নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামে বেপরোয়া বাইকচালকদের দৌরাত্ম্য চলছেই। মকর পরবেও জেলাজুড়ে বাইকবাহিনীর তাণ্ডব দেখা গেল। উৎসবের দিন বেপরোয়া বাইকবাহিনীর তাণ্ডবে পথচারীরা সমস্যায় পড়েন। ওইদিন প্রচণ্ড জোরে বাইক চালানোয় বহু যুবক জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পরবের দিন পুলিসি নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।ঝাড়গ্রামে বাইক দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা বারবার ঘটছে। শহরের ৯ নম্বর রাজ্য সড়কে উৎসবের দিনে বেপরোয়া বাইকচালকদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। পুলিস বাইকের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে ধারাবাহিকভাবে সচেতন করে চলেছে। ট্রাফিক আইন ভাঙলে, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বা হেলমেট ছাড়া বাইক চালালে জরিমানা করা হচ্ছে। তারপরও বেপরোয়া বাইকবাজদের লাগাম পরানো যাচ্ছে না।
Advertisement
মকর পরবে বহু যুবক বেপরোয়াভাবে বাইক চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসায় হিমসিম খেয়েছেন ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডাক্তাররা। মেডিক্যালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ রাজীব দে বলেন, মকর পরবের দিন আমরা এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। দুপুর ৩টে থেকে রাত পর্যন্ত একের পর এক যুবক দুর্ঘটনায় জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ২০-৩০ বছর বয়সী ওই যুবকরা বেপরোয়াভাবে বাইক চালিয়ে জখম হয়েছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, ওয়ার্ডের অন্য রোগীদের ছেড়ে একসময় জখম যুবকদের চিকিৎসাতেই ডাক্তারবাবুদের সময় চলে যায়। বেপরোয়াভাবে বাইক চালানো একটা মারসিক রোগে পরিণত হয়েছে। সচেতন না হলে বহু যুবক প্রাণ হারাবে, না হলে চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাবে।
জেলা তৃণমূলের নেতা সৌমেন আচার্য বলেন, শহরের মাঝ বরাবর ৯ নম্বর রাজ্য সড়ক চলে গিয়েছে। সড়কটি ৬ ও ২ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত। অল্পবয়সী বাইকচালকরা মকর পরবের দিনে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় একরকম তাণ্ডব চালিয়েছে বলা যেতে পারে। উৎসবের দিনে পুলিসের আরও কড়া হাতে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা দরকার ছিল।
ঝাড়গ্রাম ট্রাফিক পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, অল্পবয়সীদের মধ্যে জোরে বাইক চালানোর প্রবণতা রয়েছে। আমরা সারা বছর ধরে সচেতনতার প্রচার চালাচ্ছি। ট্রাফিক নিয়ম ভাঙলে কড়া পদক্ষেপও করা হয়। মকর পরবের দিনও জখম যুবকদের হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি বেশ কিছু ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে।
জেলা তৃণমূলের নেতা সৌমেন আচার্য বলেন, শহরের মাঝ বরাবর ৯ নম্বর রাজ্য সড়ক চলে গিয়েছে। সড়কটি ৬ ও ২ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত। অল্পবয়সী বাইকচালকরা মকর পরবের দিনে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় একরকম তাণ্ডব চালিয়েছে বলা যেতে পারে। উৎসবের দিনে পুলিসের আরও কড়া হাতে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা দরকার ছিল।
ঝাড়গ্রাম ট্রাফিক পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, অল্পবয়সীদের মধ্যে জোরে বাইক চালানোর প্রবণতা রয়েছে। আমরা সারা বছর ধরে সচেতনতার প্রচার চালাচ্ছি। ট্রাফিক নিয়ম ভাঙলে কড়া পদক্ষেপও করা হয়। মকর পরবের দিনও জখম যুবকদের হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি বেশ কিছু ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে।



