নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রাম শহরে ফাঁকা বাড়িতে চুরির ঘটনা বাড়ছে। রাতে বাড়িতে ঢুকে জিনিসপত্র নিয়ে চম্পট দিচ্ছে দুষ্কৃতীরা। মঙ্গলবার রাতে শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বলরামডিহি এলাকায় রাতের বেলা ফাঁকা বাড়ি থেকে নগদ টাকা সহ সাড়ে ছয় লক্ষ টাকার গহনা চুরি হয়েছে। চুরির ঘটনায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এতে পুলিসের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Advertisement
ঝাড়গ্রামের এসডিপিও শামিম বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ হয়েছে। চুরি যাওয়া কিছু জিনিসপত্র উদ্ধারও হয়েছে। তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। ঝাড়গ্রাম জনবহুল শহর। বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় দিনেরাতে পুলিসের নজরদারি রয়েছে। পুলিসের ভ্যান শহরজুড়ে ঘুরে বেড়ায়। মেয়েদের সুরক্ষায় পিঙ্কভ্যান টহলদারি চালায়। সিভিক ভলান্টিয়াররা রাতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পাহারা দেন। শহরের ভিতর তারপরেও চুরির ঘটনা ঘটছে। বলরামডিহি ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা। মঙ্গলবার রাতের ভয়াবহ চুরির ঘটনা এলাকার মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাড়ির মালিক রবি সাহা স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য গত সোমবার ভুবনেশ্বরে গিয়েছিলেন। বুধবার ভোরে বাড়ি ফিরে দেখেন সদর দরজার গেট হাট করে খোলা। ঘরে ঢোকার প্রধান দরজার চাবি দেওয়ার আঁকশি সুনিপুণভাবে কাটা হয়েছে। দোতলা বাড়ির নীচে থাকা কাপড়ের দোকান ঘরের মেঝেতে দেওয়াল আলমারির জিনিসপত্র ছড়ানো ছিটানো রয়েছে। ক্যাশ বাক্সে রাখা নগদ কুড়ি হাজার টাকা নেই। পিছনের শোবার ঘরের স্টিলের আলমারি ভাঙা। সেইসঙ্গে দেওয়াল আলমারিতে রাখা জিনিসপত্র মেঝেতে ফেলে টাকা পয়সার সন্ধান করা হয়েছে। দোতলার ঘরের আলমারির লকার ভেঙে সোনার গয়নাগুলি নেওয়া হয়েছে। বিছানায় থরে থরে পড়ে রয়েছে সোনার গয়না রাখার বক্স। এছাড়াও ঘরে থাকা আরও একটি ছোট দেওয়াল আলমারি ভাঙা হয়েছে । খাটের তলায় বস্তাভর্তি পুরনো কাঁসা ও পিতলের জগ, গামলা হাঁড়ি, কড়াই সহ নানা জিনিসপত্র চুরি করা হয়েছে।
বাড়ির সদস্যদের বক্তব্য, চুরির ঘটনা মাঝরাতে হয়েছে। রবি সাহা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছি। গত শুক্রবার স্ত্রীকে নিয়ে ভুবনেশ্বরে গিয়েছিলাম। মঙ্গলবার রাতে দেড়টা নাগাদ খড়্গপুরে স্টেশনে আসি। ভোরের দিকে ট্রেন ধরে বাড়ি ফিরে দেখি, সদর দরজা খোলা। তখনই বুঝতে পারি, চুরি হয়েছে। মেঝেতে তালাগুলো পড়েছিল। দোকান ঘরে ক্যাশ বাক্সে ২০ হাজার টাকা ছিল। দোতলার ঘরের আলমারির লকারে সোনার গয়না রাখা ছিল। নগদ টাকা, সোনার গয়না মিলিয়ে সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা চুরি গিয়েছে। আগে বাড়ি ফাঁকা রেখে কোথাও গেলে থানাকে জানিয়ে যেতাম। এবারই জানানো হয়নি। একেবারে পথে গেলাম। ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগে করেছি। রবিবাবুর স্ত্রী সুমিতা সাহা বলেন, ওপরের ঘরের আলমারির লকারে শাখা, পলা, সোনার চেন, লকেট, নাকছাবি, কানের দুল ছিল। সব চুরি করা হয়েছে। খাটের তলায় বস্তাভর্তি পিতলের পুরনো দিনের জিনিসপত্র ছিল। সেটাও নেই। মেয়ে জামাই বাড়ির কাছেই থাকে। গতকাল রাত সাড়ে দশটার সময় জামাই বাড়িটা দেখে যায়। তখন সদর দরজা লাগানো ছিল। সর্বস্ব হারিয়ে এখন কী করব বুঝতে পারছি না। প্রতিবেশী সুদেষ্ণা পাত্র বলেন, কিছুদিন আগে এই পাড়ায় চুরির চেষ্টা হয়েছিল। পাড়া প্রতিবেশীদের সতর্কতায় সেবার চুরি করতে পারেনি। বাড়ি ফাঁকা রেখে গেলে চুরি হয়ে যেতে পারে। এই ঘটনায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।
বাড়ির সদস্যদের বক্তব্য, চুরির ঘটনা মাঝরাতে হয়েছে। রবি সাহা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছি। গত শুক্রবার স্ত্রীকে নিয়ে ভুবনেশ্বরে গিয়েছিলাম। মঙ্গলবার রাতে দেড়টা নাগাদ খড়্গপুরে স্টেশনে আসি। ভোরের দিকে ট্রেন ধরে বাড়ি ফিরে দেখি, সদর দরজা খোলা। তখনই বুঝতে পারি, চুরি হয়েছে। মেঝেতে তালাগুলো পড়েছিল। দোকান ঘরে ক্যাশ বাক্সে ২০ হাজার টাকা ছিল। দোতলার ঘরের আলমারির লকারে সোনার গয়না রাখা ছিল। নগদ টাকা, সোনার গয়না মিলিয়ে সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা চুরি গিয়েছে। আগে বাড়ি ফাঁকা রেখে কোথাও গেলে থানাকে জানিয়ে যেতাম। এবারই জানানো হয়নি। একেবারে পথে গেলাম। ঝাড়গ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগে করেছি। রবিবাবুর স্ত্রী সুমিতা সাহা বলেন, ওপরের ঘরের আলমারির লকারে শাখা, পলা, সোনার চেন, লকেট, নাকছাবি, কানের দুল ছিল। সব চুরি করা হয়েছে। খাটের তলায় বস্তাভর্তি পিতলের পুরনো দিনের জিনিসপত্র ছিল। সেটাও নেই। মেয়ে জামাই বাড়ির কাছেই থাকে। গতকাল রাত সাড়ে দশটার সময় জামাই বাড়িটা দেখে যায়। তখন সদর দরজা লাগানো ছিল। সর্বস্ব হারিয়ে এখন কী করব বুঝতে পারছি না। প্রতিবেশী সুদেষ্ণা পাত্র বলেন, কিছুদিন আগে এই পাড়ায় চুরির চেষ্টা হয়েছিল। পাড়া প্রতিবেশীদের সতর্কতায় সেবার চুরি করতে পারেনি। বাড়ি ফাঁকা রেখে গেলে চুরি হয়ে যেতে পারে। এই ঘটনায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।



