Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঝাড়গ্রামের আটটি স্কুলের পড়ুয়াদের  ট্যাবের টাকা গায়েব

ঝাড়গ্রামের আটটি স্কুলের পড়ুয়াদের  ট্যাবের টাকা গায়েব
  • ১২ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্ৰামের আটটি হাইস্কুলের পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা সাইবার প্রতারকরা টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। জেলা শিক্ষাদপ্তরের নির্দেশ স্কুলের তরফে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে জেলার সাইবার বিভাগ ।
Advertisement
রাজ্যের একাধিক জেলায় বাংলা শিক্ষা পোর্টালের আইডি হ্যাক করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বাদ যায়নি ঝাড়গ্রাম জেলাও। জেলার শিক্ষা মহলে যা নিয়ে চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে। 
সূত্রের খবর, পোর্টালে পুড়ুয়াদের নাম ও স্কুলের ঠিকানা এক থাকলেও ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর পাল্টে ফেলা হয়েছে। যার জেরে প্রকল্পের টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে। শিক্ষাদপ্তর সূত্রে খবর, ঝাড়গ্ৰামের মানিকপাড়া হাইস্কুল, হাড়দা রামকৃষ্ণ হাইস্কুল, অশোক বিদ্যাপীঠ, নেতাজি আদর্শ হিন্দি হাইস্কুল, বাঁধগড়া হাইস্কুল, রোহিনী সিআরডি হাইস্কুল, ধগড়ী হাইস্কুল ও বিনপুর হাইস্কুলের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে। স্কুলগুলোর তরফে এরপরেই জেলার শিক্ষাদপ্তরকে বিষয়টি জানানো হয়। স্কুলগুলোর তরফে ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পড়ুয়ারা দাবি করছে, তাদের অ্যাকাউন্ট টাকা ঢোকেনি। উল্টোদিকে জেলা পরিদর্শক অফিস টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে। প্রকল্পের টাকা স্কুল পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হলেও মাঝপথে সেই টাকা কীভাবে গায়েব হল তা নিয়ে জেলার সাইবার দপ্তর তদন্ত শুরু করেছে। জেলার সাইবার বিভাগের আধিকারিক সব্যসাচী ঘোষ বলেন, পোর্টালে পড়ুয়াদের নাম ও ঠিকানা এক থাকলেও ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর বদলে গিয়েছে। যার জেরে টাকা অন্য ব্যক্তির কাছে চলে গিয়েছে। সুপরিকল্পিতভাবে প্রতারণার এই ছক করা হয়েছে। জেলার ডিআই শক্তিভূষণ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, জেলার আটটি স্কুলের ৪০টি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়েছে। ধগাড়ী হাইস্কুলের ১০টি অ্যাকাউন্ট, বাঁধগড়া হাইস্কুলের ৭টি, অশোক বিদ্যাপীঠের ৮টি ও অন্যান্য স্কুলগুলোতে একটা-দুটো করে অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষাধিক টাকা গায়েব হয়েছে। শিক্ষাদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী স্কুলগুলি থানায় অভিযোগ করেছে। হাড়দা রামকৃষ্ণ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত গিরি বলেন, শিক্ষাদপ্তরের নির্দেশ মেনে আমরা থানায় অভিযোগ করেছি। পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হওয়ার বিষয়ে আমরা সম্পূর্ণ অন্ধকারে।
সম্পর্কিত সংবাদ