Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জগদ্ধাত্রীর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে জনজোয়ারে ভাসল তেহট্ট শহর

জগদ্ধাত্রীর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে জনজোয়ারে ভাসল তেহট্ট শহর
  • ১৩ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, তেহট্ট: জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার জনজোয়ারে ভাসল তেহট্ট শহর। এদিন বিকেল থেকেই শুরু হয় বিসর্জনের শোভাযাত্রা। তা দেখার জন্য শহরের রাস্তার পাশে কালো মাথার থিকথিকে ভিড় ছিল। পুজো উদ্যোক্তারা শোভাযাত্রা করে মণ্ডপ থেকে হাউলিয়া পার্ক মোড়, পিডব্লুডি হয়ে জলঙ্গি নদীতে তাদের প্রতিমা বিসর্জন করে। প্রত্যেক শোভাযাত্রার সঙ্গে ছিল বিভিন্ন ধরনের বাজনা। রং বেরঙের ট্যাবলো থেকে সামাজিক সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়। বিসর্জনের শোভাযাত্রায় যাতে কোনও বিশৃঙ্খলা না হয়, তারজন্য কড়া পুলিসি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। 
Advertisement
তেহট্টের সব চেয়ে বড় উৎসব জগদ্ধাত্রী পুজো। ছোট বড় মিলিয়ে ৬০টি পুজো হয়। থিম ও আলোকসজ্জা নিয়ে প্রতিযোগিতায় নেমেছিল পুজো কমিটিগুলি। একইভাবে বিসর্জনের শোভাযাত্রায় একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার প্রতিযোগিতা চলে। সোমবার প্রায় সারারাত বিভিন্ন মণ্ডপে ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়। এদিন বিসর্জনের শোভাযাত্রাও মানুষকে আকর্ষণ করে। বিসর্জনের শোভাযাত্রা দেখার জন্য এদিন সকাল থেকেই রাস্তার পাশের জায়গা দখল শুরু হয়। বিকেল হতেই সেই জায়গায় বহু মানুষ জলের বোতল, টিফিন নিয়ে বসতে শুরু করে। বিসর্জনের শোভাযাত্রা শেষ করে তাঁরা বাড়ি ফেরে। শুধু তেহট্ট এলাকার মানুষ নয়, এই শোভাযাত্রা দেখতে আশেপাশের গ্রাম থেকেও বহু মানুষ আসে।
শোভাযাত্রা দেখার জন্য রাস্তার পাশে পরিবারের  সকলকে নিয়ে বসেছিলেন সুমনা বিশ্বাস। তিনি বলেন, দু’দিন ধরে বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে ঘুরে ঠাকুর দেখেছি। এদিন শোভাযাত্রা দেখার জন্য বিকেলেই পরিবারের সকলকে নিয়ে রাস্তার পাশে বসেছি। বর্গিডাঙা যুব সঙ্ঘ, সেমনেন্স  বয়েজ, দত্তপাড়ার বড় মার শোভাযাত্রা দেখতেই হয়। সেমনেন্স বয়েজের বুড়ি মা সব শেষে বিসর্জন হয়। তার শোভাযাত্রাও তো না দেখে যাওয়া যায় না। এই শোভাযাত্রায় অন্যতম আকর্ষণ সেমনেন্স বয়েজের বুড়ি মা। বিভিন্ন জীবন্ত মডেল, আলোকসজ্জায় এরা চমক দেয়। তা দেখার জন্য সারারাত মানুষ রাস্তার পাশে অপেক্ষা করে। বর্গিডাঙা পাড়া যুব সংস্থার বিভিন্ন বাজনা, সামাজিক সচেতনতার প্রচারও মানুষের নজর কাড়ে। 
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যেক পুজো কমিটিকে নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দিষ্ট সময় মেনে শোভাযাত্রা শুরু হয়। বিসর্জন সারারাত ধরেই চলে। সুস্থভাবে বিসর্জন শেষ করার জন্য নদীর পাড় সহ বিভিন্ন জায়গায় পুলিসি ব্যবস্থা ছিল।
সম্পর্কিত সংবাদ