সংবাদদাতা, লালবাগ: ভুয়ো ভোটার চিহ্নিত করতে এবার পথে নামলেন জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ ঘোষ। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ শহর সভাপতি অরুণ সাহা, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অনিল চুরোরিয়া ও শাসকদলের কর্মীরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। বুধবার সকালে শহরের ১৪নম্বর ওয়ার্ডের আজিমগঞ্জ বারোদুয়ারি থেকে ১৭নম্বর ওয়ার্ডের মনসুরগঞ্জ অবধি এই কর্মসূচি হয়। চেয়ারম্যান ভোটার তালিকা হাতে বাড়ি বাড়ি যান। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তালিকার সঙ্গে তাঁদের এপিক কার্ডের নাম, ঠিকানা সহ সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখেন।
Advertisement
২৭ফেব্রুয়ারি কলকাতায় দলীয় সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভুয়ো ভোটার ইস্যুতে সরব হন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর মুর্শিদাবাদ জেলাজুড়ে ভুয়ো ভোটারের খোঁজ শুরু হয়েছে। তৃণমূল সূত্রে খবর, কয়েকদিন ধরে জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে খোঁজ চলছে। তবে এখনও তালিকায় কোনও গরমিল পাওয়া যায়নি।
পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, বিহার, উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নাম এরাজ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেকারণে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা মিলিয়ে নিচ্ছি। একজনও ভুতুড়ে ভোটার যাতে না থাকে, আমরা সেই শপথ নিয়েছি। একাজে পুরসভার ১৭টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলার, বুথ সভাপতি সহ সমস্ত কর্মীদের নিয়ে নেমেছি। শুধুমাত্র প্রকৃত ভোটারদের নাম রাখা হবে।
শাসকদলের শহর সভাপতি বলেন, বিজেপি পরিকল্পিতভাবে ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটার ঢুকিয়ে দিচ্ছে। দিল্লি বিধানসভা ভোটে ২০হাজার ভুয়ো ভোটার ঢুকিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে। এরাজ্যেও সেই পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু আমরা সেটা হতে দেব না।
পুরসভার চেয়ারম্যান বলেন, বিহার, উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নাম এরাজ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেকারণে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা মিলিয়ে নিচ্ছি। একজনও ভুতুড়ে ভোটার যাতে না থাকে, আমরা সেই শপথ নিয়েছি। একাজে পুরসভার ১৭টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলার, বুথ সভাপতি সহ সমস্ত কর্মীদের নিয়ে নেমেছি। শুধুমাত্র প্রকৃত ভোটারদের নাম রাখা হবে।
শাসকদলের শহর সভাপতি বলেন, বিজেপি পরিকল্পিতভাবে ভোটার তালিকায় ভুয়ো ভোটার ঢুকিয়ে দিচ্ছে। দিল্লি বিধানসভা ভোটে ২০হাজার ভুয়ো ভোটার ঢুকিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে। এরাজ্যেও সেই পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু আমরা সেটা হতে দেব না।



