সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলা শহর ও তার আশপাশের এলাকায় বহিরাগতদের ভিড় বাড়ছে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা লোকজন এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এদের কেউ কেউ বিভিন্ন ‘স্বেচ্ছাসেবী’ সংগঠনের নামে বাড়ি বাড়ি টাকা তুলছে। অনেকে শহরের প্রান্তিক এলাকায় ভাড়াবাড়িতে থেকে নানা ব্যবসা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। কেউ কেউ আবার চুপিসাড়ে বাড়ির উঠোনে ঢুকে পরিত্যক্ত জিনিস নিয়ে চম্পট দিচ্ছে। এদের বেশিরভাগই হিন্দিভাষী। বহিরাগতদের দাপাদাপি শহরবাসীকে অস্বস্তিতে রেখেছে। তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তবে এই নিয়ে পুলিসের কাছে কেউ অভিযোগ জানায়নি।
Advertisement
জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার (অপারেশন) গোলাম সারোয়ার বলেন, নির্দিষ্ট কোনও ঘটনা ঘটলে পুলিসকে জানান। পুলিস যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। জেলা পুলিসের পোর্টালে আমরা সাধারণ মানুষকে বার বার সচেতন করছি যে, বাড়িতে ভাড়াটে রাখলে তাদের পরিচয়পত্র পুলিসের কাছে জমা দিন। অপরিচিত কাউকে দেখলে পুলিসে খবর দিন। সবাইকে সচেতন হতে হবে।
ঝাড়গ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান কবিতা ঘোষ বলেন, কয়েকদিন আগে ১ নম্বর ওয়ার্ডের এই ধরনের একটি ঘটনা ঘটে। নবম শ্রেণির পড়ুয়াকে ঘরে রেখে তার বাবা-মা ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন। অপরিচিতি লোক এসে দরজায় তালা দিয়ে উঠোনের জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়েছে। সরকারি নিয়ম আছে, কাউকে ভাড়া রাখলে তাদের পরিচয়পত্র থানায় জমা দিতে হবে। অনেকেই তা মানছেন না। অর্থের লোভে শহরের বিভিন্ন বাসিন্দা অচেনা অজানা মানুষকে বেআইনিভাবে ঘর ভাড়া দিচ্ছেন। এই নিয়ে আমরা মানুষকে সচেতন করব। তাও না মানলে ঘর মালিকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেব।
গোয়েন্দা পুলিসের এক অফিসার বলেন, আমাদের কাছেও এই ধরনের খবর আসছে। যদিও ঝাড়গ্রামে এই সময়ে পর্যটকদের ব্যাপক ভিড় হয়। তবে বিষয়টির উপর নজর রাখা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, গত ১৮ নভেম্বর ঝাড়গ্রাম শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মধ্যপ্রদেশ থেকে আসা একদল যুবক বাড়ি বাড়ি বিভিন্ন ‘স্বেচ্ছাসেবী’ সংগঠনের নামে টাকা তুলছে। জেলা পুলিস ও প্রশাসন সীমান্তবর্তী এলাকায় কড়া নিরাপত্তা রেখেছে। এই বহিরাগতরা রেলপথ ধরে খড়গপুর এলাকায় ডেরা বেঁধে ঝাড়গ্রাম থেকেয় টাকা আদায় করে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। শহরের এক বাসিন্দা বলেন, ওই যুবকদের বেশি কিছু জিজ্ঞাসা করলে তারা উত্তর দিতে পারেনি, পালিয়ে গিয়েছে। তাদের মুখে ও বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঝাড়গ্রামের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা বলেন, কয়েকদিন আগে দুপুরে হঠাৎ বাড়ি ফিরে দেখি অপরিচিত এক যুবক উঠোনে পরিত্যক্ত জিনিস কুড়াচ্ছে। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা ছিলেন। তাঁরা আতঙ্কে তাঁকে কিছু বলেননি। আমি জিজ্ঞেস করতেই সে ছুটে পালিয়ে যায়। ঝাড়গ্রাম শহরে রোহিঙ্গাদের মতো বহিরাগতরা এসে ভিড় বাড়িয়েছে। তাদের অনেকেরই ভোটার, কার্ড আধার কার্ড কিছুই নেই। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
ঝাড়গ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান কবিতা ঘোষ বলেন, কয়েকদিন আগে ১ নম্বর ওয়ার্ডের এই ধরনের একটি ঘটনা ঘটে। নবম শ্রেণির পড়ুয়াকে ঘরে রেখে তার বাবা-মা ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন। অপরিচিতি লোক এসে দরজায় তালা দিয়ে উঠোনের জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়েছে। সরকারি নিয়ম আছে, কাউকে ভাড়া রাখলে তাদের পরিচয়পত্র থানায় জমা দিতে হবে। অনেকেই তা মানছেন না। অর্থের লোভে শহরের বিভিন্ন বাসিন্দা অচেনা অজানা মানুষকে বেআইনিভাবে ঘর ভাড়া দিচ্ছেন। এই নিয়ে আমরা মানুষকে সচেতন করব। তাও না মানলে ঘর মালিকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেব।
গোয়েন্দা পুলিসের এক অফিসার বলেন, আমাদের কাছেও এই ধরনের খবর আসছে। যদিও ঝাড়গ্রামে এই সময়ে পর্যটকদের ব্যাপক ভিড় হয়। তবে বিষয়টির উপর নজর রাখা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, গত ১৮ নভেম্বর ঝাড়গ্রাম শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মধ্যপ্রদেশ থেকে আসা একদল যুবক বাড়ি বাড়ি বিভিন্ন ‘স্বেচ্ছাসেবী’ সংগঠনের নামে টাকা তুলছে। জেলা পুলিস ও প্রশাসন সীমান্তবর্তী এলাকায় কড়া নিরাপত্তা রেখেছে। এই বহিরাগতরা রেলপথ ধরে খড়গপুর এলাকায় ডেরা বেঁধে ঝাড়গ্রাম থেকেয় টাকা আদায় করে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ। শহরের এক বাসিন্দা বলেন, ওই যুবকদের বেশি কিছু জিজ্ঞাসা করলে তারা উত্তর দিতে পারেনি, পালিয়ে গিয়েছে। তাদের মুখে ও বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঝাড়গ্রামের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দা বলেন, কয়েকদিন আগে দুপুরে হঠাৎ বাড়ি ফিরে দেখি অপরিচিত এক যুবক উঠোনে পরিত্যক্ত জিনিস কুড়াচ্ছে। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা ছিলেন। তাঁরা আতঙ্কে তাঁকে কিছু বলেননি। আমি জিজ্ঞেস করতেই সে ছুটে পালিয়ে যায়। ঝাড়গ্রাম শহরে রোহিঙ্গাদের মতো বহিরাগতরা এসে ভিড় বাড়িয়েছে। তাদের অনেকেরই ভোটার, কার্ড আধার কার্ড কিছুই নেই। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।



