Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জয়ন্ত সিংয়ের দলবলের বিরুদ্ধে ফের সাক্ষীকে ভয় দেখানোর অভিযোগ, ক্ষোভ এলাকাবাসীর

রবিবার রাতে অভিযুক্ত জয়ন্ত সিংয়ের দলবল মামলার সাক্ষী বিমল পাঁজার বাড়ির সামনে গিয়ে গালিগালাজ করার পাশাপাশি হুমকি দেয়

জয়ন্ত সিংয়ের দলবলের বিরুদ্ধে ফের সাক্ষীকে ভয় দেখানোর অভিযোগ, ক্ষোভ এলাকাবাসীর
  • ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: ফের সাক্ষীকে ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠল আড়িয়াদহে। রবিবার রাতে অভিযুক্ত জয়ন্ত সিংয়ের দলবল মামলার সাক্ষী বিমল পাঁজার বাড়ির সামনে গিয়ে গালিগালাজ করার পাশাপাশি হুমকি দেয়। স্থানীয়রা বেরিয়ে প্রতিবাদ করেন। তাঁরা জয়ন্তর এক শাগরেদকে ধরে ফেলে মারধর করার পর বেলঘরিয়া থানার হাতে তুলে দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালীদের মদতে জেলে বসেই এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব বহাল রেখেছে জয়ন্ত। এমনকী, প্রাসাদোপম বাড়ি ভাঙা রুখতে আইনি লড়াই সহ পুরসভায় প্রভাব খাটানোর চেষ্টাও তারা চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ওই যুবক অসুস্থ। সে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ জানিয়েছে, সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement

আড়িয়াদহের প্রতিবাদী যুবক ও তাঁর মাকে নৃশংসভাবে মারধর, তালতলা ক্লাবে নাবালকের উপর নৃশংস অত্যাচার সহ একাধিক কেসে জেলবন্দি আড়িয়াদহের ত্রাস জয়ন্ত সিং। সে জেলে বসেই দলবলকে দিয়ে সাক্ষীদের শাসানি, হুমকি দিয়ে চলেছে অহরহ। এর আগেও জয়ন্তর শাগরেদ সুশোভন সরখেল সমাজমাধ্যমে সাক্ষীদের খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিল। এই কেসের অন্যতম সাক্ষী বিমল পাঁজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের তরফে একজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছে। রবিবার ওই নিরাপত্তাকর্মী একদিনের ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই সুযোগটাই বেছে নেয় জয়ন্তের দলবল। রবিবার রাতে তারা মদ্যপ অবস্থায় বিমলবাবুর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে গালিগালাজের পাশাপাশি হুমকি দিতে শুরু করে। স্থানীয়রা বেরিয়ে এলে তিনজন যুবক চম্পট দিলেও একজন ধরা পড়ে যায়। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই যুবককে মারধর করার পর বেলঘরিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেন।
বিমলবাবু বলেন, মঙ্গলবার বারাকপুর মহকুমা আদালতে জয়ন্তের কেসের শুনানি রয়েছে। তার আগে আমাদের ভয় দেখাতে রবিবার রাতে জয়ন্তর দলবল আমার বাড়ির সামনে এসে হুমকি ও গালিগালাজ দেয়। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। কতদিন এই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মাথা তুলে লড়াই করতে পারব জানি না। কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, পুলিশ আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ