সংবাদদাতা, সিউড়ি: সিউড়ি বাসস্ট্যান্ডের ফুটপাত কার্যত হকারদের দখলে। ফলে বাস বেরনো ও ঢোকার রাস্তা ক্রমাগত সংকীর্ণ হচ্ছে। তার উপর যত্রতত্র বেআইনি পার্কিং তো রয়েইছে। প্রতিদিন রীতিমতো ঝুঁকি নিয়ে চালকদের বাস চালাতে হয় এই চত্বরে। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা এই সমস্যার কোনও সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে নিত্যযাত্রী এবং বাস চালকদের একাংশ। সিউড়ি বাসস্ট্যান্ড দখল মুক্ত করার কোনও উদ্যোগই নেই সিউড়ি পুরসভার। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই পুরসভার ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, পুর কর্তৃপক্ষ শুধু সংবাদ মাধ্যমে প্রতিশ্রুতির বুলি দেওয়া ছাড়া কোনও কাজ করে না। সিউড়ি শহরের পরিস্থিতি নিয়ে অনেকেই বিধায়কের হস্তক্ষেপ দাবি করছেন। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে পুরসভার কাউন্সিলাররা ফের মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি প্রকল্প নিয়ে উন্নয়নের জয়গান করতে নামবেন। কিন্তু সিউড়ি শহরের হাল ফিরবে না।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নেতাজি বাস টার্মিনাস কার্যত হকার আর ব্যবসায়ীদের দখলে চলে গিয়েছে। ফুটপাতের দোকান নেমে এসেছে রাস্তায়। চারাগাছ, ফলের দোকান, ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রির দোকান, চায়ের দোকান, লটারির দোকানে ঢেকেছে রাস্তা। অনেকে বাসস্ট্যান্ডের জায়গা জবর দখল করে টিনের স্থায়ী দোকানও তৈরি করেছেন। নিত্যযাত্রী ও সাধারণ মানুষের হাঁটাচলার রাস্তা ক্রমশ কমছে। দোকানের আবর্জনায় ভরে উঠেছে গোটা বাসস্ট্যান্ড চত্বর। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দখলের কারণে সংকীর্ণ হয়েছে বাস যাতায়াতের রাস্তা। সংকীর্ণ রাস্তা দিয়ে বাস যাতায়াতে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা। প্রতিদিন বাসস্ট্যান্ডে বাস ঢোকাতে ও বের করতে সমস্যায় পড়তে হয় বাস চালকদের। বাসযাত্রীদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কিন্তু হেলদোল নেই সিউড়ি পুরসভার। একদিকে যখন দেউচা পাচামি কয়লাখনি প্রকল্পের সাফল্য নিয়ে গোটা রাজ্যে জেলা প্রশাসনের জয়জয়কার চলছে। সেখানে জেলা সদর সিউড়ি পুরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সিউড়ির বাসিন্দা এক নিত্যযাত্রী এবং পেশায় শিক্ষিকা সুনন্দা চক্রবর্তী বলেন, প্রতিদিন বাসে করে আমাদের স্কুলে যেতে হয়। সিউড়ি বাসস্ট্যান্ডের ফুটপাতে পা দেওয়ার জায়গা নেই। হকাররা সরকারি জায়গা দখল করে স্থায়ী দোকান করেছে। অথচ মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে হবে। বাস যাতায়াতের রাস্তা নেই। পুরসভা কোনও পদক্ষেপ করে না। পুরসভার উদাসীনতার জন্য রাজ্যেরও কোনও ভূমিকা নেই। সিউড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, খুব শীঘ্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিউড়ির বাসিন্দা এক নিত্যযাত্রী এবং পেশায় শিক্ষিকা সুনন্দা চক্রবর্তী বলেন, প্রতিদিন বাসে করে আমাদের স্কুলে যেতে হয়। সিউড়ি বাসস্ট্যান্ডের ফুটপাতে পা দেওয়ার জায়গা নেই। হকাররা সরকারি জায়গা দখল করে স্থায়ী দোকান করেছে। অথচ মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে হবে। বাস যাতায়াতের রাস্তা নেই। পুরসভা কোনও পদক্ষেপ করে না। পুরসভার উদাসীনতার জন্য রাজ্যেরও কোনও ভূমিকা নেই। সিউড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, খুব শীঘ্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



