Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসব শুরু মঞ্চে তৃণমূলের গুণগানে বিতর্ক

জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসব শুরু মঞ্চে তৃণমূলের গুণগানে বিতর্ক
  • ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: বৃহস্পতিবার ১৯তম রঘুনাথপুর জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসবের উদ্বোধন হয়। বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন। মেলা কমিটির সম্পাদক তথা রঘুনাথপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তরণি বাউরি, পুরুলিয়া জেলা পরিষদের কো মেন্টর জয় বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবছর ২৮ ডিসেম্বর পর্যটন উৎসবের সূচনা হয়। উৎসব ১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলে। উৎসবের গুরুত্বের কথা ভেবে এবছর মেলা একদিন বাড়ানো হয়েছিল। তবে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিংয়ের আকস্মিক প্রয়াণে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। তার জন্য এবছর জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসবের দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়।
মেলা কমিটির তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়, রাষ্ট্রীয় শোকের জন্য উৎসব ২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে। সেই মতো এদিন উৎসবের সূচনা হয়। উৎসব ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
তবে এবছর পর্যটন উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। উদ্বোধনী মঞ্চে বিশিষ্ট সমাজসেবী হিসেবে রঘুনাথপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিষ্ণুচরণ মাহাথা উপস্থিত ছিলেন। বিরোধীদের অভিযোগ, পর্যটন উৎসবের মঞ্চকে বিষ্ণুচরণবাবু তৃণমূলের দলীয় মঞ্চ হিসাবে ব্যবহার করেছেন। এদিন মঞ্চে বিষ্ণুচরণবাবু তৃণমূলের গুণগান করেছেন। বিজেপির বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলা সহ-সভাপতি বানেশ্বর মুখোপাধ্যায় বলেন, মঞ্চে বিষ্ণুবাবুর বক্তব্যে পরিষ্কার হয়েছে যে, আদতে পর্যটন উৎসব তৃণমূলের উৎসব। যদি তা না হতো তাহলে বিষ্ণুবাবু উৎসব মঞ্চটিকে দলীয় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করতে পারতেন না। কেউ এর বিরোধিতাও করল না। রঘুনাথপুর শহর কংগ্রেস সভাপতি তারকনাথ পরামানিক বলেন, বাম আমলে মেলার সূচনা হলেও মেলাটিকে কখনও দলীয় মেলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়নি। অথচ এখন দেখা যাচ্ছে পর্যটন উৎসব তৃণমূলের উৎসবে পরিণত হয়েছে।
যদিও জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা পর্যটন উৎসব কমিটির সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, রঘুনাথপুর জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসব কোনও রাজনৈতিক মেলা নয়। সকলকে নিয়ে মেলাটি হচ্ছে। বিষ্ণুবাবু মঞ্চে যা বলেছেন তা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে মেলা কমিটির কোনও সম্পর্ক নেই।
সম্পর্কিত সংবাদ