদের সঙ্গে খাওয়াদাওয়াও করে। তারপরেই রাত দেড়টা নাগাদ বাড়ির বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় অসীমবাবুর বাঁচাও বাঁচাও আর্ত চিৎকার শুনে ঘুম ভাঙে প্রতিবেশীদের। স্থানীয়রা অসীমবাবুর ঘরে ঢুকে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন বৃদ্ধা প্রীতিলতাদেবী, অসীমবাবুর স্ত্রী সোমাদেবী ও অসীমবাবুর মেয়ে। রক্তে ভেসে যাচ্ছে ঘরের মেঝে। ঘটনার পরেই বাড়ির পাঁচিল টপকে পালানোর চেষ্টা করলে প্রতিবেশীরাই ভিনরাজ্যের ওই যুবককে পাকড়াও করে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। পরে পুলিসের হাতে তুলে দেয়। পুলিস অভিযুক্ত যুবককে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়রাই জখম চারজনকে উদ্ধার করে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে বৃদ্ধাকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা। পরে জেলা হাসপাতাল থেকে রাতেই জখম তিনজনকে কোচবিহারের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের আইসিইউতে চিকিৎসা চলছে।
জেলা পুলিস জানিয়েছে, চিকিৎসাধীন জখমদের প্রত্যেকেরই শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। পুলিস জখমদের সুস্থ হওয়ার অপেক্ষায় আছে। আজ, শনিবার পুলিস ধৃত যুবককে আলিপুরদুয়ার জেলা আদালতে তুলবে।
ভিনরাজ্যের ওই যুবক কেন এমন কাণ্ড করল তা নিয়ে ধন্দে পড়েছেন অসীমবাবুর প্রতিবেশীরাও। আর্থিক লেনদেন ছাড়াও অন্য কোনও বিষয় এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আছে কি না পুলিসি তদন্তের পরেই তা জানা যাবে বলে প্রতিবেশীরা মনে করছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লকডাউনের সময় ঝাড়খণ্ডের ওই যুবকের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পরিচয় হয় জংশনের আচার্য্য পরিবারের। তারপরেই ঝাড়খন্ডের যুবকের যাতায়াত শুরু হয় অসীমবাবুর বাড়িতে। প্রতাবেশীরাও বলেন, ঝাড়খণ্ডের ওই যুবককে তাঁরা মাঝেমধ্যেই অসীম আচার্য্যের বাড়িতে আসতে দেখেন। স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ওই যুবক অসীমবাবুর বাড়িতে আসে। রাতে বাড়ির লোকদের সঙ্গে খাওয়াদাওয়াও করে। তারপরেই রাত দেড়টা নাগাদ বাড়ির বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় অসীমবাবুর বাঁচাও বাঁচাও আর্ত চিৎকার শুনে ঘুম ভাঙে প্রতিবেশীদের। স্থানীয়রা অসীমবাবুর ঘরে ঢুকে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন বৃদ্ধা প্রীতিলতাদেবী, অসীমবাবুর স্ত্রী সোমাদেবী ও অসীমবাবুর মেয়ে। রক্তে ভেসে যাচ্ছে ঘরের মেঝে। ঘটনার পরেই বাড়ির পাঁচিল টপকে পালানোর চেষ্টা করলে প্রতিবেশীরাই ভিনরাজ্যের ওই যুবককে পাকড়াও করে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। পরে পুলিসের হাতে তুলে দেয়। পুলিস অভিযুক্ত যুবককে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়রাই জখম চারজনকে উদ্ধার করে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে বৃদ্ধাকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা। পরে জেলা হাসপাতাল থেকে রাতেই জখম তিনজনকে কোচবিহারের একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের আইসিইউতে চিকিৎসা চলছে।
জেলা পুলিস জানিয়েছে, চিকিৎসাধীন জখমদের প্রত্যেকেরই শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। পুলিস জখমদের সুস্থ হওয়ার অপেক্ষায় আছে। আজ, শনিবার পুলিস ধৃত যুবককে আলিপুরদুয়ার জেলা আদালতে তুলবে।
ভিনরাজ্যের ওই যুবক কেন এমন কাণ্ড করল তা নিয়ে ধন্দে পড়েছেন অসীমবাবুর প্রতিবেশীরাও। আর্থিক লেনদেন ছাড়াও অন্য কোনও বিষয় এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আছে কি না পুলিসি তদন্তের পরেই তা জানা যাবে বলে প্রতিবেশীরা মনে করছেন।



