নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রাম স্টেশনকে অমৃত ভারত রেল স্টেশনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে রেল স্টেশন লাগোয়া রেলওয়ে মার্কেটে শতাধিক দোকান রয়েছে। রেলকে ভাড়া দিয়ে দোকানিরা ব্যবসা করেন। পুনর্বাসন ছাড়াই মার্কেটের ৩১ জন ব্যবসায়ীকে রেল নোটিস দিয়েছে। ৭টি দোকানকে ৩১ মার্চের মধ্যে রেলের জায়গা ছাড়ার নোটিস দেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদের নোটিসে ব্যবসায়ীরা বিপদে পড়েছেন। তৃণমূল সাংসদ কালীপদ সরেন ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবিতে সরব হয়েছেন।
Advertisement
ঝাড়গ্রাম রেলওয়ে মার্কেট শহরের অন্যতম ব্যবসা বাণিজ্যের কেন্দ্র। রেলস্টেশন চত্বর সংলগ্ন মার্কেট এলাকায় আনাজ, কাপড়, মিষ্টি , স্টেশনারি সহ ২২৬টি দোকান রয়েছে। মার্কেটের অধিকাংশ ব্যবসায়ী চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ বছর ব্যবসা করছেন। ব্যবসায়ীদের প্রতি বছর রেলকে ভাড়া দিতে হয়। কেউ এক বছর ভাড়া দিতে না পারলে পরের বছর সুদ সহ ভাড়া দিতে হয় বলে ব্যবসায়ীদের দাবি। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদের নোটিস ধরানোয় ব্যবসায়ীরা সঙ্কটে পড়েছেন। সাতজন ব্যবসায়ীকে ৩১ মার্চের মধ্যে জায়গা ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। নোটিস পাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ব্যবসায়ী দিলীপ কর বলেন, এক সপ্তাহ আগে নোটিস পেয়েছি। মার্কেটের ২২৬টি দোকানদারের মধ্যে ৩১ জনকে নোটিস ধরানো হয়েছে। রেলকে ভাড়া দিয়ে রেলের অনুমোদনে গত চল্লিশ বছর ধরে এই জায়গায় ব্যবসা করছি। রেল দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে সামনা সামনি বসে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু রেলের আধিকারিকরা আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাননি। নোটিস ধরিয়ে এখন আমাদের উঠে যেতে বলা হয়েছে। আমরাও চাই ঝাড়গ্রাম স্টেশনে উন্নয়নের কাজ হোক। একই সঙ্গে মানবিক দৃষ্টিতে রেল মার্কেটের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দিক। না হলে এতগুলো ব্যবসায়ীর সংসার ভেসে যাবে।
সব্জি বাজার রেলওয়ে মার্কেট কমিটির কোষাধ্যক্ষ রাজু গড়াই বলেন, রেলকে নির্দিষ্ট সময়ে ভাড়া দিয়ে গত চল্লিশ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। বাড়িতে বাবা মা, স্ত্রী ও এক ছেলে আছে। মার্কেটের ভিতর পাইকারি সব্জির দোকান রয়েছে। কমিটির তরফে জেলা প্রশাসন ও সাংসদের কাছেও পুনর্বাসনের বিষয়টি দেখার জন্য বলা হয়েছে। এভাবে উচ্ছেদ করা হলে আমাদের পথে বসতে হবে। জেলার তৃণমূল নেতা অজিত মাহাত বলেন, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই রেল উচ্ছেদের নোটিস ধরিয়েছে। আমাদের দল এইভাবে উচ্ছেদ করার বিরোধী। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দলের তরফে কথা বলেছি। জেলাশাসককেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। সাংসদ বিষয়টি নিজে দেখছেন। সাংসদ কালীপদ সরেন বলেন, মার্কেটের ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে ওখানে ব্যবসা করছেন। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা হলে রেলওয়ে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বিপদে পড়বেন। ঝাড়গ্রাম জেলাশাসক ও রেল দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই বৈঠক করেছি। স্টেশন লাগোয়া পোস্ট অফিসের কাছে একটি জমি আছে। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ওই জায়গায় করা যেতে পারে। বৈঠকে রেল দপ্তরের আধিকারিকদের জায়গাটি পরিদর্শন করার জন্য বলেছি।
সব্জি বাজার রেলওয়ে মার্কেট কমিটির কোষাধ্যক্ষ রাজু গড়াই বলেন, রেলকে নির্দিষ্ট সময়ে ভাড়া দিয়ে গত চল্লিশ বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। বাড়িতে বাবা মা, স্ত্রী ও এক ছেলে আছে। মার্কেটের ভিতর পাইকারি সব্জির দোকান রয়েছে। কমিটির তরফে জেলা প্রশাসন ও সাংসদের কাছেও পুনর্বাসনের বিষয়টি দেখার জন্য বলা হয়েছে। এভাবে উচ্ছেদ করা হলে আমাদের পথে বসতে হবে। জেলার তৃণমূল নেতা অজিত মাহাত বলেন, পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেই রেল উচ্ছেদের নোটিস ধরিয়েছে। আমাদের দল এইভাবে উচ্ছেদ করার বিরোধী। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দলের তরফে কথা বলেছি। জেলাশাসককেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। সাংসদ বিষয়টি নিজে দেখছেন। সাংসদ কালীপদ সরেন বলেন, মার্কেটের ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে ওখানে ব্যবসা করছেন। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা হলে রেলওয়ে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা বিপদে পড়বেন। ঝাড়গ্রাম জেলাশাসক ও রেল দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই বৈঠক করেছি। স্টেশন লাগোয়া পোস্ট অফিসের কাছে একটি জমি আছে। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ওই জায়গায় করা যেতে পারে। বৈঠকে রেল দপ্তরের আধিকারিকদের জায়গাটি পরিদর্শন করার জন্য বলেছি।



