সংবাদদাতা, তেহট্ট: রবিবার থেকে তেহট্ট শহরে নো-এন্ট্রি শুরু হয়ে গিয়েছে। জগদ্ধাত্রী পুজোকে কেন্দ্র করে ওইদিন বিকেল থেকে মঙ্গলবার বিসর্জনের দিন পর্যন্ত শহরে নো-এন্ট্রি থাকবে। রোজ রাত ১২টা পর্যন্ত নো-এন্ট্রি কার্যকর থাকবে। এই সময়ের মধ্যে তেহট্ট শহরে কোনও বাইক, টোটো, অটো সহ ভারী যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। শুধুমাত্র প্রশাসনিক, দমকল ও চিকিৎসা সংক্রান্ত গাড়ি ঢুকতে পারবে। ভিড়ের উপর নির্ভর করে এই নো- এন্ট্রির সময় বাড়তে পারে, আবার কমতেও পারে।
Advertisement
কেন্দ্রীয় পুজো কমিটির দাবি, অন্যবারের তুলনায় এবার তেহট্টে ভিড় বেশি হবে। সেই কারণে শহরে ঢোকার চারদিকে ব্যারিকেড করা হবে। যেখান থেকে নো-এন্ট্রি শুরু হবে। কৃষ্ণনগর জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার (গ্রামীণ) কৃশানু রায় বলেন, পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে আমরা বৈঠক করেছি। পরে আলাদাভাবে কেন্দ্রীয় পুজো কমিটির সঙ্গে আমরা বসেছি। মানুষের সুবিধার্থে চার জায়গায় পুলিস ক্যাম্প করা হয়েছে। প্রতি পুজো মণ্ডপে পুলিস থাকবে। কোনওরকম অশান্তি যাতে না হয়, তারজন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তেহট্টের সব চেয়ে বড় উৎসব জগদ্ধাত্রী পুজো। এই পুজোয় সারা এলাকা আলোকসজ্জায় সজ্জিত। এবছর থিম ও সাবেকিয়ানা এই পুজোর আকর্ষণ বাড়িয়েছে। ফলে গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ভিড় বেশি হবে বলে মনে করছেন পুজো উদ্যোক্তারা। শনিবার বিকেল থেকে মণ্ডপগুলি দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। রবিবার বিকেল নামতেই প্যান্ডেলে মানুষের ভিড় শুরু হয়। রাত যত গড়িয়েছে, ভিড়ও তত বেড়েছে।
তেহট্টের সব চেয়ে বড় উৎসব জগদ্ধাত্রী পুজো। এই পুজোয় সারা এলাকা আলোকসজ্জায় সজ্জিত। এবছর থিম ও সাবেকিয়ানা এই পুজোর আকর্ষণ বাড়িয়েছে। ফলে গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ভিড় বেশি হবে বলে মনে করছেন পুজো উদ্যোক্তারা। শনিবার বিকেল থেকে মণ্ডপগুলি দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। রবিবার বিকেল নামতেই প্যান্ডেলে মানুষের ভিড় শুরু হয়। রাত যত গড়িয়েছে, ভিড়ও তত বেড়েছে।



