নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রাম জেলার দুঃস্থ ও বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের মধ্যে শিক্ষার প্রসারে উদ্যোগী রাজ্য সরকার। ‘সহানুভূতি’ স্কলারশিপে নবম শ্রেণি থেকে পিএইচডি অবধি এই পড়ুয়ারা বছরে ন’হাজার থেকে শুরু করে তিন লক্ষ অবধি টাকা পাচ্ছে। জেলার জনশিক্ষা প্রসার দপ্তর এই উদ্যোগ নিয়েছে।
Advertisement
জেলার জনশিক্ষা প্রসার আধিকারিক(হেড কোয়ার্টার) অসিতকুমার হালদার বলেন, জেলায় সদ্য জনশিক্ষা প্রসার দপ্তর খোলা হয়েছে। এতদিন পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে দপ্তরের কাজকর্ম পরিচালিত হতো। ঝাড়গ্রামে অফিস খোলায় কাজের গতি বেড়েছে।জেলার কালেক্টরেট ভবনে সদ্য জনশিক্ষা প্রসার দপ্তর খোলা হয়েছে। প্রতিটি ব্লকে দায়িত্বপ্রাপ্ত জনশিক্ষা প্রসার আধিকারিকরা প্রকল্পটি নিয়ে প্রচার করছেন। জেলায় বিশেষভাবে সক্ষম ২৬জন পড়ুয়া ২০২৩-’২৪ অর্থবর্ষে স্কলারশিপের টাকা পেয়েছিল। চলতি অর্থবর্ষে ৪৩ জন আবেদন করেছে। এই স্কলারশিপ প্রকল্পে বিশেষভাবে সক্ষম নবম-দশম শ্রেণির পড়ুয়ারা প্রতি মাসে ৩০০টাকা পায়। আবাসিক থাকা পড়ুয়ারা ৫০০টাকা করে পায়। রিডার অ্যালাওয়েন্সের জন্য মাসে ২০০টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া, বইপত্র ও শিক্ষা-সংক্রান্ত অন্য খরচের জন্য বছরে দু’হাজার টাকা দেওয়া হয়। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের প্রতি মাসে ৪০০টাকা, আবাসিক থেকে পড়াশোনা করলে ৬০০ টাকা দেওয়া হয়। রিডার অ্যালাওয়েন্সের জন্য মেলে ২৫০টাকা। বইপত্র ও আনুষঙ্গিক খরচের জন্য বছরে দু’হাজার টাকা মেলে। স্নাতক ও ডিপ্লোমা কোর্সের জন্য বর্ধিত হারে টাকা দেওয়া হয়। কলা ও বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ টাকার পরিমাণ আলাদা। এম.ফিল করা পড়ুয়ারা মাসে ১০হাজার টাকা পান। আবাসিক পড়ুয়াদের ১১হাজার টাকা দেওয়া হয়। রিডার অ্যালাওয়েন্সের জন্য মাসে একহাজার টাকা দেওয়া হয়। পিএইচডি পড়ুয়ারা প্রতি মাসে ২৫হাজার টাকা পান। আবাসিক পড়ুয়াদের ২৬হাজার টাকা দেওয়া হয়। রিডার অ্যালাওয়েন্স মাসে দু’হাজার টাকা। বইপত্র কেনার জন্য বছরে দু’হাজার টাকা দেওয়া হয়।
জেলার জনশিক্ষা প্রসার দপ্তরের অপর এক আধিকারিক তপু বসু বলেন, দপ্তরের কাজকর্ম জেলার শিক্ষার সার্বিক ছবিটা বদলে দিয়েছে। দুঃস্থ, অনাথ ও বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের শিক্ষার আওতায় আনার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ব্লকের আধিকারিকরা ‘সহানুভূতি’ স্কলারশিপ নিয়ে প্রত্যন্ত এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন।
জেলার জনশিক্ষা প্রসার দপ্তরের অপর এক আধিকারিক তপু বসু বলেন, দপ্তরের কাজকর্ম জেলার শিক্ষার সার্বিক ছবিটা বদলে দিয়েছে। দুঃস্থ, অনাথ ও বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের শিক্ষার আওতায় আনার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। ব্লকের আধিকারিকরা ‘সহানুভূতি’ স্কলারশিপ নিয়ে প্রত্যন্ত এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন।



