সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ঘটনার তিনদিনের মধ্যেই জয়গাঁয় যৌনাঙ্গ কেটে শিক্ষক শান্তাবীর তামাংকে খুনের ঘটনার কিনারা করল পুলিস। মৃতের ছোট ভাই হিরিং তামাংয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মৃতের সাত বন্ধুকে গত শনিবার আটক করেছিল। টানা জেরায় আটকদের মধ্যে বিজয় সুব্বা ও পান্ডু রাই নামে দুই বন্ধু ওই শিক্ষককে খুন করার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিস জানিয়েছে। বাকি পাঁচজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
তবে চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, খুনটি নারীঘটিত -এমন ‘প্রমাণ’ করতে শান্তাবীরের যৌনাঙ্গ কেটে মুখে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকে ভুল পথে চালনা করতে অভিযুক্তদের এমন কীর্তি দেখে তাজ্জব তদন্তকারী অফিসাররাও। ধৃতদের জেরা করে পুলিস জানতে পেরেছে, এই ঘটনাকে নারীঘটিত বিষয় বলে প্রমাণ করতে ও তদন্তের মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতেই এক অভিযুক্ত কাটা যৌনাঙ্গ শিক্ষকের মুখে গুঁজে দেয়। তারপরেই অকুস্থল থেকে চলে যায় বিজয় ও পান্ডু। পরের দিন শনিবার সকালে জয়গাঁর শুক্রোজোতে মাঠের মধ্যে শিক্ষকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। যৌনাঙ্গ কাটা অবস্থায় দেহটি ছ’ঘণ্টা পড়েছিল। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হয় ওই শিক্ষকের।
কিন্তু কেন এভাবে শান্তাবীরকে খুন করল তাঁর দুই বন্ধু বিজয় ও পান্ডু? পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার ধারের টাকা শোধ না করায় বন্ধু শিক্ষকের প্রতি আক্রোশ জমেছিল বিজয়ের। তারপরেই বিজয় বন্ধু শিক্ষককে চরম সাজা দিতে তাঁকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয়। আর এই খুনের জন্য বিজয় মোটা টাকার সুপারি দিয়েছিল পান্ডুকে।
এই পান্ডু রাই আবার জয়গাঁ ও কালচিনি এলাকায় কুখ্যাত সমাজবিরোধী হিসেবে পরিচিত। পান্ডুর বিরুদ্ধে ওই দুই থানায় একাধিক মামলাও আছে। তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, খুনের ঘটনার সঙ্গে নারীঘটিত কোনও বিষয় ছিল না। শিক্ষকের জুয়া ও মাদকের নেশা ছিল। শুক্রবার রাতে জুয়ার আসরে বিজয় ও পান্ডু ওই শিক্ষককে প্রচুর মদ খাওয়ায়। জুয়ার ঠেক ভেঙে গেলে অন্যরা বাড়ি চলে যায়। তারপরেই বিজয় শান্তাবীরকে সিগারেট খেতে দেয়। সিগারেট ধরাতে শিক্ষক দুই হাত উপর দিকে তুলতেই পান্ডু নিমেষের মধ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর যৌনাঙ্গ কেটে ফেলে।
প্রথম থেকেই জেরার সময় বিজয় ও পান্ডু পুলিসকে বিভ্রান্ত করতে স্বাভাবিক আচরণ করছিল। পুলিসও ধন্দে পড়েছিল। পুলিস এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজও খতিয়ে দেখেছিল। তাতে দেখা যায় ঘটনার দিন টালমাটাল অবস্থায় ওই শিক্ষক বিজয় ও পান্ডুর সঙ্গে রাতে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। অকুস্থলে থাকা মোবাইল টাওয়ার লোকেশনেরও সাহায্য নেয় পুলিস। জেরার সময় পুলিস এই প্রমাণ তুলে ধরতেই ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত বিজয় ও পান্ডু।
মৃতের স্ত্রী রীতা বিশ্ব বলেন, বহুবার মাদক ও জুয়ার নেশা থেকে স্বামীকে সরে আসতে বলেছিলাম। একজন শিক্ষক হিসেবে তাঁর এই পথে যাওয়া ঠিক নয়। কিন্তু আমার কথা শোনেনি স্বামী। আমার কথা শুনলে আজ এই পরিণতি হতো না।
আলিপুরদুয়ারের পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, দুই অভিযুক্ত শেষপর্যন্ত শিক্ষককে খুনের কথা স্বীকার করে নেয়।
কিন্তু কেন এভাবে শান্তাবীরকে খুন করল তাঁর দুই বন্ধু বিজয় ও পান্ডু? পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার ধারের টাকা শোধ না করায় বন্ধু শিক্ষকের প্রতি আক্রোশ জমেছিল বিজয়ের। তারপরেই বিজয় বন্ধু শিক্ষককে চরম সাজা দিতে তাঁকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয়। আর এই খুনের জন্য বিজয় মোটা টাকার সুপারি দিয়েছিল পান্ডুকে।
এই পান্ডু রাই আবার জয়গাঁ ও কালচিনি এলাকায় কুখ্যাত সমাজবিরোধী হিসেবে পরিচিত। পান্ডুর বিরুদ্ধে ওই দুই থানায় একাধিক মামলাও আছে। তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, খুনের ঘটনার সঙ্গে নারীঘটিত কোনও বিষয় ছিল না। শিক্ষকের জুয়া ও মাদকের নেশা ছিল। শুক্রবার রাতে জুয়ার আসরে বিজয় ও পান্ডু ওই শিক্ষককে প্রচুর মদ খাওয়ায়। জুয়ার ঠেক ভেঙে গেলে অন্যরা বাড়ি চলে যায়। তারপরেই বিজয় শান্তাবীরকে সিগারেট খেতে দেয়। সিগারেট ধরাতে শিক্ষক দুই হাত উপর দিকে তুলতেই পান্ডু নিমেষের মধ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর যৌনাঙ্গ কেটে ফেলে।
প্রথম থেকেই জেরার সময় বিজয় ও পান্ডু পুলিসকে বিভ্রান্ত করতে স্বাভাবিক আচরণ করছিল। পুলিসও ধন্দে পড়েছিল। পুলিস এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজও খতিয়ে দেখেছিল। তাতে দেখা যায় ঘটনার দিন টালমাটাল অবস্থায় ওই শিক্ষক বিজয় ও পান্ডুর সঙ্গে রাতে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। অকুস্থলে থাকা মোবাইল টাওয়ার লোকেশনেরও সাহায্য নেয় পুলিস। জেরার সময় পুলিস এই প্রমাণ তুলে ধরতেই ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত বিজয় ও পান্ডু।
মৃতের স্ত্রী রীতা বিশ্ব বলেন, বহুবার মাদক ও জুয়ার নেশা থেকে স্বামীকে সরে আসতে বলেছিলাম। একজন শিক্ষক হিসেবে তাঁর এই পথে যাওয়া ঠিক নয়। কিন্তু আমার কথা শোনেনি স্বামী। আমার কথা শুনলে আজ এই পরিণতি হতো না।
আলিপুরদুয়ারের পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, দুই অভিযুক্ত শেষপর্যন্ত শিক্ষককে খুনের কথা স্বীকার করে নেয়।



