নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্ৰাম শহরের উড়ালপুলের উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছিল। একাধিক জায়গায় জয়েন্ট ক্লিপ খুলে যাওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল। বর্তমান পত্রিকায় সেই খবর প্রকাশ হতেই প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। পূর্ত দপ্তরের উদ্যোগে তড়িঘড়ি সংস্কারের কাজ শুরু হয়।
Advertisement
ঝাড়গ্রাম শহরে নতুনডিহি এলাকায় উড়ালপুলটি তৈরি করা হয়েছিল। যানাবাহন যাতায়াত শুরু হয় ২০১৫ সালে। শহরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশকে জুড়েছে এই উড়ালপুল। পুলের রাস্তায় জয়েন্ট ক্লিপ খুলে লোহার পাত বেরিয়ে পড়েছিল। যাত্রীবাহী বাস, মালবোঝাই লরি ও ছোট যানবাহন তার উপর দিয়েই চলাচল করছিল। বাস শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে উড়ালপুল সংস্কারের দাবি জানানো হচ্ছিল। কিন্তু প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় চালকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। বর্তমান পত্রিকায় বিষয়টি নিয়ে খবর বের হয়। তারপরই জেলা প্রশাসন পদক্ষেপ নেয়। তড়িঘড়ি উড়ালপুল সংস্কারের কাজ শুরু হয়। পূর্ত দপ্তরের আধিকারিক মৃত্যুঞ্জয় পাল বলেন, উড়ালপুলের সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হতে সময় লাগবে। যানজট এড়াতে রাতে কাজ হচ্ছে।
ঝাড়গ্ৰাম জেলা তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সহ সভাপতি সৌমেন আচার্য বলেন, পূর্তদপ্তর দেরিতে হলেও সংস্কারের কাজ শুরু করেছে। তবে এই উদ্যোগ আগে নিলে ভালো হতো। বাসচালক, মন্টু মাহাত বলেন, উড়ালপুলের জয়েন্ট ক্লিপগুলো সারানোর জন্য প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। পূর্ত দপ্তর সংস্কারের কাজ শুরু করায় আমরা খুশি। শহরের ঘোড়াধরা এলাকার বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক সুজয় সরকার বলেন, বাইকে উড়ালপুল পেরিয়ে শিলদায় স্কুলে যেতে হয়। ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছিল।
ঝাড়গ্ৰাম জেলা তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সহ সভাপতি সৌমেন আচার্য বলেন, পূর্তদপ্তর দেরিতে হলেও সংস্কারের কাজ শুরু করেছে। তবে এই উদ্যোগ আগে নিলে ভালো হতো। বাসচালক, মন্টু মাহাত বলেন, উড়ালপুলের জয়েন্ট ক্লিপগুলো সারানোর জন্য প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। পূর্ত দপ্তর সংস্কারের কাজ শুরু করায় আমরা খুশি। শহরের ঘোড়াধরা এলাকার বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক সুজয় সরকার বলেন, বাইকে উড়ালপুল পেরিয়ে শিলদায় স্কুলে যেতে হয়। ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছিল।



