Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঝাড়গ্রামে পর্যটকদের থাকার জন্য এবার  অতিথিশালা গড়ে তুলল রামকৃষ্ণ মিশন

ঝাড়গ্রামে পর্যটকদের থাকার জন্য এবার  অতিথিশালা গড়ে তুলল রামকৃষ্ণ মিশন
  • ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামে বেড়াতে আসা পর্যটকরা এবার রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের অতিথিশালায় থাকতে পারবেন। আশ্রম চত্বরে ‘মা সারদা ভক্তনিবাস’ গড়ে তোলা হয়েছে। অতিথি নিবাসের ঘরগুলি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত। ডবল বেডের রুমে একদিনে থাকাও খাওয়ার খরচ ১৫০০ টাকা। আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে বেড়াতে আসা পর্যটকরা এখানে থাকতে পারবেন। 
Advertisement
ঝাড়গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশনের উদ্যোগে জেলাজুড়ে নানা সেবামূলক কাজ চলছে। ঠাকুর রামকৃষ্ণ -বিবেকানন্দের ভাবধারা জেলার সকল স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। রাজ্য সরকার ২০১৬ সালে সত্যবানপল্লি এলাকায় আদিবাসী পড়ুয়াদের জন্য সরকারি একলব্য আবাসিক স্কুলটি পরিচালনার ভার মিশনের হাতে তুলে দিয়েছে। স্কুলের পাশে রাজ্য সরকারের দান করা ৫ একর জমিতে ঝাড়গ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম গড়ে উঠেছে। আশ্রম চত্বরে শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দির ও সন্ন্যাসী আবাসন রয়েছে। আশ্রম চত্বরের ভিতরেই অতিথি নিবাসটি গড়ে তোলা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সারা বছর ধরে ঠাকুর রামকৃষ্ণ ও মা সারদার ভক্তপাণ মানুষ আশ্রমের বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে আসেন। মূলত এইসব ভক্তের জন্য অতিথিশালা গড়ে তোলা হয়েছে। যেসব পর্যটক এই জেলায় বেড়াতে আসেন, তাঁরাও এখানে থাকার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে আশ্রমের নির্দিষ্ট নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে। 
তিনতলার এই অতিথিশালায় থাকার জন্য ১০টি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত রুম আছে। অতিথি নিবাসে ২০ জনের থাকার ব্যাবস্থা রয়েছে। একটি রুমে দু’জনের  থাকার ব্যবস্থা আছে। মিশনের ঝাড়গ্ৰাম শাখার সম্পাদক স্বামী বেদপুরুষানন্দ এদিন বলেন, সারা দেশে রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন শাখায় অতিথি নিবাস রয়েছে। ঝাড়গ্রামেও এবার তা গড়ে তোলা হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে সর্বসাধারণের জন্য এই অতিথিশালা খুলে দেওয়া হবে। আগাম বুকিং করতে হবে। আবেদনে রেফারেন্স উল্লেখ করতে হবে। এই অতিথিশালায় থাকতে গেলে আশ্রমের নিয়মাবলি মেনে চলতে হবে। ধর্মপ্রাণ মানুষদের থাকার ক্ষেত্রে অগ্ৰাধিকার দেওয়া হবে। 
সম্পর্কিত সংবাদ