নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামে ছিনতাইবাজদের দৌরাত্ম্যে আতঙ্ক বাড়ছিল। টার্গেট করা হচ্ছিল বয়স্ক মহিলাদের। গত বৃহস্পতিবার রাতে গোপীবল্লভপুর থানা এলাকার ভাতহাঁড়িয়া থেকে ওই ছিনতাই চক্রের দুই পান্ডা সোমদত্ত নায়েক ও রাজেশ শ্যামলকে গ্ৰেপ্তার করা হয়েছে। দু'জনের বাড়ি ঝাড়খণ্ড রাজ্যে। শুক্রবার তাদের ঝাড়গ্রাম জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক দু'জনের চোদ্দ দিনের জেল হেফাজত মঞ্জুর করেন।
Advertisement
জেলা পুলিস ছিনতাইবাজ চক্রের হদিস পেতে তদন্ত টিম গঠন করেছিল। টিমের সদস্যরা গত তিনমাস ধরে দলটির সন্ধান চালিয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে দুই পান্ডাকে ধরে। তারা ঝাড়খণ্ড থেকে ঝাড়গ্ৰামে এসে ছিনতাই করত। ছিনতাই করার পর নিজের রাজ্যে ফিরে যেত। জেলা পুলিস সেই কারণে চক্রটির হদিস পাচ্ছিল না। চক্রটির সন্ধান পেতে গোপীবল্লভপুর থানার পুলিস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। গোপীবল্লভপুরের সমাধি পাড়া এলাকায় গত আগস্ট মাসে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। প্রাতঃভ্রমণে বের হওয়া এক বয়স্কা মহিলার গলা থেকে সোনার হার ছিনতাই হয়।
ঘটনাস্থল থেকে সন্দেহভাজন বাইক আরোহী দুই যুবকের ছবি পুলিসের হাতে আসে। ঝাড়গ্রাম শহরেও কিছুদিন আগে পরপর দু’টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। দু’টি ক্ষেত্রেই বয়স্ক মহিলাদের টার্গেট করা হয়েছিল। পুলিস এরপরেই তদন্তের গতি বাড়ায়। তদন্তকারী দলের সদস্যরা জানতে পারেন, একটাই চক্র ঝাড়খণ্ড ও ঝাড়গ্রামে ছিনতাই করে বেড়াচ্ছে। চক্রের দুই পান্ডার ঝাড়গ্রাম ঢোকার খবর পেতেই পুলিস জাল পেতছিল। তদন্তকারী দলের এক অফিসার বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় বাইক আরোহীদের নাম বারবার সামনে আসছিল। ছিনতাইয়ের সময়ে এরা মুখে মাস্ক পরে থাকত। গত বৃহস্পতিবার দুই পান্ডার ঝাড়গ্রামে ঢোকার খবর আসে। চক্রটিকে ধরার জন্য পুলিস আগে থেকেই প্রস্তত ছিল। রাতে ভাতহাঁড়িয়া এলাকা থেকে দু’জনকে গ্ৰেপ্তার করা হয়। পুরসভার রঘুনাথপুর এলাকার বাসিন্দা পার্থ ভট্টাচার্য বলেন, এলাকায় বয়স্ক মহিলার গলার হার ছিনতাইয়ের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। ঘোড়ধরা সংলগ্ন এলাকায় একইভাবে ছিনতাইয়ের আর একটি ঘটনা ঘটে। পর পর ছিনতাইয়ের ঘটনায় মহিলারা ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছিলেন। পুলিস চক্রটিকে ধরেছে জেনে স্বস্তি পেলাম।
ঘটনাস্থল থেকে সন্দেহভাজন বাইক আরোহী দুই যুবকের ছবি পুলিসের হাতে আসে। ঝাড়গ্রাম শহরেও কিছুদিন আগে পরপর দু’টি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। দু’টি ক্ষেত্রেই বয়স্ক মহিলাদের টার্গেট করা হয়েছিল। পুলিস এরপরেই তদন্তের গতি বাড়ায়। তদন্তকারী দলের সদস্যরা জানতে পারেন, একটাই চক্র ঝাড়খণ্ড ও ঝাড়গ্রামে ছিনতাই করে বেড়াচ্ছে। চক্রের দুই পান্ডার ঝাড়গ্রাম ঢোকার খবর পেতেই পুলিস জাল পেতছিল। তদন্তকারী দলের এক অফিসার বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় বাইক আরোহীদের নাম বারবার সামনে আসছিল। ছিনতাইয়ের সময়ে এরা মুখে মাস্ক পরে থাকত। গত বৃহস্পতিবার দুই পান্ডার ঝাড়গ্রামে ঢোকার খবর আসে। চক্রটিকে ধরার জন্য পুলিস আগে থেকেই প্রস্তত ছিল। রাতে ভাতহাঁড়িয়া এলাকা থেকে দু’জনকে গ্ৰেপ্তার করা হয়। পুরসভার রঘুনাথপুর এলাকার বাসিন্দা পার্থ ভট্টাচার্য বলেন, এলাকায় বয়স্ক মহিলার গলার হার ছিনতাইয়ের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছিল। ঘোড়ধরা সংলগ্ন এলাকায় একইভাবে ছিনতাইয়ের আর একটি ঘটনা ঘটে। পর পর ছিনতাইয়ের ঘটনায় মহিলারা ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছিলেন। পুলিস চক্রটিকে ধরেছে জেনে স্বস্তি পেলাম।



