নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: বসন্ত এসে গেছে। ঝাড়গ্রামে সদ্য ফোটা শিমুল ফুল সেই বার্তা জানান দিচ্ছে। প্রকৃতি নতুন সাজে সেজে উঠেছে। বসন্ত উৎসবে জেলায় পর্যটকের ঢল নামার আশা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। বসন্ত উৎসব উপলক্ষ্যে ঝাড়গ্রাম ও চিল্কিগড় হেরিটেজ হোটেলের অধিকাংশ রুমের বুকিং হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত কর্মী না থাকায় হোটেল, রিসর্ট মালিকরা সমস্যায় পড়েছেন। কর্মীর জোগান বাড়াতে ধারাবাহিক জব ড্রাইভ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। ঝাড়গ্রাম হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ঝাড়গ্রাম কর্ম বিনিয়োগ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে ‘জব ড্রাইভ’-এর। স্থানীয় কর্মপ্রার্থীদেরই এই জব ড্রাইভে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
রবিবার জেলা কর্ম বিনিয়োগ দপ্তরে ‘জব ড্রাইভ’-এ জেলার ১৫ জন যুবক যুবতীকে বিভিন্ন পর্যটন সংস্থা ও হোটেল, লজে ট্রেনি হিসেবে নিয়োগ করা হয়। এটি ছিল দ্বিতীয় দফা। এর আগে প্রথম দফায় নিয়োগ করা হয়েছিল ৮ জনকে। ধারাবাহিক জব ড্রাইভের মাধ্যমে পর্যটন শিল্পে জেলার যুবক ও যুবতীদের নিয়োগ চলবে।
ঝাড়গ্রাম জেলা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, শীতের মরশুমে বহু পর্যটক ঝাড়গ্রামে এসেছিলেন। সেই সময়ে হোটেল, রিসর্ট মালিকরা পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে সমস্যায় পড়েছিলেন। সমস্যা সমাধান এরপরেই কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জেলার কর্ম বিনিয়োগ দপ্তর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। দু’ দফায় জব ড্রাইভ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় কুড়ি বাইশ জন ট্রেনি নিয়োগ করা হয়েছে। জেলার যুবক যুবতীরাই অগ্ৰাধিকার পাচ্ছেন। বেলপাহাড়ী ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিধান দেবনাথ বলেন, বসন্ত উৎসবে প্রচুর পর্যটক বেলপাহাড়ীতে আসবেন। এবার শীতে ভালো ব্যবসা হয়েছে। উৎসবের আগে যতটা বেশি সম্ভব কর্মী নিয়োগ করতে চাইছি। মানিকপাড়া হোম স্টের মালিক সুব্রত ঘোষ বলেন, বসন্তে আমাদের জেলায় প্রধান আকর্ষণ হলুদ শিমুল ফুল। এত হলুদ শিমুল ফুল অন্য জেলায় দেখা যায় না। পর্যটকরা বসন্ত উৎসব এই জেলায় ভিড় করেন। হোম স্টে চালানোর জন্য ম্যানেজার, রিসেপশনিস্ট, রাঁধুনি সহ নানা ধরনের কর্মীর প্রয়োজন হয়। স্থানীয় ছেলেমেয়েদের আমরা সেইসব পদে নিয়োগ করছি। জেলা পর্যটন দপ্তরের আধিকারিকর অরুনাভ দত্ত বলেন, জেলার যুবক যুবতীদের কর্ম সংস্থানের লক্ষ্যে জব ড্রাইভ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পর্যটনক্ষেত্রে জেলার যুবক যুবতীদের কর্ম সংস্থান হচ্ছে।
ঝাড়গ্রাম জেলা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, শীতের মরশুমে বহু পর্যটক ঝাড়গ্রামে এসেছিলেন। সেই সময়ে হোটেল, রিসর্ট মালিকরা পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে সমস্যায় পড়েছিলেন। সমস্যা সমাধান এরপরেই কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জেলার কর্ম বিনিয়োগ দপ্তর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। দু’ দফায় জব ড্রাইভ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় কুড়ি বাইশ জন ট্রেনি নিয়োগ করা হয়েছে। জেলার যুবক যুবতীরাই অগ্ৰাধিকার পাচ্ছেন। বেলপাহাড়ী ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিধান দেবনাথ বলেন, বসন্ত উৎসবে প্রচুর পর্যটক বেলপাহাড়ীতে আসবেন। এবার শীতে ভালো ব্যবসা হয়েছে। উৎসবের আগে যতটা বেশি সম্ভব কর্মী নিয়োগ করতে চাইছি। মানিকপাড়া হোম স্টের মালিক সুব্রত ঘোষ বলেন, বসন্তে আমাদের জেলায় প্রধান আকর্ষণ হলুদ শিমুল ফুল। এত হলুদ শিমুল ফুল অন্য জেলায় দেখা যায় না। পর্যটকরা বসন্ত উৎসব এই জেলায় ভিড় করেন। হোম স্টে চালানোর জন্য ম্যানেজার, রিসেপশনিস্ট, রাঁধুনি সহ নানা ধরনের কর্মীর প্রয়োজন হয়। স্থানীয় ছেলেমেয়েদের আমরা সেইসব পদে নিয়োগ করছি। জেলা পর্যটন দপ্তরের আধিকারিকর অরুনাভ দত্ত বলেন, জেলার যুবক যুবতীদের কর্ম সংস্থানের লক্ষ্যে জব ড্রাইভ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পর্যটনক্ষেত্রে জেলার যুবক যুবতীদের কর্ম সংস্থান হচ্ছে।



