নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রাম শহরে ফাঁকা বাড়িতে চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটছে। এবার রাস্তায় রাখা টোটো, বাইকও উধাও হয়ে যাচ্ছে। ব্যাটারি, চাকা ও অন্য যন্ত্রাংশ খুলে নেওয়া হচ্ছে। চোরেদের নজর থেকে বাদ যাচ্ছে না বাড়ির গোরু-ছাগলও। শহরে চুরির ঘটনা বাড়তে থাকায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
Advertisement
ঝাড়গ্রাম শহরে দেড়মাসে ১০টি টোটো চুরি হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাটারি ও ইঞ্জিনের দামি যন্ত্রাংশ খুলে নেওয়া হচ্ছে। তারপর সেই টোটো দূরে ফাঁকা জায়গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। বাইক চুরিও হচ্ছে। চোরদের মূল লক্ষ্য, টোটোর ব্যাটারি ও বাইকের দামি যন্ত্রাংশ, চাকা চুরি করা। এই পরিস্থিতিতে টোটো চালকরা সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে রয়েছেন। টোটোর চারটি ব্যাটারির দাম ৩৮হাজার টাকা। ব্যাটারি কিনতে অনেকেই ঋণ করেছেন। টোটো চালিয়ে সেই ঋণ শোধ করতে হচ্ছে। ব্যাটারি চুরি হলে নতুন করে কেনার সামর্থ্য অনেক টোটো চালকেরই নেই। টোটো ইউনিয়নের তরফেও পুলিসকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
টোটো চালকদের অনেকেই জায়গার অভাবে বাড়ির সামনের রাস্তায় টোটো রাখেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেখানে টোটো রেখে তাঁরা নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারছেন না। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। এলাকায় পুলিসের মোবাইল ভ্যান দিনরাত নজরদারি চালায়। তারপরও কীভাবে চুরির ঘটনা ঘটছে-তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঝাড়গ্রাম শহর টোটো ইউনিয়নের সেক্রেটারি বিশ্বনাথ রায় বলেন, দেড়মাসে শহরে ১০টি টোটো চুরি হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টোটোর ব্যাটারি চুরি করা হয়েছে। কিছু টোটো থেকে যন্ত্রাংশও চুরি গিয়েছে। চুরির ঘটনা ঘটলেই থানায় জানানো হচ্ছে। কিন্তু এখনও অবধি টোটো চুরি থামার কোনও লক্ষণ নেই।
টোটো চালক চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাতে বাড়ির সামনের রাস্তায় আমার টোটো রাখা ছিল। সকালে দেখি, টোটোটি নেই। পরে খুঁজে পেলেও দেখি, ব্যাটারিটি চুরি গিয়েছে। বাছুরডোবার বাসিন্দা কবি ঘোষ বলেন, বুধবার রাতে বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে আমার টোটো চুরি হয়েছে। পরদিন রাধানগর এলাকায় টোটোটি পাই। ব্যাটারি ও যন্ত্রাংশ কিছুই ছিল না। থানায় অভিযোগ করেছি। কিন্তু এখন নতুন করে ব্যাটারি কেনার সামর্থ্য নেই।
শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা উজ্জ্বল রায় বলেন, কিছুদিন আগে বাড়ির সামনে থেকে আমার বাইক চুরি গিয়েছিল। পরদিন শহরের কর্মতীর্থ ভবন লাগোয়া জঙ্গলে বাইকটা পাই। দু’একটা যন্ত্রাংশ খুলে নেওয়া হয়েছিল। কদমকাননের বাসিন্দা মিনতি রায় বলেন, একসপ্তাহ আগে বারান্দা থেকে আমার ছাগল চুরি যায়। এলাকার অনেকের গোরু, ছাগল চুরি যাচ্ছে। ঝাড়গ্রাম থানার পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি দুষ্কৃতীদের ধরা হবে।
টোটো চালকদের অনেকেই জায়গার অভাবে বাড়ির সামনের রাস্তায় টোটো রাখেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেখানে টোটো রেখে তাঁরা নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারছেন না। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। এলাকায় পুলিসের মোবাইল ভ্যান দিনরাত নজরদারি চালায়। তারপরও কীভাবে চুরির ঘটনা ঘটছে-তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঝাড়গ্রাম শহর টোটো ইউনিয়নের সেক্রেটারি বিশ্বনাথ রায় বলেন, দেড়মাসে শহরে ১০টি টোটো চুরি হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টোটোর ব্যাটারি চুরি করা হয়েছে। কিছু টোটো থেকে যন্ত্রাংশও চুরি গিয়েছে। চুরির ঘটনা ঘটলেই থানায় জানানো হচ্ছে। কিন্তু এখনও অবধি টোটো চুরি থামার কোনও লক্ষণ নেই।
টোটো চালক চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাতে বাড়ির সামনের রাস্তায় আমার টোটো রাখা ছিল। সকালে দেখি, টোটোটি নেই। পরে খুঁজে পেলেও দেখি, ব্যাটারিটি চুরি গিয়েছে। বাছুরডোবার বাসিন্দা কবি ঘোষ বলেন, বুধবার রাতে বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে আমার টোটো চুরি হয়েছে। পরদিন রাধানগর এলাকায় টোটোটি পাই। ব্যাটারি ও যন্ত্রাংশ কিছুই ছিল না। থানায় অভিযোগ করেছি। কিন্তু এখন নতুন করে ব্যাটারি কেনার সামর্থ্য নেই।
শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা উজ্জ্বল রায় বলেন, কিছুদিন আগে বাড়ির সামনে থেকে আমার বাইক চুরি গিয়েছিল। পরদিন শহরের কর্মতীর্থ ভবন লাগোয়া জঙ্গলে বাইকটা পাই। দু’একটা যন্ত্রাংশ খুলে নেওয়া হয়েছিল। কদমকাননের বাসিন্দা মিনতি রায় বলেন, একসপ্তাহ আগে বারান্দা থেকে আমার ছাগল চুরি যায়। এলাকার অনেকের গোরু, ছাগল চুরি যাচ্ছে। ঝাড়গ্রাম থানার পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি দুষ্কৃতীদের ধরা হবে।



