Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঝাড়খণ্ডের ছিনতাইবাজ বাইক বাহিনীর দাপটে নাজেহাল পুলিস 

ঝাড়খণ্ডের ছিনতাইবাজ বাইক বাহিনীর দাপটে নাজেহাল পুলিস 
  • ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: ঝাড়খণ্ড থেকে আসা বাইক বাহিনী জঙ্গলমহলজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় পরপর ছিনতাই, কেপমারির ঘটনা ঘটালেও পুলিস ভিনরাজ্যের দুষ্কৃতীদের টিকি ছুঁতে পারছে না। ঘন ঘন বাইকের নম্বর প্লেট বদল করার কারণেই দুষ্কৃতীদের নাগাল পাওয়া যাচ্ছে না বলে বাঁকুড়ার এক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার একাধিক থানা এলাকায় ঝাড়খণ্ডের ওই বাইক বাহিনী সম্প্রতি ‘অপারেশন’ চালিয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পথচারীদের কাছ থেকে গয়না বা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দুষ্কৃতীরা চম্পট দিচ্ছে। দুষ্কৃতীরা দু’টি বাইকে দু’জন করে থাকছে। ছিনতাইয়ের পর দ্রুত গতিতে বাইক ছুটিয়ে তারা চম্পট দিচ্ছে। তদন্তে নেমে পুলিসের হাতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ছাড়া আর তেমন কোনও তথ্য থাকছে না। সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিস বাইকের নম্বর দেখে দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালাচ্ছে। কিন্তু, সেই নম্বর প্লেট ভুয়ো হওয়ার কারণে বাইকের প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দুষ্কৃতীরাও অধরা থেকে যাচ্ছে। প্রতিবার অপারেশন সেরে দুষ্কৃতীরা আন্তঃজেলা সীমানা পার হচ্ছে। বাঁকুড়ায় ছিনতাই বা কেপমারি করে তারা পুরুলিয়ায় গিয়ে গা ঢাকা দিচ্ছে। একইরকমভাবে পুরুলিয়ায় অপরাধ সংগঠিত করার পর বাঁকুড়ায় ঢুকে পড়ছে। তবে বেশিদিন তারা জঙ্গলমহলের দুই জেলায় থাকছে না। বড় অপারেশন সেরে সটান ঢুকে পড়ছে ঝাড়খণ্ডে। নিজেদের ডেরায় গিয়ে তারা পরবর্তী অপারেশনের ছক কষছে। পুলিস কিছুটা ঢিলে দিলেই দুষ্কৃতীরা ফের এরাজ্যে ঢুকছে। দুষ্কৃতীরা হিন্দির পাশাপাশি বাংলা ভাষাতেও কথা বলতে সক্ষম। ফলে কেপমারির ঘটনার আগে তাদের তেমন কেউ সন্দেহ করছে না। বাঁকুড়ার এক পুলিস আধিকারিক বলেন, দুষ্কৃতীরা ঝাড়খণ্ড থেকে বাইকে চেপে আসছে। সম্প্রতি আমরা তাদের কিছু ফুটেজ পেয়ে বাইকের নম্বর পরিবহণ দপ্তরের মাধ্যমে পরীক্ষা করি। কিন্তু, প্রতিটি নম্বর ভুয়ো। তবে দ্রুত দুষ্কৃতীদের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে আমরা আশাবাদী।
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ