সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: মঙ্গলবার রাতের প্রাকৃতিক দুর্যোগে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় খড়্গপুরের বিস্তীর্ণ এলাকা। ওই দিন রাতে হঠাৎ ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। শহর ও গ্রামাঞ্চলে ২০টি বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে গিয়েছে। অন্ধকারে ডুবে যায় সারা শহর ও গ্রামীণ এলাকা। শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও গ্রামঞ্চলে পরিষেবা স্বাভাবিক হয়নি। বিদ্যুৎ না থাকায় পানীয় জল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। দুর্যোগের প্রভাবে ট্রেন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। থমকে যায় সবলা মেলার প্রস্তুতিও। বুধবার সকাল থেকে সেখানে অবশ্য কাজ শুরু হয়েছে। দুর্যোগের প্রভাব পড়ে খড়্গপুর-১ ব্লকের হরিয়াতাড়া পঞ্চায়েত এলাকা ও হিরাডি গ্রামেও। কিছুটা প্রভাব পড়েছে খড়্গপুর-২ ব্লকেও। শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বভাবিক হলেও বুধবার বিকেল পর্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। ফলে ওই এলাকায় এদিন পানীয় জল সরবরাহও ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা সূত্রে অবশ্য জানানো হয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে। বুধবার রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
Advertisement
খড়্গপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির প্রভাব পড়ে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে। আইআইটি উড়ালপুলের কাছে লোহার তোরণ ভেঙে পড়ে যায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে কয়েকজন জখমও হন। রাতেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যান চেয়ারপার্সন। রাস্তায় দেখা যায় প্রাক্তন বিধায়ক তথা কাউন্সিলার প্রদীপ সরকারকেও। তালবাগিচা মাঠে আগামী শনিবার থেকে জেলা সবলা মেলা শুরু হচ্ছে। সেখানে স্টল ও মণ্ডপ বাঁধার কাজ চলছিল। ঝড়ে সব লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। এদিন সকাল থেকে পুনরায় মণ্ডপ ও স্টল তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। চেয়ারপার্সন বলেন, ডেকরেটর বেশি শ্রমিককে কাজে লাগিয়ে সময়ের আগেই কাজ শেষ করে দেবেন বলেছেন। নির্দিষ্ট দিনেই সবলা মেলা শুরু হবে। অন্যদিকে, ঝড়ের সময় দূরপাল্লার কিছু ট্রেনও খড়্গপুর স্টেশনে ঘণ্টাখানেক আটকে পড়ে।
ঝড়-বৃষ্টিতে শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহও ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শহরে ও গ্রামাঞ্চলে ২০টি বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে গিয়েছে। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে আটটি হাইটেনশন লাইনের খুঁটি পড়ে গিয়েছে। বহু জায়গায় বিদ্যুৎবাহী তার ছিঁড়ে পড়ে। খড়্গপুর শহরে সাধারণ লাইনের কয়েকটি খুঁটি পড়ে যায়। সেগুলির রাতের মধ্যেই পাল্টানো গিয়েছে। কিন্তু হাইটেনশন লাইনের খুঁটি বদল করতে সময় লাগছে।
হরিয়াতাড়া পঞ্চায়েতের প্রধান কল্পনা মুদি বলেন, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে বিদ্যুৎ নেই। ফলে, বাসিন্দাদের প্রচণ্ড দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় পাম্প চালানো যায়নি। ফলে পানীয় জল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। জেনারেটর চালিয়ে পঞ্চায়েত অফিসের কাজ করতে হচ্ছে। আশা করছি এদিন রাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
ঝড়-বৃষ্টিতে শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহও ব্যাহত হয়। বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শহরে ও গ্রামাঞ্চলে ২০টি বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে গিয়েছে। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে আটটি হাইটেনশন লাইনের খুঁটি পড়ে গিয়েছে। বহু জায়গায় বিদ্যুৎবাহী তার ছিঁড়ে পড়ে। খড়্গপুর শহরে সাধারণ লাইনের কয়েকটি খুঁটি পড়ে যায়। সেগুলির রাতের মধ্যেই পাল্টানো গিয়েছে। কিন্তু হাইটেনশন লাইনের খুঁটি বদল করতে সময় লাগছে।
হরিয়াতাড়া পঞ্চায়েতের প্রধান কল্পনা মুদি বলেন, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে বিদ্যুৎ নেই। ফলে, বাসিন্দাদের প্রচণ্ড দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় পাম্প চালানো যায়নি। ফলে পানীয় জল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। জেনারেটর চালিয়ে পঞ্চায়েত অফিসের কাজ করতে হচ্ছে। আশা করছি এদিন রাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।



