সংবাদদাতা, রামপুরহাট: শুক্রবার সকালে ঝাড়খণ্ডের শ্রীরামগড়িয়া গ্রামে একটি পরিত্যক্ত পাথরখাদান থেকে নলহাটির এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম আবদুল হালিম(৩৩)। এদিন স্থানীয়রা ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁকে উদ্ধার করে রামপুরহাট মেডিক্যালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। যুবকের পরিবারের দাবি, তাঁকে খুন করা হয়েছে।
Advertisement
আবদুল হালিমের বাড়ি নলহাটির খাঁপুর গ্রামে। তিনি ঝাড়খণ্ডের একটি পাথরখাদানের লরির চালক ছিলেন। মৃতের ভাই আবদুল আলিম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে দাদা ঝাড়খণ্ডের রদিপুর থানার শ্রীরামগড়িয়া গ্রামে কাজে যান। রাতে বাড়ি ফেরেননি। এর আগেও দাদা মাঝেমধ্যে রাতে বাড়ি ফিরতেন না। তাই আমরা খোঁজাখুঁজি করিনি। শুক্রবার সকালে খবর পাই, শ্রীরামগড়িয়ায় যে খাদানে দাদা কাজ করত, তার পাশের পরিত্যক্ত খাদানে তাঁর দেহ পাওয়া গিয়েছে। দাদার মাথার পিছনে ও বাঁ চোখের কাছে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দাদাকে খুন করা হয়েছে। আমরা রদিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করব।
রামপুরহাটে দুর্ঘটনায় মৃত্যু: শুক্রবার সকালে রামপুরহাটের পানিশাইল গ্রামের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক্টর উল্টে চালকের মৃত্যু হল। পুলিস জানিয়েছে, মৃত ইসমাইল শেখের(১৮) বাড়ি রামপুরহাটের আয়াস গ্রামে। ওই তরুণ আয়াস থেকে ট্রাক্টর চালিয়ে রামপুরহাটের দিকে আসছিলেন। পথে ট্রাক্টর উল্টে গেলে তিনি সেটির তলায় চাপা পড়েন।
রামপুরহাটে দুর্ঘটনায় মৃত্যু: শুক্রবার সকালে রামপুরহাটের পানিশাইল গ্রামের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক্টর উল্টে চালকের মৃত্যু হল। পুলিস জানিয়েছে, মৃত ইসমাইল শেখের(১৮) বাড়ি রামপুরহাটের আয়াস গ্রামে। ওই তরুণ আয়াস থেকে ট্রাক্টর চালিয়ে রামপুরহাটের দিকে আসছিলেন। পথে ট্রাক্টর উল্টে গেলে তিনি সেটির তলায় চাপা পড়েন।



