সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: ‘হীরক রাজার দেশ’ সিনেমা খ্যাত জয়চণ্ডী পাহাড়। পাহাড়কে কেন্দ্র করে বর্তমানে পর্যটন কেন্দ্র করে উঠেছে। পাহাড় সংলগ্ন এলাকায় পথের সাথী, যুব আবাস থেকে শুরু করে রিসর্ট গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু, পর্যটন কেন্দ্র হলেও পাহাড় যাওয়ার স্থায়ী রাস্তা নেই। তার জন্য পর্যটকদের প্রচণ্ড সমস্যায় পড়তে হয়। জয়চণ্ডী পর্যটনকেন্দ্র যাওয়ার রাস্তার জন্য টাকা বরাদ্দ করেছিল জেলা পরিষদ। কিন্তু, জমি জটের কারণে রাস্তা হয়নি। ফলে প্রায় ৮৯ লক্ষ টাকা ফেরত গিয়েছে। ১৯ তম জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসবের আগেও স্থায়ী রাস্তা হল না। শহরবাসীর তরফে স্থায়ী রাস্তা না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি বছরের মতো এবারও আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসব শুরু হচ্ছে। তবে অন্যান্য বছর পাঁচ দিনের মেলা হতো। এবার মেলার দিন সংখ্যা একদিন বাড়িয়ে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। প্রতিবছর জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসব দেখতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা সহ বিদেশের পর্যটকেরা ভিড় জমান। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্র যাওয়ার স্থায়ী রাস্তা না থাকায় প্রচণ্ড সমস্যায় পড়তে হয়।
প্রতিবছর মঞ্চের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেলাকে সরকারি আওতায় আনা এবং রাস্তার অসুবিধার কথা শোনা যায়। রাস্তার অসুবিধার কথা জানার পরেই ২০২৩ সালে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের তরফে গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রায় ৮৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু, জমি জটে সেই রাস্তার কাজ হয়নি। টাকা ফেরত গিয়েছে। ফলে আগামী দিন রাস্তা আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছে।
রঘুনাথপুর মহকুমা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে জয়চণ্ডী পাহাড় যাওয়ার দু’টি রাস্তা রয়েছে। একটি রাস্তা রায়তি সম্পত্তির উপর গিয়েছে। ফলে ওই রাস্তাটি যে কোনও দিন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অন্য রাস্তাটি এতটাই সংকীর্ণ যে গাড়ি নিয়ে ঢোকা যায় না। ফলে বিশেষ করে মেলার সময় ভিড়ের কারণে প্রচুর সময় পড়তে হয়। রঘুনাথপুর শহর কংগ্রেস সভাপতি তারকনাথ পরামানিক বলেন, প্রশাসন নিশ্চয়ই রাস্তার জায়গা আছে জানার পরেই অর্থ বরাদ্দ করেছিল। তারপরেও কেন রাস্তা হল না? আমরা যতদূর জানতে পেরেছি তৃণমূল নেতাদের নিজেদের কাটমানির ভাগাভাগি নিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে রাস্তাটি হয়নি। তাছাড়া এই পর্যটন উৎসব এখন তৃণমূলের উৎসবে পরিণত হয়েছে।রঘুনাথপুর শহর বিজেপির কাউন্সিলার দীনেশ শুক্লা বলেন, গতবছর তৃণমূল ঘটা করে নারকেল ফাটিয়ে রাস্তা তৈরির প্রচার করেছিল। এখন আর সেই রাস্তা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। প্রতিবারেই শোনা যায় মেলাকে সরকারি মেলায় রূপান্তরিত করা হবে। কিন্তু, তাও বাস্তবায়িত হল না। কারণ তৃণমূলের নেতারা জানে মেলাকে সরকারি ঘোষণা করা হলে তাদের ক্ষতি হবে। মেলাকে কেন্দ্র করে প্রচুর টাকা আদায় করা হয়। সেই টাকার কোনও হিসেব থাকে না। রঘুনাথপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তথা জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসবের সম্পাদক তরণী বাউরি বলেন, স্থায়ী রাস্তার জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল। জমিজট সমস্যার কারণে রাস্তাটি হয়নি। মেলাটিকে সরকারিভাবে করার জন্য আমরা সব রকম চেষ্টা করে যাচ্ছি।
প্রতিবছর মঞ্চের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেলাকে সরকারি আওতায় আনা এবং রাস্তার অসুবিধার কথা শোনা যায়। রাস্তার অসুবিধার কথা জানার পরেই ২০২৩ সালে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের তরফে গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়ন তহবিল থেকে প্রায় ৮৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু, জমি জটে সেই রাস্তার কাজ হয়নি। টাকা ফেরত গিয়েছে। ফলে আগামী দিন রাস্তা আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছে।
রঘুনাথপুর মহকুমা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে জয়চণ্ডী পাহাড় যাওয়ার দু’টি রাস্তা রয়েছে। একটি রাস্তা রায়তি সম্পত্তির উপর গিয়েছে। ফলে ওই রাস্তাটি যে কোনও দিন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। অন্য রাস্তাটি এতটাই সংকীর্ণ যে গাড়ি নিয়ে ঢোকা যায় না। ফলে বিশেষ করে মেলার সময় ভিড়ের কারণে প্রচুর সময় পড়তে হয়। রঘুনাথপুর শহর কংগ্রেস সভাপতি তারকনাথ পরামানিক বলেন, প্রশাসন নিশ্চয়ই রাস্তার জায়গা আছে জানার পরেই অর্থ বরাদ্দ করেছিল। তারপরেও কেন রাস্তা হল না? আমরা যতদূর জানতে পেরেছি তৃণমূল নেতাদের নিজেদের কাটমানির ভাগাভাগি নিয়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে রাস্তাটি হয়নি। তাছাড়া এই পর্যটন উৎসব এখন তৃণমূলের উৎসবে পরিণত হয়েছে।রঘুনাথপুর শহর বিজেপির কাউন্সিলার দীনেশ শুক্লা বলেন, গতবছর তৃণমূল ঘটা করে নারকেল ফাটিয়ে রাস্তা তৈরির প্রচার করেছিল। এখন আর সেই রাস্তা নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। প্রতিবারেই শোনা যায় মেলাকে সরকারি মেলায় রূপান্তরিত করা হবে। কিন্তু, তাও বাস্তবায়িত হল না। কারণ তৃণমূলের নেতারা জানে মেলাকে সরকারি ঘোষণা করা হলে তাদের ক্ষতি হবে। মেলাকে কেন্দ্র করে প্রচুর টাকা আদায় করা হয়। সেই টাকার কোনও হিসেব থাকে না। রঘুনাথপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তথা জয়চণ্ডী পর্যটন উৎসবের সম্পাদক তরণী বাউরি বলেন, স্থায়ী রাস্তার জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল। জমিজট সমস্যার কারণে রাস্তাটি হয়নি। মেলাটিকে সরকারিভাবে করার জন্য আমরা সব রকম চেষ্টা করে যাচ্ছি।



