নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: জঙ্গলমহলের মানুষ এখনও তাঁদের লোকসংস্কৃতি সযত্নে ধরে রেখেছেন। বছরভর বিভিন্ন পার্বণ, গ্রামীণ উৎসবে তা প্রকাশ পায়। জেলা প্রশাসনও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি সেই লোকসংস্কৃতির সাহায্যে পর্যটক টানতে উদ্যোগী হয়েছে। প্রচুর পর্যটক ঝাড়গ্রামের নানা লোক উৎসবে ভিড় করছেন। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক সুনীল আগরওয়াল বলেন, জেলায় পর্যটন প্রসারে নানা পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
Advertisement
ঝাড়গ্রামের অন্যতম লোক উৎসব মকর, বাঁদনা, পৈড়ান, দঙ, সহরায়, হুল, বাহা প্রভৃতি। জঙ্গলমহলের এসমস্ত উৎসবে ছৌ, বাহা, ঝুমুর, টুসু নাচ হয়। এখন রাজ্য সরকারের উদ্যোগে জঙ্গলমহল উৎসব, ঝাড়গ্রাম মেলা, যুব উৎসব, শ্রাবণী মেলা, বৈশাখী মেলা, মিলন মেলা হচ্ছে। জঙ্গলমহলে বিভিন্ন প্রাচীন মন্দিরও রয়েছে। এসবই পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়িয়ে তুলছে। তার প্রমাণ পাওয়া গেল এবছর মকর পরবেই। সেদিন দূরদূরান্ত থেকে পর্যটকরা ঝাড়গ্রামে ভিড় জমিয়েছিলেন। বাঁদনা, পৈড়ানের মতো লোক উৎসবেও একই ছবি দেখা গিয়েছে।
জেলা প্রশাসন প্রাচীন ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতির মেলবন্ধনে পর্যটনের প্রসারে উদ্যোগী হয়েছে। সেজন্য ঝাড়গ্রামের গুপ্তমণি, রামেশ্বর মন্দির, কনক অরণ্যের বিভিন্ন প্রাচীন মন্দির সংস্কার করা হয়েছে। বিভিন্ন পর্যটনস্থলে রাস্তা, আলো, পানীয় জল, শৌচাগারের পরিকাঠামো গড়ে উঠেছে। সেইসঙ্গে টুসু গানের পুনরুজ্জীবনে কর্মশালা হয়েছে। ঝুমুর গান ও কুড়মালি নাটকের কর্মশালাও হয়েছে। আদিবাসী সমাজের ব্যবহৃত প্রাচীন সামগ্ৰীর সংগ্ৰহশালা গড়ে তোলা হয়েছে। বিভিন্ন লোক উৎসব ঘিরে জাঁকজমক বেড়েছে। যা দেখতে পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন।
বেলপাহাড়ী ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিধান দেবনাথ বলেন, বেলাপাহাড়ীতে শীতের মরশুমে বহু মানুষ বেড়াতে আসেন। এবারও রেকর্ড ভিড় হয়েছে। বারবার বাঘ আসায় জঙ্গলের দিকে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে পর্যটকরা প্রাচীন রাজবাড়ি, মন্দির ও লোক উৎসব দেখতে যাচ্ছেন। মকর, বাঁদনা, হুল, বাহা, দাঁশায়, লাঁগাড়ের মতো পরব দেখার আগ্ৰহ অনেক বেড়েছে।
গবেষক তিলকরঞ্জন বেরা বলেন, লোক উৎসবের আচার, গানের মধ্যে বহু প্রাচীন ইতিহাস লুকিয়ে আছে। সেকারণে গবেষকরাও জঙ্গলমহলে আসছেন। জনজাতি সমাজের উৎসব-অনুষ্ঠান নতুন ইতিহাসের দরজা খোলার চাবিকাঠি হতে পারে।
জেলা প্রশাসন প্রাচীন ইতিহাস ও লোকসংস্কৃতির মেলবন্ধনে পর্যটনের প্রসারে উদ্যোগী হয়েছে। সেজন্য ঝাড়গ্রামের গুপ্তমণি, রামেশ্বর মন্দির, কনক অরণ্যের বিভিন্ন প্রাচীন মন্দির সংস্কার করা হয়েছে। বিভিন্ন পর্যটনস্থলে রাস্তা, আলো, পানীয় জল, শৌচাগারের পরিকাঠামো গড়ে উঠেছে। সেইসঙ্গে টুসু গানের পুনরুজ্জীবনে কর্মশালা হয়েছে। ঝুমুর গান ও কুড়মালি নাটকের কর্মশালাও হয়েছে। আদিবাসী সমাজের ব্যবহৃত প্রাচীন সামগ্ৰীর সংগ্ৰহশালা গড়ে তোলা হয়েছে। বিভিন্ন লোক উৎসব ঘিরে জাঁকজমক বেড়েছে। যা দেখতে পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন।
বেলপাহাড়ী ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র বিধান দেবনাথ বলেন, বেলাপাহাড়ীতে শীতের মরশুমে বহু মানুষ বেড়াতে আসেন। এবারও রেকর্ড ভিড় হয়েছে। বারবার বাঘ আসায় জঙ্গলের দিকে যাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে পর্যটকরা প্রাচীন রাজবাড়ি, মন্দির ও লোক উৎসব দেখতে যাচ্ছেন। মকর, বাঁদনা, হুল, বাহা, দাঁশায়, লাঁগাড়ের মতো পরব দেখার আগ্ৰহ অনেক বেড়েছে।
গবেষক তিলকরঞ্জন বেরা বলেন, লোক উৎসবের আচার, গানের মধ্যে বহু প্রাচীন ইতিহাস লুকিয়ে আছে। সেকারণে গবেষকরাও জঙ্গলমহলে আসছেন। জনজাতি সমাজের উৎসব-অনুষ্ঠান নতুন ইতিহাসের দরজা খোলার চাবিকাঠি হতে পারে।



