সংবাদদাতা, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম জেলা শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তার পাশে ফেলে দেওয়া হচ্ছে আবর্জনা। যার ফলে দূষণ ছড়াচ্ছে এলাকায়। এই নিয়ে বারবার পুর এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করলেও কেউ কোনও ভ্রুক্ষেপ করেনি। একপ্রকার বাধ্য হয়ে এবার বিভিন্ন ওয়ার্ড এলাকায় এই নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে ঝাড়গ্রাম পুরসভা। প্রশাসনিকস্তরে এই নিয়ে এক প্রস্তর আলোচনা হয়েছে। আবর্জনা ফেলার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ‘ফাইন’ করা যায় কি না তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানান ঝাড়গ্রাম পুরসভার চেয়ারম্যান কবিতা ঘোষ।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ঝাড়গ্রাম শহরের ১৮টি ওয়ার্ডেই আবর্জনা সংগ্রহের জন্য পুরসভা থেকে কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। রোজ তারা আবর্জনা ও পরিত্যক্ত জিনিস সংগ্রহ করে পুরসভার নির্দিষ্ট ভরতপুর এলাকায় জড়ো করে দেন। এরজন্য অবশ্য প্রতিটি পরিবারকে মাসে ৩০ টাকা করে পুরসভাকে দিতে হয়। প্রশ্ন উঠেছে আবর্জনা সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট ডাম্পিং রাউন্ডে জমা করলে বিপুল পরিমাণে আবর্জনা বিভিন্ন রাস্তার পাশে জমা হচ্ছে কি করে? কেননা ঝাড়গ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অদূরে পিএইচই দপ্তরের পাশে রাস্তার ধারে স্তুপ আকারে পড়ে রয়েছে আবর্জনা। সেই নোংরা আবর্জনা থেকে হাসপাতাল চত্বর এলাকায় দূষণ ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ।
এই নিয়ে ঝাড়গ্রাম পুরসভার এক প্রবীণ বলেন, এখানে আবর্জনা-নোংরা সংগ্রহের পরিকাঠামোর উন্নতি প্রয়োজন। বিভিন্ন ওয়ার্ডের ড্রেন ও বাড়ি থেকে নোংরা সংগ্রহ করে এক জায়গায় জড়ো করা হয়। সেখান থেকে নোংরা আবর্জনা ডাম্পিং গ্রাউন্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি মাত্র গাড়ি রয়েছে। সেই গাড়ি সমস্ত নোংরা নিয়ে যেতে বিলম্ব করলে সেই নোংরা কুকুর, গোরু টেনে হিঁচড়ে আবার এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয়। এই সমস্যার সমাধান করলেই শহর আবর্জনা মুক্ত হবে।
এই নিয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান কবিতা ঘোষ আরও বলেন, সরকারের থেকে ডাম্পিং গ্রাউন্ড দেখভালের জন্য এজেন্সিকে দেওয়া হয়েছিল। এবার পুনরায় একটি নতুন এজেন্সি সেখানে আসবে। সেখানে বিল্ডিং তৈরি হবে। আবর্জনা ও নোংরা থেকে জৈব সার ও প্লাস্টিক আলাদা করে অন্যান্য ব্যবহারিক জিনিস তৈরি হবে। সে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে পুরসভার নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। যাতে শহর পরিষ্কার থাকে, সেদিকে সবাইকেই নজর দিতে হবে। কেননা প্রত্যেক ওয়ার্ডে তা দেখভাল করার জন্য আমাদের পুরসভায় ওতো লোক নেই।
এই নিয়ে ঝাড়গ্রাম পুরসভার এক প্রবীণ বলেন, এখানে আবর্জনা-নোংরা সংগ্রহের পরিকাঠামোর উন্নতি প্রয়োজন। বিভিন্ন ওয়ার্ডের ড্রেন ও বাড়ি থেকে নোংরা সংগ্রহ করে এক জায়গায় জড়ো করা হয়। সেখান থেকে নোংরা আবর্জনা ডাম্পিং গ্রাউন্ডে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি মাত্র গাড়ি রয়েছে। সেই গাড়ি সমস্ত নোংরা নিয়ে যেতে বিলম্ব করলে সেই নোংরা কুকুর, গোরু টেনে হিঁচড়ে আবার এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয়। এই সমস্যার সমাধান করলেই শহর আবর্জনা মুক্ত হবে।
এই নিয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান কবিতা ঘোষ আরও বলেন, সরকারের থেকে ডাম্পিং গ্রাউন্ড দেখভালের জন্য এজেন্সিকে দেওয়া হয়েছিল। এবার পুনরায় একটি নতুন এজেন্সি সেখানে আসবে। সেখানে বিল্ডিং তৈরি হবে। আবর্জনা ও নোংরা থেকে জৈব সার ও প্লাস্টিক আলাদা করে অন্যান্য ব্যবহারিক জিনিস তৈরি হবে। সে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে পুরসভার নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। যাতে শহর পরিষ্কার থাকে, সেদিকে সবাইকেই নজর দিতে হবে। কেননা প্রত্যেক ওয়ার্ডে তা দেখভাল করার জন্য আমাদের পুরসভায় ওতো লোক নেই।



