Bartaman Logo
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যন্তর মন্তর স্রেফ ট্রেলার ছিল, ধর্মেন্দ্র ইস্তফা না দিলে আন্দোলন চলবে: অভিজিৎ দিপকে

সময় সাত দিন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে ইস্তফা দিতে হবে। শনিবার দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভের পর এমনটাই জানানো হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির(সিজেপি) তরফে।

যন্তর মন্তর স্রেফ ট্রেলার ছিল, ধর্মেন্দ্র ইস্তফা না দিলে আন্দোলন চলবে: অভিজিৎ দিপকে
  • ৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: সময় সাত দিন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকে ইস্তফা দিতে হবে। শনিবার দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভের পর এমনটাই জানানো হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির(সিজেপি) তরফে। এবার দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানালেন, এদিনের অবস্থান স্রেফ ট্রেলার ছিল! উদ্দেশ্যপূরণ না হলে আরও বড়ো আকারে প্রতিবাদ বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করবে ‘আরশোলা’-রা। 

Advertisement

গত মাসে যুবসমাজ সম্পর্কে প্রধান বিচারপতির বেফাঁস মন্তব্যকে সামনে রেখে জন্ম হয় ককরোচ জনতা পার্টির। কয়েকদিনের মধ্যেই যা সোশ্যাল মিডিয়ার অন্যতম চর্চার কারণ হয়ে ওঠে। এই আবহে নিট-ইউজি’র প্রশ্ন ফাঁস, সিবিএসই দ্বাদশ বোর্ড পরীক্ষার মূল্যায়ন পদ্ধতিতে গুরুতর গোলযোগ, একের পর এক পরীক্ষার আয়োজনে গাফিলতির অভিযোগে বিদ্ধ হয় কেন্দ্রীয় সরকার। এইসব ইস্যুকে হাতিয়ার করে সোচ্চার হয় সিজেপি। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়িয়ে তাঁদের আন্দোলন পৌছায় বাস্তবের মাটিতে। তার পরিণতি ঠিক কেমন হতে পারে,  শনিবার গোটা দেশ দেখেছে। দিনভর সিজেপির সমর্থনে কয়েক হাজার মানুষ পথে নামেন। সিংঘভাগ তরুণ হলেও বহু প্রবীণকে আন্দোলনে শামিল হতে দেখা যায়। কংগ্রেস ‘ককরোচ’-বিক্ষোভ থেকে দূরত্ব বজায় রাখলেও হাজির ছিল জেএনইউ ও দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্র সংগঠন এবং বিভিন্ন বামপন্থী দল। তবে ওই দিনের কর্মসূচি স্রেফ ট্রেলার ছিল বলেই জানিয়েছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ। তাঁর কথায়, ‘শনিবার আমাদের বিক্ষোভ কর্মসূচি সফল হয়েছে। অন্তত ৬,০০০ থেকে ৭,০০০ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন। ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা না দেওয়া অবধি আমরা পিছিয়ে যাব না। এবার এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।’ 
সরাসরি প্রসঙ্গ উল্লেখ না করে সিজেপির কর্মসূচিকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। তাঁর কথায়, ‘দেশের যুবসমাজ কারও হাতের পুতুল নয়।’ আসলে, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ মার্কিন মুলুকে থাকেন। শনিবার সকালেই তিনি ভারতে পৌঁছন। এর আগে তাঁর যাবতীয় বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই জানিয়েছেন। নাম না করে তাঁকেই কটাক্ষ করেছেন নীতিন। বলেন, ‘বিদেশে থেকে কেউ ভারতের যুবসমাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধিতা থাকবেই, কিন্তু কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক মানদণ্ড ধ্বংস করা যাবে না।’ তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিককালে প্রতিবেশী দেশগুলিতে যে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দেখা গিয়েছে, ভারতে তা কখনো হবে না। এদিকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের বাড়িতে নিরাপত্তারক্ষী ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয়েছে। - ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ