সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: জেলার ১০০ শতাংশ টিবি আক্রান্ত রোগীদের ‘নিক্ষয় মিত্র’ প্রকল্পের আওতায় এনেছে ঝাড়গ্রাম জেলা। গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই জেলার ১৮০০জন টিবি আক্রান্ত রোগীকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে বলে জেলা স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।
Advertisement
জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভুবনচন্দ্র হাঁসদা বলেন, এই প্রকল্পটি হল আসলে টিবি রোগীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করা। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার অন্যান্য অনেকগুলি কারণের মধ্যে অন্যতম হল অপুষ্টি। যেকোনও এনজিও, কর্পোরেট হাউস, ইন্ডাস্ট্রি সহ যে কেউ ব্যক্তিগতভাবেও এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে। টিবি রোগীদের সঙ্গে বন্ধুত্ব স্থাপন করে তাঁদের পুষ্টিযুক্ত খাবার প্রদান সহ বিভিন্নভাবে সাহায্য করতে পারেন। তবে গত ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই আমাদের জেলায় ১০০ শতাংশ টিবি আক্রান্ত রোগীদের এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। সেই রিপোর্ট রাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিক্ষয় মিত্র প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল দেশ থেকে টিবি রোগ নির্মূল করা। আগে টিভি আক্রান্ত প্রত্যেক রোগীকে ছ’মাস মাসিক ৫০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা সরকার থেকে দেওয়া হতো। যাতে তাঁরা পুষ্টিকর খাবার কিনে খেতে পারেন। সম্প্রতি ২ মাসে ১ হাজার টাকা করে তিনটি ধাপে ৩০০০ টাকা দেওয়া হয়। নিক্ষয় মিত্র প্রকল্পের আওতায় এসে এখন এই রোগীরা ডাল, সয়াবিন, ডিম, ছোলা ও ছাতু এই সমস্ত পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছেন। লালগড় এলাকার টিবি আক্রান্ত ২০০জনের পুষ্টিকর খাবারের দায়িত্বভার তুলে নিয়েছেন বিনপুর গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিএমওএইচ জয়ন্ত মাহাত। এই হাসপাতালের সমস্ত চিকিৎসক, নার্স, অন্যান্য কর্মীরা তাঁদের নিজেদের অর্থে আগামী ৬ মাস রোগীদের এই পুষ্টিকর খাদ্য প্রদান করবেন।
বিগত তিন-চার বছরের মধ্যে ঝাড়গ্রাম জেলায় টিবি সংক্রমণের রোগীর সংখ্যা খানিকটা কমেছে। কমেছে টিবি আক্রান্ত মৃত্যুর সংখ্যা। ২০২১- ’২২ সালে এই জেলায় টিবি আক্রান্তের মৃত্যুর হার ছিল ৮ শতাংশ। গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই মৃত্যুর হার কমে দাঁড়িয়েছে ৩.৭ শতাংশ। এই নিয়ে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভুবনচন্দ্র হাঁসদা আরও বলেন, টিবি রোগীদের জন্য চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি ঘটেছে। ফলে মৃত্যুর হার অনেকটাই কমেছে। তাদের অনেকেই দত্তক নিয়ে বিভিন্নভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে আসছেন। ফলে আমরা জেলায় ১০০ শতাংশ রোগীকে এই প্রকল্পের আওতায় আনতে পেরেছি। এক্ষেত্রে ঝাড়গ্রাম জেলা গোটা রাজ্যের মধ্যে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।
বিগত তিন-চার বছরের মধ্যে ঝাড়গ্রাম জেলায় টিবি সংক্রমণের রোগীর সংখ্যা খানিকটা কমেছে। কমেছে টিবি আক্রান্ত মৃত্যুর সংখ্যা। ২০২১- ’২২ সালে এই জেলায় টিবি আক্রান্তের মৃত্যুর হার ছিল ৮ শতাংশ। গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই মৃত্যুর হার কমে দাঁড়িয়েছে ৩.৭ শতাংশ। এই নিয়ে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভুবনচন্দ্র হাঁসদা আরও বলেন, টিবি রোগীদের জন্য চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি ঘটেছে। ফলে মৃত্যুর হার অনেকটাই কমেছে। তাদের অনেকেই দত্তক নিয়ে বিভিন্নভাবে সাহায্য করতে এগিয়ে আসছেন। ফলে আমরা জেলায় ১০০ শতাংশ রোগীকে এই প্রকল্পের আওতায় আনতে পেরেছি। এক্ষেত্রে ঝাড়গ্রাম জেলা গোটা রাজ্যের মধ্যে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।



